Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

মৌখিকের নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৯ পিএম

মৌখিকের নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

বিজ্ঞাপন

তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানো নিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানো নিয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

বুধবার ( ৯ সেপ্টেম্বর) সকালে গণমাধ্যমকে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা নেওয়া হয়। সবগুলো পরীক্ষাকে একটি ব্যবস্থার মধ্যে আনার জন্য আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কিছু হয়নি।

মো. আব্দুল বারী বলেন, ‘বিভিন্ন বিভাগ, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা নেয়। সবগুলো পরীক্ষা একসঙ্গে করে একটা সিস্টেমে আনার জন্য একটা চিন্তা করা হচ্ছে, এটাই। ফাইনাল কিছু এখনো হয়নি তো। হোক, হোক আগে। তখন...’

প্রস্তাবিত বিধিমালা অনুযায়ী, ১১তম ও ১২তম গ্রেডের পদে সরাসরি নিয়োগের পরীক্ষায় লিখিত ১০০ নম্বর এবং মৌখিক পরীক্ষা ৫০ নম্বরের হবে। লিখিত পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, গণিত এবং প্রাসঙ্গিক টেকনিক্যাল বা সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে ২৫ নম্বর করে থাকবে। লিখিত পরীক্ষার সময় ৯০ মিনিট। লিখিত পরীক্ষায় ন্যূনতম পাস নম্বর ৩৫ শতাংশ এবং মৌখিক পরীক্ষায় ৪০ শতাংশ পাস নম্বর রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

১৩তম থেকে ১৬তম গ্রেডের পদে লিখিত পরীক্ষা হবে ৬০ নম্বরের এবং মৌখিক পরীক্ষা ৪০ নম্বরের। লিখিত পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, গণিত এবং প্রাসঙ্গিক টেকনিক্যাল বা সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে ১৫ নম্বর করে থাকবে। পরীক্ষার সময় ৬০ মিনিট। লিখিত ও মৌখিক উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম পাস নম্বর ৪০ শতাংশ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

১৭তম থেকে ২০তম গ্রেডের পদে লিখিত পরীক্ষা হবে ২৫ নম্বরের এবং মৌখিক পরীক্ষা ২৫ নম্বরের। লিখিত পরীক্ষায় বাংলায় ১০, ইংরেজিতে ৫, গণিতে ৫ এবং প্রাসঙ্গিক টেকনিক্যাল বা সাধারণ জ্ঞানে ৫ নম্বর থাকবে। লিখিত পরীক্ষার সময় ৬০ মিনিট এবং লিখিত ও মৌখিক উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম পাস নম্বর ৪০ শতাংশ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বিধিমালায় আরও বলা হয়েছে, কোনো পদে ব্যবহারিক পরীক্ষা থাকলে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে ব্যবহারিক পরীক্ষাতেও উত্তীর্ণ হতে হবে। লিখিত ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ব্যবহারিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই কেবল মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়া যাবে। নিয়োগের জন্য মৌখিক পরীক্ষাতেও উত্তীর্ণ হতে হবে।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার আগে এ বিষয়ে সমালোচনা না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকার সিদ্ধান্ত নিক, তারপর এগুলো বলেন।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সুতরাং এটা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কিছু নেই। সরকার যেটি করবে সেটা সবার জন্যই। প্রধানমন্ত্রী বারবারই বলেন যে তিনি সবার প্রধানমন্ত্রী, তিনি তো সর্বস্তরের মানুষের সরকার। এখানে কাউকে সুবিধা দেওয়ার জন্য কোনো কাজ এই সরকার কখনোই করবে না।’

যেভাবে নম্বর বণ্টন হচ্ছে এখন

বর্তমানে বিভিন্ন নিয়োগ বিধিমালায় লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর এক নয়। ‘বাংলাদেশ সচিবালয় (ক্যাডার বহির্ভূত গেজেটেড কর্মকর্তা এবং নন-গেজেটেড কর্মচারী) নিয়োগ বিধিমালা ২০১৪’, যা ২০২০ সালে সংশোধিত হয়েছে। এ বিধিমালা অনুযায়ী প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও প্রটোকল অফিসার পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষার নম্বর ২৫ এবং মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ২৫।

ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, ইলেকট্রিশিয়ান ও প্লেন পেপার কপিয়ার পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষার নম্বর ১০০ এবং মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ১০।

ফটোকপি অপারেটর ও অফিস সহায়ক পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষার নম্বর ৪০ এবং মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ১০।

অন্যদিকে ‘মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সংযুক্ত অধিদপ্তর, পরিদপ্তর এবং দপ্তরের কমন পদ নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯’ অনুযায়ী উচ্চমান সহকারী, সাঁটলিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর, সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক কাম অফিস সহকারী, কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক এবং প্লেইন পেপার কপিয়ার পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষার নম্বর ৭০ এবং মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ৩০।

ফটোকপি অপারেটর, ডেসপাচ রাইডার ও অফিস সহায়ক পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রেও লিখিত পরীক্ষার নম্বর ৭০ এবং মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ৩০।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার