Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

রাতে তাহসিফের সঙ্গে ছিলেন শাহরিয়ার দ্বীপ, দিলেন বর্ণনা

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৮ পিএম

রাতে তাহসিফের সঙ্গে ছিলেন শাহরিয়ার দ্বীপ, দিলেন বর্ণনা

বিজ্ঞাপন

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরি নিখোঁজ হওয়ার রাতে তার সঙ্গে প্রায় তিন ঘণ্টা ছিলেন জুনিয়র বন্ধু শাহরিয়ার দ্বীপ।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) গণমাধ্যমে ওই রাতের ঘটনা বর্ণনা তুলে ধরেন দ্বীপ।

শাহরিয়ার দ্বীপ জানান, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে তাহসিফের সঙ্গে দেখা হওয়ার পর দুজন মিলে মোটরসাইকেল মেরামত করান এবং একসঙ্গে রাতের খাবার খান। পরে দ্বীপ নিজের বাসায় ফিরে যান, আর তাহসিফ অন্যদিকে চলে যান বলে জানিয়েছেন তিনি।

তিনি জানান, তাহসিফের মোটরসাইকেলটি নষ্ট হয়ে পড়েছিল। দুজনের মোটরসাইকেল একই মডেলের হওয়ায় এবং নিজের বাইক রক্ষণাবেক্ষণের অভিজ্ঞতা থাকায় তিনি তাহসিফকে বাইকটি চালু করতে সহায়তা করেন। পরে দুজন উত্তরার একটি ওয়ার্কশপে যান। সেখানে ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তনসহ বাইকের আরও কিছু কাজ করানো হয়।

দ্বীপ বলেন, বাইকের কাজ শেষে তারা আবার অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পে ফিরে আসেন। সেখান থেকে রাজি কমপ্লেক্সের একটি রেস্তোরাঁয় গিয়ে একসঙ্গে রাতের খাবার খান। এরপর তিনি নিজের বাসার দিকে চলে যান। তাহসিফ কোথায় গিয়েছিলেন, তা তার জানা নেই।

একসঙ্গে থাকার সময় সম্পর্কে দ্বীপ বলেন, তাহসিফের সঙ্গে তার দেখা হয়েছিল রাত ৯টার দিকে। রাত সাড়ে ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে তিনি বাসার উদ্দেশে রওনা হন। সব মিলিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা তারা একসঙ্গে ছিলেন, যার মধ্যে প্রায় দুই ঘণ্টা কেটেছে মোটরসাইকেলের কাজ করাতে।

এর আগে বৃহস্পতিবার তাহসিফের বাবা কে এম এনায়েতুল করিম হেলাল গণমাধ্যমকে জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর জুনিয়র বন্ধু দ্বীপের ফোন পেয়ে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন তাহসিফ। যাওয়ার আগে মাকে বলেছিলেন, একটু কথা বলে ফিরে আসবেন। কিন্তু এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।

পরিবারের ভাষ্যে, রাত ১টা ৩৫ মিনিটে মাকে শেষবারের মতো মেসেজ পাঠিয়ে তাহসিফ লেখেন, ‘আম্মু, আমি আসছি।’ পরদিন সন্ধ্যার আগে তারা জানতে পারেন, রাজধানীর উত্তরার রাজাবাড়ী ঘাটে নদীতে তার মরদেহ পাওয়া গেছে।

তাহসিফের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে দ্বীপ বলেন, বয়সে বড় হলেও তিনি তাহসিফের খুব কাছের একজন বড় ভাই ছিলেন। তাদের পারিবারিক সম্পর্কও ছিল। এমনকি একসঙ্গে সপরিবারে তাহসিফের বাসায় দাওয়াত খেতে যাওয়ার ঘটনাও রয়েছে বলে জানান তিনি।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার