বিজ্ঞাপন
যেসব এলাকায় টানা ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না আজ
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০১ আগস্ট ২০২৬, ১১:২৫ এএম
বিজ্ঞাপন
লাইন রক্ষণাবেক্ষণ, নতুন বিদ্যুৎ লাইন সংযোজন এবং বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আজ শনিবার (১ আগস্ট) নাটোর ও গোপালগঞ্জ জেলার কয়েকটি এলাকায় নির্ধারিত সময়ের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এবং গোপালগঞ্জ বিদ্যুৎ সরবরাহ (ওজোপাডিকো)।
নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ জানিয়েছে, নতুন ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ লাইনের তার সংযোজন এবং প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে বড়াইগ্রাম-১ (বনপাড়া) উপকেন্দ্রের ৭ নম্বর ফিডারের আওতাধীন এলাকায় সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। ফলে টানা ১১ ঘণ্টা এসব এলাকার গ্রাহকেরা বিদ্যুৎবিহীন থাকবেন।
বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে বনপাড়া ফজলিতলা, আহম্মেদপুর, খৌদ্দকাচুটিয়া, বৃ-কাচুটিয়া, কেচুয়াকোড়া, বালিয়া, ধানুড়ার আংশিক এলাকা, কলাকান্তনগর, কায়েমকোলা, নওপাড়া এবং আশপাশের এলাকায়। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় বাসাবাড়ির পাশাপাশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ক্ষুদ্র শিল্পকারখানার স্বাভাবিক কার্যক্রমে সাময়িক প্রভাব পড়তে পারে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
অন্যদিকে গোপালগঞ্জ বিদ্যুৎ সরবরাহ (ওজোপাডিকো) জানিয়েছে, বিদ্যুৎ লাইনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঝুঁকিপূর্ণ গাছের ডালপালা ছাঁটাইয়ের কাজের জন্য ১১ কেভি টাউন ফিডারের আওতাধীন এলাকায় সকাল ৬টা থেকে সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হবে।
এ সময় গোপালগঞ্জ শহরের ডিসি রোড, সাহাপাড়া, চৌরঙ্গী, বড় বাজার, থানাপাড়া, লঞ্চঘাট, গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজসংলগ্ন এলাকা এবং শিশুবন রোডে বিদ্যুৎ থাকবে না। সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় কাজ আগেভাগে সম্পন্ন করার পরামর্শ দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
বিদ্যুৎ বিভাগের ভাষ্য, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে বিতরণব্যবস্থার নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি, নতুন সংযোগের সক্ষমতা উন্নয়ন এবং ভবিষ্যতে অনাকাঙ্ক্ষিত বিদ্যুৎ বিভ্রাট কমিয়ে আনাই এ কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ লাইনের ত্রুটি শনাক্ত ও দ্রুত মেরামতের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে আরও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।
এ ছাড়া নির্ধারিত কাজের অগ্রগতির ওপর নির্ভর করে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের সময়সূচিতে কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। কাজ নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে।
সাময়িক এই ভোগান্তির জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে শনিবার অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ এমনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষাকেন্দ্রে বিদ্যুৎ-সংক্রান্ত কোনো সমস্যার মুখোমুখি না হন।