বিজ্ঞাপন
সালমানের স্টুডিওকাণ্ড নিয়ে রাশেদের পোস্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫০ পিএম
বিজ্ঞাপন
কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনা নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এনেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
তার দাবি, সালমান যে জায়গায় স্টুডিও করেছিলেন, সেটির মালিক নাজিম উদ্দীন একজন আওয়ামী লীগের ডোনার। এ ছাড়া তার সঙ্গে কয়েকজন সাবেক সামরিক কর্মকর্তার জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে বলেও দাবি রাশেদ খানের।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এ দাবি করেন তিনি।
আওয়ামী লীগের ডোনারের কাছ থেকে সালমানের বিতর্কিত জায়গা ভাড়া নেওয়া উচিত হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী। পোস্টে লেখেন, ‘নিউ গিনি প্রপার্টিজের মালিক নাজিম উদ্দীনের সঙ্গে সামরিক বাহিনীর কয়েকজন সাবেক কর্মকর্তার জমি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে নাজিম উদ্দীনের অফিস মনে করে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনায় ঢালাওভাবে বিএনপিকে চাঁদাবাজ আখ্যায়িত করা পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ। নাজিম উদ্দীন একজন কুখ্যাত ভূমিদস্যু ও আওয়ামী লীগের ডোনার। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলায় সে জেলও খেটেছে।’
রাশেদ খান আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সময় প্রভাব খাটিয়ে সামরিক বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তাদের জমি দখলের পাশাপাশি অতিসম্প্রতি নিউ গিনি প্রপার্টিজের চারপাশে অবৈধভাবে গেট করে তাদের চলাচলও বন্ধ করে দিয়েছে এই ভূমিদস্যু। আমার প্রশ্ন হলো, একজন কুখ্যাত ভূমিদস্যুর বিতর্কিত জায়গা কেন সালমান মুক্তাদির ভাড়া নেবেন?’
তিনি বলেন, ‘তার মতো পরিচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটরের কখনোই উচিত নয় একজন ভূমিদস্যু ও আওয়ামী লীগের ডোনারের কাছ থেকে বিতর্কিত জায়গা ভাড়া নেওয়া। যতটুকু জানতে পেরেছি, নিউ গিনি প্রপার্টিজের ভূমিদস্যু মালিক শেল্টার পাওয়ার উদ্দেশ্যেই সালমান মুক্তাদিরের কাছে বিতর্কিত জায়গা ভাড়া দিয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রীর সহকারীর দাবি করে লিখেন, ‘সালমান মুক্তাদির নিজেই বলেছেন, তার কাছে কেউ চাঁদা দাবি করেনি। এমনকি নিউ গিনি প্রপার্টিজের মালিকও তার কাছে কেউ চাঁদা দাবি করেছে বলে জানাননি।’
তিনি বলেন, ‘বরং সামরিক বাহিনীর কিছু সাবেক কর্মকর্তা জমি পুনরুদ্ধার করতে গিয়ে প্রক্রিয়াগত ও আইনগত ভুল করেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আদালতের দ্বারস্থ হওয়াটাই ছিল তাদের জন্য উপযুক্ত সমাধান। এখানে রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির নাম আসাটাই অবান্তর। যেহেতু দখলকারী ও দখল পুনরুদ্ধারকারী কেউই বিএনপির নয়, তাহলে কেন বিএনপির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে পলিটিক্যাল ড্যামেজ করা হচ্ছে?।’
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী আরও বলেন, ‘এই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এরই মধ্যে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং অভিযান চলমান। ঘটনার সঙ্গে সামনে ও পেছনে যারাই জড়িত থাকুক না কেন, ন্যূনতম ছাড় পাবে না। কিন্তু দল হিসেবে বিএনপিকে যারা কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে মরিয়া, তাদের অসৎ উদ্দেশ্য এরই মধ্যে স্পষ্ট হয়েছে।’