বিজ্ঞাপন
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নবম পে-স্কেল পেতে দেরি হতে পারে
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৩ পিএম
বিজ্ঞাপন
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও নবম জাতীয় পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতাসহ অন্যান্য সুবিধা পাবেন। তবে তাঁদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের প্রজ্ঞাপন বা আদেশ জারি করতে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন পাবেন। আমরা চাই, শিক্ষক-কর্মচারীরা যেন দ্রুত নবম জাতীয় পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন পান। এ জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা হচ্ছে। হয়তো কিছুটা দেরি হবে। তবে শিক্ষকরাও নতুন পে-স্কেলে বেতন পাবেন, এটা নিশ্চিত।’
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য গত ১ জুলাই থেকে নতুন পে-স্কেল কার্যকরের পরিপত্র জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। চলতি অক্টোবর মাসের বেতনের সঙ্গে তাঁরা তিন মাসের বকেয়া বেতন পেতে পারেন। তবে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আদেশ জারি করবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। তবে এ বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট কোনো দিন-তারিখ জানানো হয়নি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সারা দেশে ছয় লাখের বেশি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে মাউশির অধীন প্রায় চার লাখ, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন পৌনে দুই লাখ এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন ২৩ হাজারের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।
নতুন পে-স্কেল কার্যকর হলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতন ও বাড়িভাড়া ভাতার পরিমাণ বাড়বে। বর্তমানে তাঁরা মূল বেতনের ১৫ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া ভাতা পাচ্ছেন।