বিজ্ঞাপন
আ. লীগ সম্পৃক্ততার অভিযোগে তোলপাড়, সেই সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৯ পিএম
বিজ্ঞাপন
আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগকে কেন্দ্র করে আলোচনার মধ্যে পদত্যাগ করেছেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. নূরুল করিম।
রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে আইনমন্ত্রী বরাবর তার লিখিত পদত্যাগপত্র সলিসিটর কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিজেই নিশ্চিত করেছেন নূরুল করিম।
আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠার পরই তার পদত্যাগের খবর সামনে আসে। তবে অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন নূরুল করিম। তিনি দাবি করেছেন, নিয়মিত আইন পেশায় ফিরে যাওয়া এবং একান্ত ব্যক্তিগত কারণেই তিনি পদত্যাগ করেছেন।
নূরুল করিম বলেন, ‘আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে আমার দূরতম সম্পর্কও নেই। আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আমার কোনো পদ নেই, কিছুই নেই। আমাকে নিয়ে রাজনীতি করার জন্য একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।’
এদিকে নূরুল করিমের পদত্যাগের দিনই অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের পদত্যাগের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে বিক্ষোভ করেছেন আইনজীবীরা।
রোববার দুপুরে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম’-এর ব্যানারে আইনজীবীরা মিছিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট এলাকা প্রদক্ষিণ করেন। পরে অ্যানেক্স ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন।
বিক্ষোভ থেকে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) নিয়োগে অনিয়ম ও কথিত নিয়োগ-বাণিজ্যের তদন্ত, ফোরামের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নসহ কয়েকটি দাবি জানানো হয়। এ সময় ‘দফা এক, দাবি এক, অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।
বিক্ষোভে আইনজীবী শরীফ ইউ আহমেদ অভিযোগ করেন, অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল তার পদে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে নিয়োগের ক্ষেত্রে শত কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। এ অভিযোগ তদন্তেরও দাবি জানান তিনি।
এর আগে গত জুনে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে জামায়াত-সমর্থিত সাতজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল একযোগে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন।
পদত্যাগকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তারিকুল ইসলাম তখন জানিয়েছিলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের ব্যর্থতা এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় নিয়োগ অধ্যাদেশ ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিলের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে তারা যৌথভাবে পদত্যাগ করেছেন।