Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেতে বাংলাদেশিদের সম্পূর্ণ খরচ কতো?

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১৯ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেতে বাংলাদেশিদের সম্পূর্ণ খরচ কতো?

বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা করতে বাংলাদেশি আবেদনকারীদের খরচ ভিসার ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হয়। তবে ২০২৬ সালে নতুন কিছু নিয়ম চালু হওয়ায় বিশেষ করে বি-১/বি-২ ভিসা আবেদনকারীদের সম্ভাব্য আর্থিক ব্যয় বেড়েছে।

সাধারণ ব্যবসা ও পর্যটন ভিসা অর্থাৎ বি-১/বি-২ ভিসার আবেদন ফি বর্তমানে ১৮৫ ডলার। শিক্ষার্থী ও বেশ কয়েকটি নন ইমিগ্র্যান্ট ভিসার ক্ষেত্রেও একই আবেদন ফি প্রযোজ্য। তবে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য ২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে বি-১/বি-২ ভিসায় ভিসা বন্ডের নিয়ম কার্যকর হয়েছে

এই নিয়মে সাক্ষাৎকারের সময় কনস্যুলার কর্মকর্তা আবেদনকারীর জন্য ৫ হাজার, ১০ হাজার অথবা ১৫ হাজার ডলারের বন্ড নির্ধারণ করতে পারেন। তবে প্রত্যেক আবেদনকারীকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই অর্থ জমা দিতে হয় না। কর্মকর্তা নির্দেশ দিলে তবেই বন্ড দিতে হবে।

ভিসা বন্ড সাধারণ ভিসা ফি নয়। নির্ধারিত শর্ত মেনে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দেশ ছাড়লে বন্ডের অর্থ ফেরত পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। অন্যদিকে ভিসা আবেদন ফি ফেরতযোগ্য নয়। অর্থাৎ আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলেও ১৮৫ ডলারের আবেদন ফি ফেরত পাওয়া যাবে না।

কাজের জন্য এইচ, এল, ও, পি, কিউ ও আর শ্রেণির পিটিশনভিত্তিক নন ইমিগ্র্যান্ট ভিসার আবেদন ফি ২০৫ ডলার। ই ভিসার ক্ষেত্রে ৩১৫ ডলার এবং কে ভিসার আবেদন ফি ২৬৫ ডলার।

ইমিগ্র্যান্ট ভিসার ক্ষেত্রেও খরচ আলাদা। পরিবারভিত্তিক ইমিগ্র্যান্ট ভিসার আবেদন ফি জনপ্রতি ৩২৫ ডলার এবং কর্মসংস্থানভিত্তিক ইমিগ্র্যান্ট ভিসার ফি ৩৪৫ ডলার। কিছু অন্যান্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসার আবেদন ফি ২০৫ ডলার।

এ ছাড়া পরিবারভিত্তিক ইমিগ্র্যান্ট ভিসার পিটিশন আই-১৩০ জমা দিতে ৬৭৫ ডলার ফি রয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে অ্যাফিডেভিট অব সাপোর্ট পর্যালোচনার জন্য আরও ১২০ ডলার ফি প্রযোজ্য হতে পারে।

বাংলাদেশি আবেদনকারীদের জন্য ভিসার মেয়াদ ও প্রবেশের সংখ্যাও গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে বি-১, বি-২ এবং বি-১/বি-২ ভিসার ক্ষেত্রে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য রিসিপ্রোসিটি ফি নেই। তালিকায় এসব ভিসার মেয়াদ তিন মাস এবং প্রবেশের সংখ্যা একবার উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ২০২৫ সালে নন ইমিগ্র্যান্ট ভিসাধারীদের জন্য ২৫০ ডলারের ভিসা ইন্টেগ্রিটি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। এই ফি কীভাবে নেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে আবেদনকারীদের সর্বশেষ সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

সব মিলিয়ে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা করতে শুধু আবেদন ফি হিসাব করলেই হবে না। বিশেষ করে বি-১/বি-২ ভিসার ক্ষেত্রে সম্ভাব্য ভিসা বন্ড, অতিরিক্ত ফি এবং অন্যান্য ভ্রমণ খরচ সম্পর্কে আগে থেকেই পরিষ্কার ধারণা রাখা জরুরি। আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট ভিসা ক্যাটাগরির সর্বশেষ সরকারি তথ্য যাচাই করাও গুরুত্বপূর্ণ।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার