বিজ্ঞাপন
গুজব নাকি সত্যি? পাম্পে দীর্ঘ লাইন, জ্বালানি তেল নিয়েও বাড়ছে উৎকণ্ঠা
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০২:১৩ এএম
বিজ্ঞাপন
সোমবার, রাত আনুমানিক ১০টা। রাজধানীর নীলক্ষেতের মেঘনা পেট্রোলিয়াম ফিলিং স্টেশনের সামনে হঠাৎ মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন তৈরি হতে শুরু করে। দেখতে দেখতে সেই সারি আরও দীর্ঘ হয়। কেউ পেট্রোল, কেউ আবার অকটেন নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন। দৃশ্যটি আগের জ্বালানি সংকটের সময় রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়।
কৌতূহলবশত লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজনের সঙ্গে কথা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী আজাহারুল ইসলাম বলেন, পরিচিত বিভিন্ন মাধ্যমে শুনেছি, এলপিজি গ্যাসের সংকটের কারণে জ্বালানি তেলের চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে নাকি তেলের সংকট দেখা দিতে পারে। তাই আগে থেকেই মোটরসাইকেলের জন্য পেট্রোল নিয়ে নিচ্ছি।
একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ডেলিভারি কর্মী সুরুজ মিয়া বলেন, শুনেছি আবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে পারে। সারাদিন পণ্য ডেলিভারি দিতে হয়। তাই বাড়তি অকটেন ভরে রাখছি।
তবে জ্বালানি তেলের সংকট বা দাম বাড়ার বিষয়ে কোনো তথ্য জানেন না বলে জানান ফিলিং স্টেশনের কর্মীরা। তাদের একজন বলেন, আজ বিকেল থেকেই তেল বিক্রির চাপ বেড়েছে। তবে সরবরাহে কোনো ঘাটতির কথা আমাদের জানানো হয়নি।
তীব্র হচ্ছে এলপিজি ও সিএনজি সংকট:
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় এলপিজি ও সিএনজি গ্যাসের সংকট তীব্র হয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় কোথাও কোথাও এলপিজি বিক্রি বন্ধ রয়েছে। আবার অনেক সিএনজি স্টেশনে গ্যাসের চাপ এতটাই কম যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেক চালক পর্যাপ্ত গ্যাস পাচ্ছেন না।
রাজধানীর বিভিন্ন সিএনজি স্টেশনে প্রতিদিনই অটোরিকশা, অ্যাম্বুলেন্স ও ব্যক্তিগত গাড়ির দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে।
একাধিক অ্যাম্বুলেন্স চালক জানান, তিন থেকে চার ঘণ্টা অপেক্ষা করে যে পরিমাণ গ্যাস পাওয়া যায়, তা নিয়ে দূরপাল্লার রোগী পরিবহনে ঝুঁকি থেকে যায়। মাঝপথে গ্যাস ফুরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় অনেকেই দূরের ট্রিপ নিতে চাইছেন না।
সংকটের কারণে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকদের আয়ও কমে গেছে। তাদের দাবি, প্রতিদিন দুই দফায় গ্যাস সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রায় আট ঘণ্টা লাইনে অপেক্ষা করতে হয়। এরপর বাকি সময় গাড়ি চালিয়ে মালিকের জমা দেওয়ার পর হাতে খুব সামান্য আয় থাকে।
সরকারও জানিয়েছে, বিদ্যমান গ্যাস সরবরাহ-সংকট দ্রুত কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়। এরই মধ্যে শিল্পকারখানায় গ্যাসের ঘাটতির কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে বলে বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
ঢাকার বাইরেও ছড়াচ্ছে তেল সংকটের গুঞ্জন:
এলপিজি ও সিএনজি সংকটের পাশাপাশি এবার দেশের বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানি তেল নিয়েও গুঞ্জন ছড়াতে শুরু করেছে।
নরসিংদী-সলিমগঞ্জ নৌরুটের একাধিক লঞ্চ মালিক জানান, আগে স্থানীয় ফিলিং স্টেশন থেকে প্রয়োজনীয় ডিজেল সহজেই পাওয়া গেলেও সম্প্রতি সরবরাহে সীমাবদ্ধতার মুখে পড়তে হয়েছে। এক লঞ্চকর্মীর ভাষ্য, একটি পাম্প থেকে ৫০ লিটার ডিজেল নিতে গেলে তাকে ৩০ লিটারের বেশি দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানানো হয়।
এদিকে স্থানীয় লঞ্চকর্মীরাও জানতে চান, তেলের সংকট বা মূল্যবৃদ্ধির খবর সত্য কি না। তবে এ বিষয়ে এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
