বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
রাজধানীতে মেট্রোরেলের কমলাপুর স্টেশন আগামী বছরের মার্চে চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। সেই সঙ্গে বাড়তি যাত্রীর চাপ সামাল দিতে ধাপে ধাপে মেট্রোরেল চলাচলের সময়ও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে কর্তৃপক্ষ।
২০২২ সালে চালু হওয়া এমআরটি লাইন-৬-এর তৃতীয় ধাপের আওতায় মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত সম্প্রসারণের কাজ চলছে। ডিএমটিসিএল সূত্রে জানা যায়, বিদ্যুৎ, সিগন্যাল ও মেকানিক্যালসহ বিভিন্ন কারিগরি কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। এরই মধ্যে এই বর্ধিত অংশের প্রকল্পের প্রায় ৮৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। আগামী বছরের মার্চে কমলাপুর স্টেশন চালুর প্রাথমিক লক্ষ্য নিয়ে কাজ এগিয়ে চলছে। এর আগে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে পরীক্ষামূলক চলাচল বা ট্রায়াল রান শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের।
এদিকে মেট্রোরেল চলাচলে রাতের সময় আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে কর্তৃপক্ষ। ডিএমটিসিএল সূত্র জানায়, গত ৭ জুন থেকে রাতে ২০ মিনিট সেবা বাড়ানোর পরই দৈনিক প্রায় ১০ হাজার নতুন যাত্রী যুক্ত হয়েছে। বর্তমানে মেট্রোরেলে প্রতিদিন গড়ে চার লাখ ১০ হাজার যাত্রী চলাচল করছেন। কোনো কোনো দিন যাত্রীসংখ্যা চার লাখ ২৫ হাজারও ছাড়িয়ে যাচ্ছে। আগে এই সংখ্যা ছিল দৈনিক প্রায় চার লাখ।
ডিএমটিসিএল কর্মকর্তারা জানান, মেট্রোরেল চলাচলের সময় ধীরে ধীরে বাড়ানোর পরিকল্পনা আগেও ছিল। তবে সার্বিক কারিগরি বিষয় বিবেচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হয়। রাতে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হওয়ার পরই মূলত মূল রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শুরু হয়। ট্রেন ডিপোতে নিয়ে নিখুঁতভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে হয়। এরপর পরদিন ভোরে নিয়মিত চলাচলের আগে প্রায় দুই ঘণ্টার ট্রায়াল রান সম্পন্ন করতে হয়। তাই চাইলেই রাতারাতি সময় বাড়ানো সম্ভব নয়। তবে সম্প্রতি সময় বাড়ানোর পর যাত্রী আরও বেড়েছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, কমলাপুর স্টেশন পুরোপুরি চালু হলে তখন সেবার পরিধি আরও বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। বর্তমানে উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ১২ সেট ট্রেন নিয়মিত চলাচল করছে। ভবিষ্যতে চলাচলের সময় আরও বাড়ানো হলে একযোগে ১৪ সেট ট্রেন পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে ডিএমটিসিএলের।