বিজ্ঞাপন
দুর্গাপূজার ছুটি কারা পাবেন, কারা পাবেন না
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৩ পিএম
বিজ্ঞাপন
আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০২৬ সালে সরকারি ছুটি থাকবে দুই দিন। মহানবমী উপলক্ষে ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার নির্বাহী আদেশে ছুটি এবং বিজয়া দশমী উপলক্ষে ২১ অক্টোবর বুধবার সাধারণ ছুটি থাকবে। তবে সরকারি এই ছুটি সবার জন্য একইভাবে প্রযোজ্য নয়। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য রয়েছে অতিরিক্ত ঐচ্ছিক ছুটির ব্যবস্থা। আবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও জরুরি সেবার ক্ষেত্রে ছুটির নিয়মও ভিন্ন।
সরকারি ছুটি দুই দিন
সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, দুর্গাপূজায় ২০ অক্টোবর মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী উপলক্ষে ছুটি থাকবে। এর মধ্যে মহানবমীর ছুটি নির্বাহী আদেশে এবং বিজয়া দশমীর ছুটি সাধারণ ছুটি হিসেবে নির্ধারিত। ফলে সরকারি ছুটির হিসাবে পূজায় মোট দুই দিন ছুটি পাবেন সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মীরা, যেসব প্রতিষ্ঠানে সরকারি ছুটির তালিকা অনুসরণ করা হয়।
হিন্দু সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাড়তি ছুটি
সরকারি ছুটির দুই দিনের বাইরে হিন্দু ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আরও দুই দিনের ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারবেন। ১৮ অক্টোবর রোববার মহাসপ্তমী এবং ১৯ অক্টোবর সোমবার মহাষ্টমী উপলক্ষে এই ঐচ্ছিক ছুটি রাখা হয়েছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি কেমন
স্কুল-কলেজে দুর্গাপূজার ছুটি নির্ধারিত হবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুসরণ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ছুটি দেবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে ছুটির সময় প্রতিষ্ঠানভেদে আলাদা হতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের নিজস্ব একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী পূজার ছুটি ঘোষণা করতে পারে।
ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে
সরকারি ছুটির দিনে সাধারণত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো কোনো শাখা বা নির্দিষ্ট সেবা চালু থাকতে পারে। এছাড়া এটিএম, কার্ড ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মতো ডিজিটাল সেবাগুলো সাধারণত চালু থাকে।
যারা ছুটি নাও পেতে পারেন
দুর্গাপূজার সরকারি ছুটি থাকলেও জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় সেবায় নিয়োজিতদের অনেককেই দায়িত্ব পালন করতে হতে পারে। হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন জরুরি সেবার কর্মীদের ছুটির দিনেও কর্মস্থলে থাকতে হয়।
অর্থাৎ, সরকারি ছুটি থাকলেও সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য একই সময়ে ছুটি প্রযোজ্য হবে না। প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সিদ্ধান্ত, সেবার ধরন ও সংশ্লিষ্ট ছুটির নীতির ওপর কর্মীদের ছুটি নির্ভর করবে।