বিজ্ঞাপন
বেনজীরের অন্য দেশের পাসপোর্ট থাকতেপারে, সন্দেহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৪০ পিএম
বিজ্ঞাপন
পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের অন্য দেশের পাসপোর্ট থাকতে পারেন বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একইসঙ্গে তার জামিন বাতিলের জন্য আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সোমবার (০৩ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রীর অফিস কক্ষের সামনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) আদালত সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞাসহ কিছু শর্তে জামিন দিয়েছেন। আমরা বিষয়টি জানার পর তাৎক্ষণিকভাবে দেশটিতে নিয়োজিত ল' ফার্মকে জামিন বাতিলের আবেদন করতে এবং আদালতে পিটিশন দাখিল করতে নির্দেশনা দিয়েছি।
তিনি বলেন, ইউএই রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়েছে এবং ঠিক কী কী শর্তে তাকে জামিন দেওয়া হয়েছে তা জানতে সার্টিফাইড কপি সংগ্রহের অনুরোধ করা হয়েছে। বেনজীরকে দেশে ফিরিয়ে আনতে আইনি ও কূটনৈতিক- উভয় প্রক্রিয়া সক্রিয় রয়েছে। তবে তার কাছে অন্য দেশের পাসপোর্ট থাকতে পারে- এটা আমাদের সন্দেহ।
মেট্রোরেল ও আশুলিয়ায় বোমা আতঙ্কে সাম্প্রতিক রথযাত্রার দিনগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার থাকা সত্ত্বেও কিছু নাশকতামূলক চেষ্টার কথা উল্লেখ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, মতিঝিল এলাকায় মেট্রোরেলের একটি পিলারের নিচে এবং পরবর্তী সময়ে আশুলিয়ায় 'বোমা সদৃশ' বস্তু পাওয়া যায়। পুলিশের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তুগুলো নিষ্ক্রিয় করেছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার জন্য কোনো পক্ষ এ কাজ করতে পারে।
এ দুটি ঘটনার মধ্যে কোনো যোগসূত্র আছে কিনা, তা জানতে তদন্ত চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক রয়েছে। এ বিষয়ে আমাদের স্পেশাল টিম সতর্ক রয়েছে।
৫ আগস্টের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা ও আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত এবং মাফিয়া শক্তি হিসেবে পরিচিত দলটির বর্তমানে বড় কোনো কর্মসূচি পালনের মুরদ নেই। তবে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং বিশেষ করে পুলিশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাহিনীকে সতর্ক থাকার জন্য সাধারণ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সামগ্রিক পরিস্থিতি বর্তমানে সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং সব ধরনের উগ্রবাদী তৎপরতা মনিটর করা হচ্ছে।