Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

প্রবাসী কর্মীর সন্তানদের বৃত্তি দিচ্ছে সরকার, জেনে নিন আবেদনের যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৭ এএম

প্রবাসী কর্মীর সন্তানদের বৃত্তি দিচ্ছে সরকার, জেনে নিন আবেদনের যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

বিজ্ঞাপন

প্রবাসী কর্মীদের মেধাবী সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি দিতে আবেদন আহ্বান করেছে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড। ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান, ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান এবং ২০২৫ সালের ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ যোগ্য শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। শুরু হবে ২৫ অক্টোবর, চলবে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত।

বোর্ডের ৮ অক্টোবরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আবেদন করতে হবে শুধু অনলাইনে। সরাসরি বা ডাকযোগে পাঠানো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। আগ্রহী শিক্ষার্থীদের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের অনলাইন পোর্টালে নির্ধারিত ফরম পূরণ করতে হবে।

যেসব প্রবাসী কর্মী বিএমইটির বহির্গমন ছাড়পত্র নিয়ে বিদেশে গেছেন অথবা ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সদস্যপদ নিয়েছেন, তাঁদের সন্তানরা নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে আবেদন করতে পারবেন। একজন প্রবাসী কর্মীর সর্বোচ্চ দুই সন্তান শিক্ষাবৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।

এসএসসি ও সমমান ক্যাটাগরিতে আবেদনকারীকে ২০২৬ সালে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে দেশের কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একাদশ বা সমমান শ্রেণি অথবা ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের প্রথম সেমিস্টার বা বর্ষে অধ্যয়নরত থাকতে হবে। এইচএসসি ও সমমান ক্যাটাগরিতে ২০২৫ সালে উত্তীর্ণ হয়ে দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা মেডিকেল কলেজের প্রথম সেমিস্টার বা বর্ষে পড়াশোনা করতে হবে।

এ ছাড়া বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৫ সালে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রথম সেমিস্টার বা বর্ষে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম জিপিএ ৫ থাকতে হবে। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের জন্য প্রয়োজন ন্যূনতম জিপিএ ৪ দশমিক ৭৫। তবে প্রবাসে মৃত কর্মীর সন্তানদের ক্ষেত্রে উভয় বিভাগে ন্যূনতম জিপিএ ৪ নির্ধারণ করা হয়েছে।

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগের জন্য ন্যূনতম জিপিএ ৪ দশমিক ৮০ এবং মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের জন্য জিপিএ ৪ দশমিক ৫০ প্রয়োজন। প্রবাসে মৃত কর্মীর সন্তানদের ক্ষেত্রে উভয় বিভাগে ন্যূনতম জিপিএ ৪ থাকলেই আবেদন করা যাবে। ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যাটাগরিতে সাধারণ আবেদনকারীর ন্যূনতম জিপিএ ৩ দশমিক ৭৫ এবং প্রবাসে মৃত কর্মীর সন্তানের ক্ষেত্রে জিপিএ ৩ হতে হবে।

আবেদনের সঙ্গে পিতা বা মাতার প্রবাসী কর্মী হওয়ার প্রমাণ হিসেবে বিএমইটির বহির্গমন ছাড়পত্র অথবা বোর্ডের সদস্যপদের প্রমাণসহ পাসপোর্টের কপি আপলোড করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের মোবাইল নম্বরসহ অধ্যয়নরত থাকার প্রত্যয়নপত্র দিতে হবে।

প্রবাসে মৃত কর্মীর সন্তানের ক্ষেত্রে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনের দেওয়া মৃত্যু সনদের কপি প্রয়োজন হবে। শিক্ষার্থীর ছবি, স্বাক্ষর এবং জন্মনিবন্ধন বা জাতীয় পরিচয়পত্রের কপিও আপলোড করতে হবে।

শিক্ষার্থীর নিজের নামে কোনো তফসিলি ব্যাংকের হিসাব নম্বর ও ব্যাংক রাউটিং নম্বরসংবলিত স্টেটমেন্ট দিতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, এ ক্ষেত্রে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের হিসাব গ্রহণযোগ্য নয়।

বৃত্তির মেয়াদ শিক্ষার স্তর অনুযায়ী আলাদা। এসএসসি ও সমমান ক্যাটাগরিতে একাদশ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত দুই বছর এবং ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ চার বছর বৃত্তি দেওয়া হবে। এইচএসসি ও সমমান ক্যাটাগরিতে ডিগ্রি পাস কোর্সের জন্য তিন বছর, স্নাতক সম্মানের জন্য চার বছর এবং এমবিবিএস, বিডিএস, ডিভিএম ও বি আর্কসহ অন্য প্রযোজ্য কোর্সে পাঁচ বছর মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে। ডিপ্লোমা শেষে বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং পর্যায়ে বৃত্তির মেয়াদ চার বছর।

বোর্ড জানিয়েছে, প্রবাসী কর্মীর পাসপোর্টে থাকা নামের সঙ্গে শিক্ষার্থীর সনদে উল্লিখিত পিতা বা মাতার নামের গরমিল থাকলে আবেদন বাতিল হবে। অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্যসংবলিত আবেদনও গ্রহণযোগ্য হবে না। বৃত্তি দেওয়া হবে কর্তৃপক্ষের যাচাই ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার