Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

অবৈধ অভিবাসনে কঠোর সরকার, বাতিল ৪৯ এজেন্সির লাইসেন্স: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৯ এএম

অবৈধ অভিবাসনে কঠোর সরকার, বাতিল ৪৯ এজেন্সির লাইসেন্স: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী

বিজ্ঞাপন

বৈধ উপায়ে কর্মী পাঠাতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জানিয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, অবৈধ অভিবাসনের বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে। ইতোমধ্যে অবৈধ অভিবাসনসহ বিভিন্ন অপরাধ ও অনিয়মে জড়িত ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত ও হেড অব ডেলিগেশন মাইকেল মিলারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বৈধ অভিবাসনের বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে অভিবাসন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, সংস্থা ও সাংবাদিকদের নিয়ে শিগগিরই একটি গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হবে।

তিনি জানান, অবৈধ অভিবাসন ও বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কয়েকটি রিক্রুটিং এজেন্সির অফিস সিলগালা করা হয়েছে। আইনভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। 

আরও পড়ুন
বৈঠকে ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি ও রেমিট্যান্সে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মী বিদেশে পাঠানোর সরকারের লক্ষ্য নিয়েও তিনি আলোচনা করেন।

রাষ্ট্রদূত বিপুলসংখ্যক কর্মী পাঠানো রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর লাইসেন্স প্রদান ও নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চান। একই সঙ্গে নৈতিক অভিবাসন, বৈধ পথে কর্মী পাঠানো উৎসাহিত করা এবং উচ্চ ব্যয়ে বিদেশ যাওয়ার প্রবণতা বন্ধে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশি কর্মীরা যাতে বৈধ উপায়ে ইউরোপে প্রবেশ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে ‘ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ’ ও বৈধ অভিবাসন নিশ্চিত করতে কাজ করবে ইইউ। বাংলাদেশে ইউরোপিয়ান ট্রেনিং ফাউন্ডেশন আনয়ন এবং বিদেশফেরত কর্মীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক পুনর্বাসনেও ইইউর সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

এ সময় শ্রম আইন সংস্কারের বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। ট্রেড ইউনিয়ন বা দল গঠনের স্বাধীনতা, ইপিজেড আইনের সঙ্গে সাধারণ শ্রম আইনের সামঞ্জস্য, শিশুশ্রম নির্মূল এবং নিয়মিত কারখানা পরিদর্শনের ওপর গুরুত্ব দেন ইইউ রাষ্ট্রদূত। 

আরও পড়ুন
বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সাইফুল হক চৌধুরী জানান, রিক্রুটিং এজেন্সি বাছাই ও নিয়ন্ত্রণে সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড রয়েছে। এজেন্সিগুলোর কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শনে একাধিক পরিদর্শক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তিনি ইতালির সঙ্গে চলমান বৈধ অভিবাসন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরে সচেতনতা বৃদ্ধিতে ইইউকে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়ার আহ্বান জানান। বিদেশফেরত কর্মীদের পুনর্বাসনে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত ‘রেইজ (RAISE)’ প্রকল্পের কার্যক্রমও সচল রয়েছে বলে জানান তিনি।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার