Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে জামায়াতের রোকন আটক

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০১ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪৮ এএম

শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে জামায়াতের রোকন আটক

বিজ্ঞাপন

রাজশাহীর পবায় ৯ বছরের এক শিশুকন্যাকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ওমর ফারুক নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তিনি জামায়াতে ইসলামীর বড়গাছি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রোকন। পেশায় তিনি গ্রাম্য চিকিৎসক।

ওমর ফারুকের ভাই আবু বকর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায় পাকারমাথা এলাকা থেকে ওমর ফারুককে আটক করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ওমর ফারুক দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় গ্রাম্য চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। নিজ বাড়ির সঙ্গে থাকা একটি ফার্মেসি পরিচালনার পাশাপাশি স্ত্রীকে নিয়ে বাড়িতেই শিশুদের প্রাইভেট পড়ান।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, গত ১২ জুলাই প্রতিদিনের মতো শিশুটি ওমর ফারুকের বাড়িতে পড়তে গেলে অন্য শিক্ষার্থীদের কৌশলে বিদায় করে দেওয়া হয়। পরে শিশুটিকে একা পেয়ে যৌন হয়রানি করেন ওমর ফারুক। বাড়িতে ফিরে শিশুটি কান্নাকাটি করে মায়ের কাছে পুরো ঘটনার কথা জানায়।

শিশুটির মা বলেন, বিষয়টি অভিযুক্তের বাবা মজিবুর রহমানকে জানানো হয়েছিল। তিনি বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার পরামর্শ দেন। তারা প্রভাবশালী হওয়ায় চুপচাপ থাকি কিন্তু এলাকার লোকজন জানাজানি হলে পুলিশও জানতে পারে এবং অভিযুক্ত ওমর ফারুককে নিয়ে যায়। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

পুলিশ হেফাজতে থাকায় এ বিষয়ে ওমর ফারুকের সঙ্গে কথা বলা যায়নি।

বড়গাছি ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুর রহমান মিলন বলেন, ওমর ফারুক আমাদের রোকন। তার ভাই ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি। বিএনপির লোকজন ঘটনাটি বড় করছেন বলে তিনি দাবি করেন।

আব্দুর রহমান মিলন বলেন, যতদূর শুনলাম ঘটনা অনেক আগের। দুই পরিবারের মধ্যে মীমাংসাও হয়ে গিয়েছিল। এখন বিএনপির লোকজন পুলিশ ডেকে তুলে দিয়েছেন।

আগের ঘটনা হলেও সাংগঠনিক কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ঘটনাটি জানতাম না। পরে জেনেছি। দায়িত্বশীলদেরও ইতোমধ্যে জানিয়েছি। এখন তদন্ত হবে। তাতে দোষী প্রমাণিত হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পবা থানার ওসি আব্দুল মতিন বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর মা থানায় এসেছেন। মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। মামলা হলে রোববার আসামিকে আদালতে পাঠানো হবে। আর অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার