বিজ্ঞাপন
এপিবিএন আইনের গেজেট প্রকাশ, পেল যেসব ক্ষমতা
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৯ পিএম
বিজ্ঞাপন
বিদ্যমান ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৯’ রহিত করে প্রণীত ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির সম্মতি পাওয়ার পর আইনটি সরকারি গেজেটে প্রকাশ করা হয়।
গেজেটে আইনটিকে ‘২০২৬ সালের ১১০নং আইন’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ১৯৭৯ সালের ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স’ রহিত করে নতুন আইন কার্যকর করা হলো।
এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) বিল, ২০২৬’ কণ্ঠভোটে পাশ হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি পাসের জন্য সংসদে উত্থাপন করেন।
নতুন আইনে এপিবিএনকে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর একটি বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে গঠন ও পরিচালনার কথা বলা হয়েছে।
এর আওতায় স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রোটেকশন ব্যাটালিয়ন, পার্বত্য ব্যাটালিয়ন, বিমানবন্দর ব্যাটালিয়ন এবং সরকার নির্ধারিত অন্য কোনো বিশেষ ব্যাটালিয়ন অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
আইনটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলোর একটি হলো—এপিবিএনকে নিজস্ব অধিক্ষেত্রে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের প্রত্যক্ষ আইনি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। ফলে ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রচলিত অন্যান্য আইন মেনে বাহিনীটি অপরাধের স্থানে প্রবেশ, তল্লাশি, আলামত ও মালামাল জব্দ এবং সন্দেহভাজন আসামিকে গ্রেফতার করতে পারবে।
এ ছাড়া প্রশাসনিক তথ্য সুরক্ষায় নতুন আইনে বিশেষ বিধান রাখা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া এপিবিএনের কোনো সদস্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনো ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম বা সংবাদপত্রে তথ্য, দাপ্তরিক দলিল বা স্পর্শকাতর বিষয় প্রকাশ করতে পারবেন না। একই সঙ্গে এসব তথ্য প্রকাশে কোনো ধরনের সহযোগিতাও করতে পারবেন না।
গেজেট প্রকাশের মধ্য দিয়ে সংসদে পাশ হওয়া বিলটি এখন পূর্ণাঙ্গ আইনে পরিণত হলো।