Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

‘আর কখনো টঙ্গীতে সাদপন্থিরা ময়দান ব্যবহার করতে পারবে না’

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩২ পিএম

‘আর কখনো টঙ্গীতে সাদপন্থিরা ময়দান ব্যবহার করতে পারবে না’

বিজ্ঞাপন

টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা নির্বিঘ্নে বাস্তবায়নের জন্য দেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামা-মাশায়েখরা রকারের কাছে দুটি দাবি উত্থাপন করেছেন।

প্রথমত, ২০২৫ সালের পর সাদপন্থিদের টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা ময়দান ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার বিষয়ে সরকারের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত বহাল রাখতে হবে।

দ্বিতীয়ত, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে টঙ্গীতে সংঘটিত ঘটনায় দায়ের করা দুটি হত্যা মামলার তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন করে অভিযোগপত্র দাখিলের ব্যবস্থা নিতে হবে। সভায় জানানো হয়, মামলাগুলো বর্তমানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তাধীন রয়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের টিনশেড পয়েন্টে অনুষ্ঠিত এক জাতীয় পরামর্শ সভায় এসব দাবি জানানো হয়।

দেশের শীর্ষ মুরুব্বি ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরীর (দা.বা.) আহ্বানে আয়োজিত এ সভায় ৬৪ জেলার নেতৃস্থানীয় ওলামায়ে কেরাম ও শীর্ষ মুরুব্বিরা অংশ নেন।

তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ (শুরায়ী নেজাম) মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান বলেন, বিশ্ব ইজতেমা-২০২৭ সুষ্ঠু, সুন্দর ও নির্বিঘ্নে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে টঙ্গীর ইজতেমা ময়দান ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মহলের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করে সাদপন্থিদের এবারের ইজতেমা আয়োজনের জন্য তিন দিন ময়দান ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে মতামত জানতে চাওয়া হয়। জবাবে তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরামের সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত জানানোর কথা বলেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এ পরামর্শ সভার আয়োজন করা হয়।

এছাড়া সাদপন্থিদের ইজতেমা আয়োজনের বিষয়টি সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন জেলার মাদরাসা, মারকাজ ও অন্যান্য দ্বীনি প্রতিষ্ঠানে দোয়ার আয়োজনের জন্য ওলামায়ে কেরাম ও দায়িত্বশীলদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও বলা হয়, এ বিষয়ে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হলে কিংবা কোনো ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে ঢাকার কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত পাওয়ার পর নিজ নিজ জেলায় কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, মাওলানা নুরুল ইসলাম ওলিপুরী, মাওলানা শাহ সাজিদুর রহমান, মাওলানা আব্দুল হামিদ পীরসাহেব মধুপুর, মাওলানা মাহফুজুল হক, মুফতি খিজিরুল্লাহ হাটহাজারী, মাওলানা ইকরাম হোসাইন ওয়াদুদী, মাওলানা সালাহ উদ্দিন, মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুকসহ দেশের বিভিন্ন জেলার বিশিষ্ট আলেম ও মুরুব্বিরা।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার