বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
কিশোরগঞ্জ, খুলনা, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলার ১০৮টি জলমহালের মধ্যে ৭৮টির ইজারা প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি জলমহাল ইজারা দেওয়া সংক্রান্ত কমিটি। একই সঙ্গে পাবনা জেলার ২৩টি জলমহাল উন্মুক্ত করার প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারি জলমহাল ইজারা দেওয়া সংক্রান্ত কমিটির ৯১তম সভায় এসব প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু।
সভায় প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসকরা অনলাইনে সভায় যুক্ত ছিলেন।
সভায় কিশোরগঞ্জ জেলার ১২টি জলমহালের মধ্যে ৯টি, খুলনার ১২টির মধ্যে ৬টি, হবিগঞ্জের ৩০টির মধ্যে ২০টি এবং সুনামগঞ্জের ৫৪টির মধ্যে ৪৩টি জলমহালের ইজারা প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
বাকি প্রস্তাবগুলো আরও যাচাই করে পরবর্তী সময়ে উপস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেসব জলমহালের প্রস্তাবিত ইজারা মূল্য যথাযথ নয়, সেসব ক্ষেত্রে পুনঃইজারা বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়।
সভায় ভূমিমন্ত্রী বলেন, ‘জলমহাল কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, এটি জনগণের। জনগণের স্বার্থরক্ষা আমাদের অগ্রাধিকার। তাই জনস্বার্থ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং দরিদ্র মানুষের জীবিকা রক্ষার স্বার্থে কর্তৃপক্ষকে মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও টেকসই ব্যবস্থাপনার দিকে এগোতে হবে। পাশাপাশি সরকারের রাজস্বপ্রাপ্তিও নিশ্চিত করতে হবে।’
তিনি বলেন, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী ‘জাল যার জলা তার’ নীতিতে বিশ্বাস করে সরকার।
ইজারা দেওয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতি যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, প্রচলিত আইন ও নীতিমালার আলোকে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের পরামর্শ নিয়ে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ইজারা মূল্যগুলো যুগোপযোগী করতে হবে।
একই সঙ্গে সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্বপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন তিনি।