Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

আসামির সঙ্গে শার্টের মিল, ব্যাখ্যা দিলেন পুলিশ উপকমিশনার

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৩১ এএম

আসামির সঙ্গে শার্টের মিল, ব্যাখ্যা দিলেন পুলিশ উপকমিশনার

বিজ্ঞাপন

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় চারজনকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থের পরিহিত শার্ট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। মরদেহ উদ্ধারের দিন একই ধরনের শার্ট রংপুর মহানগর পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তীর পরনেও দেখা যায় বলে দাবি স্থানীয়দের। বিষয়টি নিয়ে তদন্তের দাবিও উঠেছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার ও গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান সনাতন চক্রবর্তী সোমবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় বলেন, ‘আসামির পরনে যে শার্ট ছিল, সেটি দেখতে আমার শার্টের মতোই রং। আমার শার্টটি এখনও আমার গায়ে আছে, আর আসামির শার্টটি তার গায়েই আছে। আমার শার্টটি আড়ং থেকে কিনেছিলাম। অনেকের কাছেই একই ডিজাইনের শার্ট থাকতে পারে। তবে তার শার্টের সঙ্গে আমার শার্টের কোনও সম্পর্ক নেই। বিষয়টি নিয়ে একটি মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে।’

তবে, স্থানীয়দের দাবি, আসামি ও পুলিশ কর্মকর্তার পরনে একই ধরনের শার্ট দেখা যাওয়ার বিষয়টি সন্দেহের অবকাশ তৈরি করেছে। তাই বিষয়টি নিয়েও তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

এর আগে শনিবার (২২ আগস্ট) নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় তালাবদ্ধ একটি বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও ছেলে-মেয়েসহ চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। স্থানীয় বিভিন্ন ফেসবুক পেজের লাইভে মরদেহ উদ্ধারের সময় মুখে মাস্ক পরা একজনকে একই ধরনের শার্ট পরে সিঁড়ি দিয়ে উঠতে দেখা যায়। জানা যায়, তিনি পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী।

এরপরই এ নিয়ে স্থানীয় লোকজন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার