Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

জানা গেল পরিচয়

অতিরিক্তি ডিআইজির বাড়িতে রহস্যজনক মাদক আড্ডায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা কারা!

Icon

জাগো বাংলা ডেস্ক

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫০ পিএম

অতিরিক্তি ডিআইজির বাড়িতে রহস্যজনক মাদক আড্ডায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা কারা!

বিজ্ঞাপন

রাজধানীর পুলিশ অফিসার্স হাউজিংয়ে অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে উপস্থিতিদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখনও কোনো তথ্য পাওয়া না গেলে পরিণত হয়েছে এক অজানা রহস্যে। বাড়িটিতে ওই মাদকের আড্ডায় বেসরকারি কয়েকটি করপোরেট প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, অভিযানের সময় তাদের অনেকেই পালিয়ে যান।

জানা যায়, বাড়িটিতে অনুষ্ঠিত রহস্যজনক গোপন বৈঠকে বিতর্কিত বিজ্ঞাপনী সংস্থা এশিয়াটিকের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অন্তত ২০ জন কর্মকর্তা অংশ নেন। তাদের মধ্যে গ্রামীণফোন, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো (বিএটি), প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, ফিলিপ মরিস এবং ইয়ামাহা মোটরসাইকেলের সংযোজনকারী ও পরিবেশক প্রতিষ্ঠান এসিআই মোটরসসহ বিভিন্ন কোম্পানির পদস্থ কর্মকর্তারা ছিলেন। একটি বাড়িতে করপোরেট প্রতিষ্ঠানের বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তার একত্র হওয়াকে কাকতালীয় ঘটনা হিসেবে দেখতে নারাজ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও গোয়েন্দারা। তাদের ধারণা, ওই বৈঠকের নেপথ্যে কোনো রহস্যময় ষড়যন্ত্র রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, পুলিশ অফিসার্স হাউজিংয়ের ওই বাড়িটি মঙ্গলবার ওএসডি হওয়া অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরের। বাড়িটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এয়ারবিএনবির মাধ্যমে ভাড়া দেওয়া হয়েছিল। সেখানে গত সোমবার রাতে অভিযান চালায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল। অভিযান বন্ধ করতে আব্দুল্লাহ আল জহির বিভিন্ন মহলে তদবির করেন বলে জানা গেছে। তবে সেসব তদবির উপেক্ষা করেই অভিযান অব্যাহত রাখে ডিবি।

অভিযান শেষে বাড়িটি থেকে মোট ৮৫ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ৫৯ জন পুরুষ ও ২৬ জন নারী। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। পুরুষদের এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও তিন দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অন্যদিকে, নারীদের ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাদেরও তিন দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মঙ্গলবারই দণ্ডপ্রাপ্তদের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। তাদের মধ্যে ২৬ জনকে পরে কাশিমপুর কারাগারে নেওয়া হয়। বাকিরা রয়েছেন কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে।

কারা, কী উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত ডিআইজির ওই বাড়িতে জড়ো হয়েছিলেন, তা এখনো স্পষ্ট করেনি তদন্ত সংস্থা। অভিযান পরিচালনাকারী সংস্থা ডিবির প্রধান শফিকুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি আমার দেশকে বলেন, ‘তাদের প্রত্যেককে নির্দিষ্ট মেয়াদে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাদের পেশা বা কী উদ্দেশ্যে তারা জড়ো হয়েছে, সেটা জানতে পারিনি।’ এর বাইরে আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি। এমনকি সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নাম-পরিচয়ের বিস্তারিত তথ্যও প্রকাশ করা হয়নি। দণ্ডপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশে অপারগতা জানিয়েছে ডিবি।

