Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

আঘাত হানতে পারে প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৫ পিএম

আঘাত হানতে পারে প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’

বিজ্ঞাপন

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি ক্রমেই শক্তিশালী হচ্ছে। আবহাওয়ার অনুকূল পরিস্থিতি থাকলে এটি গভীর নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড় এবং পরে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে বাংলাদেশের দেওয়া নাম ‘অর্ণব’ পেতে পারে আবহাওয়াব্যবস্থাটি। ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আগামী বুধবার (২৮ অক্টোবর) এটি আঘাত হানতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভারতের আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পূর্বমধ্য ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত নিম্নচাপটি ২৫ অক্টোবর গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এরপর পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ২৬ অক্টোবর সকালে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, অনুকূল পরিস্থিতি বজায় থাকলে ২৭ অক্টোবর সকালে এটি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। তবে এর গতিপথ ও শক্তির পরিবর্তনের ওপর নির্ভর করবে পরবর্তী পরিস্থিতি।

প্রাথমিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের বাপটলা ও বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী এলাকায় ২৮ অক্টোবর সকালে ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানতে পারে।

আঘাতের সময় ঝড়টির কেন্দ্রে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৫ থেকে ১২৫ কিলোমিটার হতে পারে। দমকা হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাব্য গতিপথ বিবেচনায় ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওডিশার উপকূলীয় এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়টির সরাসরি বাংলাদেশে আঘাত হানার আশঙ্কা তুলনামূলক কম বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের আবহাওয়াবিদেরা। তবে এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত বাড়তে পারে।

সম্ভাব্য পূর্বাভাস অনুযায়ী: ২৭ অক্টোবর থেকে: খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টিপাত বাড়তে পারে২৯ অক্টোবর থেকে: খুলনা, রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ, শক্তি ও অবস্থানের পরিবর্তনের সঙ্গে বাংলাদেশের আবহাওয়ার পূর্বাভাসেও পরিবর্তন আসতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কায় বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর চার সমুদ্রবন্দরে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্কসংকেত দেখাতে বলেছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে গভীর সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়াব্যবস্থাটি শক্তিশালী হওয়ার প্রক্রিয়ায় থাকায় এর গতিপথ ও তীব্রতার ওপর নজর রাখছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। পরিস্থিতির পরিবর্তন অনুযায়ী পরবর্তী সতর্কবার্তা দেওয়া হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়টির সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে সর্বশেষ তথ্য জানতে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের নিয়মিত পূর্বাভাস ও সতর্কবার্তা অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার