বিজ্ঞাপন
ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ৬ লেন কাজের দীর্ঘদিনের জটিলতার অবসান
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ৩১ জুলাই ২০২৬, ০১:২৯ এএম
বিজ্ঞাপন
হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার কল্যাণপুর এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ৬ লেন নির্মাণ প্রকল্পের কাজে দীর্ঘদিনের প্রতিবন্ধকতার অবসান হয়েছে। জাতীয় সংসদের হুইপ জিকে গউছ এমপির উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এ বিরোধ নিষ্পত্তি হয়।
ফলে এবার আটকে থাকা মহাসড়কের কাজ শুরু হতে আর কোনো বাঁধা থাকছে না। স্থানীয় বাসিন্দারাও আশার আলো দেখছেন।
হুইপ জিকে গউছ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। মহাসড়ক নির্মাণে যেসব ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হবে, সেগুলো যথাযথভাবে পুনর্বাসন এবং আইন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা হবে। মহাসড়কটি দেশের এবং নিজেদের এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে দ্রুত সম্পন্ন হওয়া দরকার। তাই তিনি এ বিষয়ে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
জানা গেছে, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ৬ লেন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় কল্যাণপুর এলাকায় একটি মন্দির, দুটি মসজিদ, একটি কবরস্থান, একটি শ্মশান ও একটি মাদ্রাসার জায়গা অধিগ্রহণ করা হয়। তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে নকশা পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে জায়গা ছাড়তে অনীহা প্রকাশ করা হলে ওই অংশে দীর্ঘদিন ধরে নির্মাণকাজ বন্ধ ছিল। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার এবং পরবর্তীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ একাধিকবার সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ নিলেও তা সফল হয়নি। অবশেষে জাতীয় সংসদের হুইপ জিকে গউছ এমপি বিষয়টি গুরুত্বসহকারে নিয়ে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা করেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তখন ইসকন, রামকৃষ্ণ মিশন, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট, পূজা উদযাপন পরিষদ, মসজিদ ও মাদ্রাসা কমিটির নেতারা, মহাসড়ক নির্মাণ প্রকল্পের কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে মতবিনিময় সভায় বসেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন- বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল রায়, মহাসড়ক নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) সৈয়দ গিয়াস উদ্দিন, সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের হবিগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী জাকির হোসেন, বাহুবল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিন তালুকদার, রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ স্বামী বেদমায়া নন্দজী, ইসকনের অধ্যক্ষ উদয় গৌর ব্রহ্মচারী, মসজিদ ও মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি মোতাহের হোসেন, অ্যাডভোকেট ত্রিলোক কান্তি চৌধুরী বিজন, অ্যাডভোকেট স্বরাজ বিশ্বাস, অ্যাডভোকেট অহিন্দ্র দত্ত, শংকর পাল, সুখলাল সূত্রধর, অ্যাডভোকেট মিঠু গোপসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের নেতারা।