পরে বিভিন্ন সূত্র থেকে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের তালিকা সংগ্রহ করে গণমাধ্যম। তালিকা পর্যালোচনায় দেখা যায়, অনেকে নিজেদের নাম উল্লেখ করলেও পেশা, বাসার ঠিকানাসহ প্রয়োজনীয় তথ্য পূর্ণাঙ্গভাবে দেননি। ফলে আটক ব্যক্তিদের প্রকৃত পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তাদের কেউ কেউ ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত নারী ও পুরুষদের প্রায় সবাই উচ্চবিত্ত পরিবারের সদস্য বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন একজন পুলিশ কর্মকর্তার দুই কন্যা এবং পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের ছেলে-মেয়েরা। এ ছাড়া একটি বেসরকারি বিমান পরিবহন সংস্থার একজন ট্রেইনি ক্যাপ্টেনও রয়েছেন তাদের মধ্যে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আটক ব্যক্তিদের বিস্তারিত পরিচয়, পেশা, সেখানে জড়ো হওয়ার উদ্দেশ্য এবং সেখানে রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে।

খিলক্ষেত থানার ওসি আব্দুল আলীম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের কাছে কোনো আসামি হস্তান্তর করা হয়নি। ডিবি পুলিশের অভিযানের পর মোবাইল কোর্ট বসিয়ে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান ও জরিমানা করা হয়। ডিবির তত্ত্বাবধানে আসামিদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। থানায় কোনো মামলা বা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়নি।’

রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতার অভিযোগে গ্রেপ্তার দুই সেনা সদস্য

রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতার অভিযোগে গত ১২ অক্টোবর রাজধানীর পল্লবী ও বনানী এলাকা থেকে সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। তারা হলেন অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবাশীষ নারায়ণ পাল ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কাজী গুলশান আরা। তদন্ত কর্মকর্তাদের দাবি, তারা দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন।

এই দুই অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারের পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের জন্য তহবিল সংগ্রহ এবং উসকানিমূলক প্রচারের তথ্য পায় পুলিশ। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, তারা অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছিলেন। পরে তাদের সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে অনুষ্ঠিত রহস্যজনক ওই গোপন বৈঠকের সঙ্গে গুলশান আরা ও দেবাশীষের কর্মকাণ্ডের যোগসূত্র রয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে গোয়েন্দা সংস্থার একাধিক ইউনিট কাজ করছে। ইতোমধ্যে তদন্তকারীরা বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছেন বলেও জানা গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে সেসব তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

১৫ দিনের কারাদণ্ড পাওয়া ২৬ নারী

অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়ি থেকে আটক ২৬ নারীকে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্তদের তালিকায় রয়েছেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ সম্পন্ন করা কেএম সাওফা সিলভি (২৬), পিতা-কেএম এনায়েতুর করিম; এশিয়াটিকের কর্মকর্তা ও মিরপুরের কনটেন্ট ক্রিয়েটর আফসানা বুলবুল (২৭), পিতা-হামিদ নেওয়াজ; এশিয়াটিকের আরেক কর্মকর্তা সামজানা মেহজাবীন (২৬), পিতা-ইদ্রিস আলী। মেহজাবীন নিজেকে কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং প্রাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। তবে তার দেওয়া তথ্য ভুয়া বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তালিকায় আরও রয়েছেন টঙ্গীর এবিএ গার্মেন্টসের কর্মকর্তা ফারিয়া জামান (২৬), পিতা-আক্তারুজ্জামান; ক্লোথিং ব্র্যান্ডের উদ্যোক্তা ফারিয়া সুন্নাহ (২৭), পিতা-ফেরদৌস আলী; সিটি ব্যাংকের অ্যাসোসিয়েট ম্যানেজার নিশাত সাল সাবিল মিম (২৭), পিতা-নুরুল ইসলাম; ধানমন্ডির একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের ছাত্রী মালিহা, পিতা-আব্দুল বাতেন; এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী সারিকা (২৫), পিতা-আব্দুল হান্নান চৌধুরী।

তালিকায় আরও আছেন গেট লিবরেজের অপারেশন স্পেশালিস্ট রিফা (২৬), পিতা-শাহ আলম; মোহাম্মদপুরের ইফতিদা (২৩), পিতা-মিন্টু; প্যানস্টোন একাডেমির ছাত্রী নায়মা, পিতা-আমিনুল ইসলাম; ক্লোথিং ব্র্যান্ডের উদ্যোক্তা মুনমুন রায় বর্ষা (২৫), পিতা-বিমল রায়; রাজধানীর কাওলা সিভিল অ্যাভিয়েশন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রী তাসকিন হোসাইন রাহা (১৯), পিতা-তানভীর হোসেন; আইইউবি থেকে অনার্স সম্পন্ন করা হৃদি (২৪), পিতা-মমিনুর রশিদ; এসিআই মোটরসের সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ইয়ামাহা মোটরের প্রোডাক্ট এক্সিকিউটিভ নাছরিন সুলতানা (২৬), পিতা-জামান হোসেন; ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির কনসালট্যান্ট ও গ্রামীণফোনে ঊর্ধ্বতন পদে কর্মরত সায়মা (২৬), পিতা-মঞ্জুরুল মাওলা; এবং ডিজিটাল প্রোডাক্ট কোম্পানির ফ্রিল্যান্সার ও এশিয়াটিকে কর্মরত ওয়াফা (৩২), পিতা-রফিক।

এ ছাড়া তালিকায় রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি কল সেন্টারে কর্মরত মোহাম্মদপুরের আনিকা বেলাল করিম (৩০), পিতা-আনিস মাহমুদ; স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার মালিহা (২৬), পিতা-জাকির রহমান; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী আফরা (২৪), পিতা-আব্দুল মান্নান; মিরপুরের বিইউপির সাবেক ছাত্রী সামরাইন (২৩), পিতা-শফি ইকবাল; আইইউবির ছাত্রী সোহা (২১), পিতা-শফি ইকবাল; মিরপুর ডিওএইচএসের সাবরিনা (১৯), পিতা-সিহাব ইকবাল; বিইউপির ছাত্রী জারিন তাসনিম (২৬), পিতা-মেজর (অব.) সোয়েব; যুক্তরাষ্ট্র থেকে ছুটিতে আসা সামিয়া (২৫), পিতা-কামরুজ্জামান; এবং চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের ছাত্রী রুবাবা মোহাম্মদী (২৫), পিতা-আব্দুল কাদির।

৫৯ যুবকের এক মাসের কারাদণ্ড

অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়ি থেকে মাদকদ্রব্যসহ আটক ৫৯ পুরুষকে এক মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন চট্টগ্রামের এনায়েত বাজারের সুকেন্দু বিকাশ বড়ুয়ার ছেলে রানা বড়ুয়া (৩৮); মিরপুর ডিওএইচএসের শহিদুল হাসানের ছেলে নাদবি হাসান (২৬); উত্তর ইব্রাহিমপুরের আবু জাফর মোল্লার ছেলে সাদমান রাফিক (২৫); উত্তরা পশ্চিমের মৃন্ময় গুহের ছেলে পরম গুহ (২৬); ধানমন্ডির আবু মো. শফিউল আজমের ছেলে আবু মো. মুহসিউল আজম (৩২); গ্রিন রোডের উমর আল ফারুকের ছেলে মোরসালিন (২৪); গুলশান-২-এর এহসানুল হকের ছেলে রাইয়ান আব্দুল্লাহ সাকিবুল হক (২৭); মিরপুর ডিওএইচএসের শহিদ উল্ল্যার ছেলে রামিম আল রাফি নাসিম (২৫); ধানমন্ডির সেলিস এইচআর-এ ইন্টার্ন হিসেবে কর্মরত শেওড়াপাড়ার ইছাক আলীর ছেলে সাদমান সাকিব (২৮); এবং ধানমন্ডির পাভেল শাহাবুদ্দিনের ছেলে আল শাহরিয়ার রুদ্র (২২), যিনি ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) শিক্ষার্থী।

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আরও রয়েছেন পশ্চিম শেওড়াপাড়ার আহসান হাবীব সুমনের ছেলে সাদমান বিন আহসান (২৫), যিনি গুলশান-১-এর ‘ইটিআই বাংলাদেশ’ এনজিওতে কর্মরত; বনানীর আব্দুল ছাত্তারের ছেলে হানজালা নূর সাঈদ (২৭), যিনি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী; পশ্চিম মালিবাগের শাহ মো. জুবায়ের হোসেনের ছেলে শাহ মো. শাফায়েত হোসেন (২২), তিনিও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী; ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের ইসিবি চত্বরের আব্দুর রহমানের ছেলে নাঈমুর রহমান (২৬), যিনি গাজীপুরের আইইউটির শিক্ষার্থী; উত্তর বাড্ডার ইমরুল আলমের ছেলে সাইফুল ইসলাম রাফি (২৬), যিনি উত্তরার শান্ত-মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী; ধানমন্ডি-৩২-এর কামরুল ইসলামের ছেলে হাসিব খান (২৬), যিনি আইইউবির শিক্ষার্থী; এবং বনানীর নিয়ামত উদ্দিন আহমেদের ছেলে তাওহিদ (২৭), যিনি ফিলিপ মরিসের (মালবোরো) ম্যানেজার।