ফলে এলপিজি ও সিএনজি সংকটের মধ্যে জ্বালানি তেল নিয়েও সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ে গুঞ্জন ও বিভ্রান্তি দূর করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত, স্পষ্ট ওআনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রত্যাশা করছেন ভোক্তারা।
কৌতূহলবশত লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজনের সঙ্গে কথা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী আজাহারুল ইসলাম বলেন, পরিচিত বিভিন্ন মাধ্যমে শুনেছি, এলপিজি গ্যাসের সংকটের কারণে জ্বালানি তেলের চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে নাকি তেলের সংকট দেখা দিতে পারে। তাই আগে থেকেই মোটরসাইকেলের জন্য পেট্রোল নিয়ে নিচ্ছি।
একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ডেলিভারি কর্মী সুরুজ মিয়া বলেন, শুনেছি আবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে পারে। সারাদিন পণ্য ডেলিভারি দিতে হয়। তাই বাড়তি অকটেন ভরে রাখছি।
তবে জ্বালানি তেলের সংকট বা দাম বাড়ার বিষয়ে কোনো তথ্য জানেন না বলে জানান ফিলিং স্টেশনের কর্মীরা। তাদের একজন বলেন, আজ বিকেল থেকেই তেল বিক্রির চাপ বেড়েছে। তবে সরবরাহে কোনো ঘাটতির কথা আমাদের জানানো হয়নি।
তীব্র হচ্ছে এলপিজি ও সিএনজি সংকট:
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় এলপিজি ও সিএনজি গ্যাসের সংকট তীব্র হয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় কোথাও কোথাও এলপিজি বিক্রি বন্ধ রয়েছে। আবার অনেক সিএনজি স্টেশনে গ্যাসের চাপ এতটাই কম যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেক চালক পর্যাপ্ত গ্যাস পাচ্ছেন না।
রাজধানীর বিভিন্ন সিএনজি স্টেশনে প্রতিদিনই অটোরিকশা, অ্যাম্বুলেন্স ও ব্যক্তিগত গাড়ির দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে।
একাধিক অ্যাম্বুলেন্স চালক জানান, তিন থেকে চার ঘণ্টা অপেক্ষা করে যে পরিমাণ গ্যাস পাওয়া যায়, তা নিয়ে দূরপাল্লার রোগী পরিবহনে ঝুঁকি থেকে যায়। মাঝপথে গ্যাস ফুরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় অনেকেই দূরের ট্রিপ নিতে চাইছেন না।
সংকটের কারণে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকদের আয়ও কমে গেছে। তাদের দাবি, প্রতিদিন দুই দফায় গ্যাস সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রায় আট ঘণ্টা লাইনে অপেক্ষা করতে হয়। এরপর বাকি সময় গাড়ি চালিয়ে মালিকের জমা দেওয়ার পর হাতে খুব সামান্য আয় থাকে।
সরকারও জানিয়েছে, বিদ্যমান গ্যাস সরবরাহ-সংকট দ্রুত কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়। এরই মধ্যে শিল্পকারখানায় গ্যাসের ঘাটতির কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে বলে বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
ঢাকার বাইরেও ছড়াচ্ছে তেল সংকটের গুঞ্জন:
এলপিজি ও সিএনজি সংকটের পাশাপাশি এবার দেশের বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানি তেল নিয়েও গুঞ্জন ছড়াতে শুরু করেছে।
নরসিংদী-সলিমগঞ্জ নৌরুটের একাধিক লঞ্চ মালিক জানান, আগে স্থানীয় ফিলিং স্টেশন থেকে প্রয়োজনীয় ডিজেল সহজেই পাওয়া গেলেও সম্প্রতি সরবরাহে সীমাবদ্ধতার মুখে পড়তে হয়েছে। এক লঞ্চকর্মীর ভাষ্য, একটি পাম্প থেকে ৫০ লিটার ডিজেল নিতে গেলে তাকে ৩০ লিটারের বেশি দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানানো হয়।
এদিকে স্থানীয় লঞ্চকর্মীরাও জানতে চান, তেলের সংকট বা মূল্যবৃদ্ধির খবর সত্য কি না। তবে এ বিষয়ে এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
ফলে এলপিজি ও সিএনজি সংকটের মধ্যে জ্বালানি তেল নিয়েও সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ে গুঞ্জন ও বিভ্রান্তি দূর করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত, স্পষ্ট ওআনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রত্যাশা করছেন ভোক্তারা।