Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

নামজারিতে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৩ পিএম

নামজারিতে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল

বিজ্ঞাপন

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা ভূমি অফিসে জমির নামজারিসহ বিভিন্ন সেবা নিতে সরকারি ফির বাইরে অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগসংবলিত কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

অভিযোগের তির ক্রেডিট চেকিং কাম সায়রাত সহকারী আল আমিন লাবু, অফিস সহায়ক হারুন অর-রশীদ ও সার্ভেয়ার আবু সোয়েবের দিকে। সেবাপ্রার্থীদের অভিযোগ, সরকারি নির্ধারিত ফি দেওয়ার পরও বিভিন্ন সেবা পেতে এক থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত দিতে হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, জমির পরিমাণ ও দলিলের ধরন অনুযায়ী নামজারির জন্য পাঁচ হাজার টাকা বা তার বেশি দাবি করেন সার্ভেয়ার আবু সোয়েব। তবে তিনি সরাসরি টাকা না নিয়ে আল আমিন লাবুর মাধ্যমে তা নেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

আল আমিন লাবুর বিরুদ্ধে নামজারির বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে তিন থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগ করেছেন সেবাপ্রার্থীরা। অন্যদিকে, নামজারির শুনানির তারিখ নির্ধারণ ও সিরিয়াল দেওয়ার জন্য অফিস সহায়ক হারুন অর-রশীদ এক হাজার টাকা করে নেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, নির্ধারিত সরকারি ফি পরিশোধের পরও বিভিন্ন অজুহাতে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়। প্রয়োজনীয় সেবা পেতে বাধ্য হয়ে অনেককে এই টাকা দিতে হচ্ছে। তবে হয়রানির আশঙ্কায় অভিযোগকারীরা নাম প্রকাশ করতে চাননি।

এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগ যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তারা জানান, ভূমি অফিসে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা না গেলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমবে না।

অভিযোগের বিষয়ে সার্ভেয়ার আবু সোয়েব বলেন, তিনি সপ্তাহে এক-দুই দিন বোদা ভূমি অফিসে যান। সহকারী কমিশনার (ভূমি) যেসব কাগজপত্র বাতিল করেন বা সিদ্ধান্ত দেন, সেগুলো যাচাই করে প্রতিবেদন দেন। এর বাইরে তিনি কিছু জানেন না। তার নাম ব্যবহার করে কেউ টাকা নিলে সেটি তার বিষয় বলেও দাবি করেন তিনি।

অফিস সহায়ক হারুন অর-রশীদ ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, অফিসে সিসি ক্যামেরা থাকায় ঘুষ নেওয়ার সুযোগ নেই।

অন্যদিকে, আল আমিন লাবুর বক্তব্য জানতে বোদা উপজেলা ভূমি অফিসে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও বন্ধ পাওয়া যায়।

বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ভূমি অফিসের কয়েকজন কর্মচারীর অনিয়মসংক্রান্ত কিছু ভিডিও ও ছবি তিনি দেখেছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার