বিজ্ঞাপন
কাঠমান্ডুর ঠামেলে সন্দেহজনক কার্যকলাপের অভিযোগে হোটেল থেকে ১০ বাংলাদেশি আটক
নেপাল প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২১ পিএম
বিজ্ঞাপন
নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর পর্যটন এলাকা ঠামেলে সন্দেহজনক কার্যকলাপ ও অবৈধভাবে অবস্থানের অভিযোগে ১০ বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার বিভিন্ন হোটেল ও গেস্টহাউসে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে সবাইকে আরও তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপের জন্য দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগে পাঠানো হয়েছে।
নেপালের সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঠামেলের হোটেল ঢাকা এক্সপ্রেস, হোটেল ডি ভেদা এবং হোটেল আল রহমানসহ কয়েকটি স্থান থেকে তাদের আটক করা হয়। কাঠমান্ডু ভ্যালি ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন অফিসের পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, বিদেশি নাগরিকদের অবৈধ অবস্থান ও সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের তথ্য পাওয়ার পর অভিযান চালানো হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন ফাহিমা আক্তার হাসান, মাহমুদ, মাহবুব হাসান, রিপন মাহমুদ, এমডি কেরামত আলী খান, শহিদুর রহমান, এমডি খলিলুর রহমান, আরিফুর রহমান, এমডি মারুফ মৃধা এবং মোহাম্মদ হানিফ মিয়া। তাদের বয়স ২৮ থেকে ৬৪ বছরের মধ্যে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে তাদের বাংলাদেশের গাজীপুরের গাজীপুর সদর ও গাছাবাড়ি পুলিশ স্টেশন এলাকার বাসিন্দা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
নেপালের ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক টিকারাম ধাকাল জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে আটক ব্যক্তিদের একজনের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তিনি নেপালে অবস্থান করছিলেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। অন্যদের অবস্থান ও কর্মকাণ্ড নিয়ে তদন্ত চলছে।
পুলিশের বরাতে আরও বলা হয়েছে, দলটির সদস্যরা ঠামেলের মুসলিমা টোল এলাকায় অবস্থান করছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে মারামারি এবং ভিসায় যে উদ্দেশ্যে নেপালে প্রবেশের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল, তার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ কর্মকাণ্ডের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত এখনো চলমান।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আরেক বাংলাদেশি নারী খাতুন-ই-জান্নাত বর্তমানে নিখোঁজ রয়েছেন বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে কি না, সে বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
নেপালে বাংলাদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে এর আগেও তরুণদের উন্নত দেশে পাঠানোর কথা বলে বাংলাদেশ থেকে নেপালে নেওয়া এবং তাদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগে তদন্তের ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। তবে বর্তমান ১০ জনের বিরুদ্ধে ওই আগের অভিযোগগুলোর সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততার বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। সর্বশেষ ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।