বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
নবম জাতীয় পে-স্কেলের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের জন্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অপেক্ষা আরও বাড়ল। পে-স্কেল বাস্তবায়নসংক্রান্ত সুপারিশমালা চূড়ান্ত করতে পারেনি মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বাধীন উচ্চপর্যায়ের সচিব কমিটি। বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে রুদ্ধদ্বার এ বৈঠক হয়। ১ জুলাই থেকে নতুন পে-স্কেল কার্যকর হওয়ার কথা।
অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপে মূল বেতন বৃদ্ধি এবং আগামী অর্থবছরে দুই ধাপে অন্যান্য ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা কার্যকরের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে। জানা যায়, মঙ্গলবারের বৈঠকে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের আর্থিক সক্ষমতা, ধাপভিত্তিক বাস্তবায়ন পদ্ধতি, সম্ভাব্য প্রশাসনিক জটিলতা এবং সফটওয়্যার কাঠামোর প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তবে গতকালের বৈঠকে সুপারিশমালা চূড়ান্ত না হওয়ায় আগামী সপ্তাহে আবারও বৈঠকে বসবে সচিব কমিটি।
অর্থ বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, বাস্তবতা বিবেচনায় এমন একটি কাঠামো তৈরির চেষ্টা চলছে যাতে একদিকে সরকারি চাকরিজীবীরা বেতন বৃদ্ধির সুবিধা পান, অন্যদিকে সরকারের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ না পড়ে।
বুধবারের বৈঠকে প্রস্তাবিত ২০টি গ্রেড নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানে গ্রেডের সংখ্যা বা কাঠামোয় পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে কিনা, সে বিষয়েও মতামত উঠে আসে। অন্তর্বর্তী সরকার নতুন পে-স্কেলের ভিত্তি তৈরি করে গেলেও বিএনপি সরকার এটি বাস্তবায়নে নীতিগতভাবে আগ্রহী। সেই লক্ষ্যে বাজেটেও বেতন-ভাতা বাবদ ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকার সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে জাতীয় বেতন কমিশন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির সুপারিশ করেছিল।