এ ছাড়া দণ্ডপ্রাপ্তদের তালিকায় রয়েছেন পল্লবীর নুরুল ইসলামের ছেলে মো. সাদাত (২৮), যিনি মারভেল কোম্পানির কমিউনিকেশন লিড বা জনসংযোগ কর্মকর্তা; কাফরুলের জাহাঙ্গীর হারুনের ছেলে জিফান তাহমিদ (২৯), যিনি ফুড অ্যান্ড বেভারেজের ব্যবসায়ী; বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আব্দুল জলিলের ছেলে ইঞ্জিনিয়ার শাহিন ভূঁইয়া (৩২); ইসিবি চত্বরের জামাল হোসেন সিকদারের ছেলে জুবায়ের সিকদার (২৫), যিনি বিইউপির চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী; পুরান ঢাকার কোতোয়ালির ফারিয়াজ আরজুর ছেলে ফারাহিম ফাইয়াজ (২৭), যিনি ইস্ট ওয়েস্ট ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসের সেলস অ্যান্ড রিজার্ভেশন অফিসার; উত্তর কাফরুলের গোলাম কিবরিয়ার ছেলে শায়ান কিবরিয়া (১৯), যিনি আদমজী কলেজের শিক্ষার্থী ও এইচএসসি পাস; খিলক্ষেত লেকসিটির বাবর আলীর ছেলে মাহবুবুল আলম (৩৮), যিনি গোল্ডেন সানরাইজের ম্যানেজার; কলাবাগান সেন্ট্রাল রোডের সোহেল আহমেদের ছেলে ফারহান আহমেদ (২৫), যিনি বিইউপির চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী; এবং কাঁঠালবাগানের জয়নাল আবেদিনের ছেলে আইমান আবেদিন রাফিন (২৫), যিনি একটি অনলাইন পেজের মডারেটর।

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আরও রয়েছেন মোহাম্মদপুরের শেখ ফজলুল হকের ছেলে শেখ ফাহিম হক (২৬), যিনি আইইউবির দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী; ভাটারার ব্লক-জির মির্জা বকুলের ছেলে মির্জা আরেফিন (২৭); পল্লবীর এমএ গফুরের ছেলে মেহরাব রহমান (২৬), যিনি বিইউপির এমবিএর শিক্ষার্থী; রূপগঞ্জের জলসিঁড়ি আবাসন এলাকার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাকিরের ছেলে হিম (১৯), যিনি বিইউপির দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী; মিরপুর ক্যান্টনমেন্টের হাসান মোহাম্মদ তানভির ইমতিয়াজের ছেলে রাশিক ইভতেসাম (২০), যিনি আদমজী কলেজের শিক্ষার্থী ও এইচএসসি পাস; ভাটারার রাশেদুল হকের ছেলে রাফিয়াদ দারাজাদ হক (২৩), যিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী; কোতোয়ালির নবাবপুর রোডের এরফান হাসান (৩০), যিনি ঢাকা ট্রিবিউনের সাবেক সাংবাদিক; এবং ধানমন্ডির ড. হাবিবুর রহমানের ছেলে মাহমুদ ফাহিম রহমান শান্ত (২৫), যিনি কিংস কলেজ লন্ডনের শিক্ষার্থী।

এ ছাড়া তালিকায় রয়েছেন ক্যান্টনমেন্টের ইসিবি এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে রাকিবুল ইসলাম তানজিম (২৭), যিনি প্রাণ-আরএফএলের ব্র্যান্ড ম্যানেজার; শাহজাহানপুরের শহীদবাগের মঈনুল হকের ছেলে সাফওয়ান হক (২৭), যিনি ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী; বসুন্ধরার জামাল উদ্দিন চৌধুরীর ছেলে রাফি আহমেদ চৌধুরী (২২), যিনি এআইইউবির শিক্ষার্থী; কাফরুলের মো. মনিরুজ্জামানের ছেলে মাফি মুস্তাফা (২৫), যিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইনভিজিবল টেকের ডেটা অ্যানালিস্ট; আফতাবনগরের শফিক উল্লাহর ছেলে তানজির আহমেদ (৩১), যিনি এশিয়াটিক মিডিয়া লিমিটেডের (এএমএল) সিনিয়র ম্যানেজার; মিরপুর-১২ পল্লবীর মো. মাইনুদ্দিনের ছেলে সাজিদ মাহমুদ (২৬), যিনি এশিয়াটিক মাইন্ডশেয়ার বিডির কৌশলগত কর্মকর্তা; উত্তর বাসাবোর মহসিন সরকারের ছেলে ফাইজাল আলভি সরকার আদব (২৫), যিনি এআইইউবির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের শিক্ষার্থী; এবং ধানমন্ডির মাহফুজুর রহমানের ছেলে ওমর বিন মাহফুজ (২৪), যিনি ফোর ট্রেডার্স লিমিটেডের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার।

দণ্ডপ্রাপ্তদের তালিকায় আরও রয়েছেন বসুন্ধরার সাজ্জাদুল আলম সেজান (২৭); মিরপুর ক্যান্টনমেন্টের আব্দুস সালামের ছেলে ফয়সাল আহমেদ (২৪), যিনি এমআইএসটির শিক্ষার্থী ও রিসার্চ অ্যানালিস্ট; ক্যান্টনমেন্টের মাটিকাটা বাজারের ইসমাইল হোসেনের ছেলে তানজিদ ইসলাম সিয়াম (১৯), যিনি আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থী; বনশ্রী-রামপুরার মিজান মাওলার ছেলে আফতাবুল মাওলা রাব্বি (২৪), যিনি প্রাইমটেক্স লিমিটেডের সিনিয়র ভেন্ডর ম্যানেজার; পশ্চিম রামপুরার ইয়ামিন খানের ছেলে ইউসুফ খান পলক (২৫), যিনি বিআইইউপির সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থী; এবং ক্যান্টনমেন্টের ইসিবি এলাকার মাইনুদ্দিন মানিকের ছেলে মনিরুল ইসলাম (২৬), যিনি আইইউবিএটির বিবিএ বিভাগের শিক্ষার্থী।

এ ছাড়া রয়েছেন উত্তর কাফরুলের সুলতান আহমেদের ছেলে ফেরদৌস আহমেদ (৩০), যিনি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগে কর্মরত; শান্তিনগরের শাহ নিয়াজ আকনের ছেলে হাসান হাফিজুর (২৭); খিলক্ষেতের রেজাউল করিমের ছেলে সাজিউর রহমান (২৬); শান্তিনগরের শহিদুল আলম চৌধুরীর ছেলে হামেদ হাসান (২৪); শান্তিনগরের মহিউদ্দিন খানের ছেলে ফারহান খান সাদাফ (২৫); দক্ষিণখানের কাজী তাহমিদ ইসলাম (২৮), যিনি এশিয়াটিকের কমনিওর কোম্পানিতে এসডিআর পদে কর্মরত; লালমাটিয়ার শেখ মনিরুল আলম টিটুর ছেলে শেখ অধ্যায় আলম (২৩); মিরপুর-১০-এর মাসুদ রানার ছেলে আরিয়ান মানাভ (২৭); পশ্চিম শেওড়াপাড়ার জলিল উদ্দিনের ছেলে নাহিন আলী জাকি (২৬); মিরপুর ডিওএইচএসের জামাল হোসেনের ছেলে তাজওয়ার তাহমিদ জামাল (২৬); এবং ঢাকার কাঁটাবন রোডের শেখ ফরিদ হোসেন চৌধুরীর ছেলে আইমান শাবিত চৌধুরী (২৫)।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের বিষয়ে তাদের পরিবারের কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তাদের অনেকে নিজেদের প্রকৃত পরিচয় গোপন করেছেন বলে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন।

সূত্র: আমার দেশ

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার