বিজ্ঞাপন
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আড্ডায় জাইমা, শুনলেন ও বললেন নিজের জীবনের কথা
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:৪২ এএম
বিজ্ঞাপন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা ও আখাউড়া উপজেলার ৯০ জন শিশুশিক্ষার্থীর সঙ্গে আড্ডায় মাতলেন প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে জাইমা রহমান। প্রত্যেক শিশুকে কাছে ডেকে তাদের কথা শুনেছেন। নিজের জীবনের কথা শুনিয়েছেন। অনেক স্বপ্নের কথা বলেছেন।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাজধানীর গুলশানের লেকশোর হোটেলে দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টার পর্যন্ত এ আড্ডা চলে। আয়োজন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানের মেয়ে মেহভীন রহমান মুনিয়া।
আয়োজনে থাকা একাধিক সূত্র জানিয়েছে, জাইমা রহমান শিশুদের কাছে তাদের ইচ্ছার কথা জানতে চান। তাদের বুঝানোর চেষ্টা করেন যে পড়ালেখার পাশাপাশি অন্যান্য বিষয়েও অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে।
এ সময় জাইমা রহমান তার ব্যক্তিগত জীবনের নানা অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন। তিনি শিশুদের কাছে জানতে চান, তারা রান্না করতে পারে কি না। কয়েকজন শিশু হ্যাঁ বলার পর তাদের এলাকায় গেলে কী খাওয়াবে তাও জানতে চান তিনি। শিশুরা জানায়, তারা বিরিয়ানি রান্না করে খাওয়াবে। তখন জাইমা রহমান বিরিয়ানির সঙ্গে ইলিশ মাছ খাওয়ারও ইচ্ছা পোষণ করেন।
এ বিষয়ে আখাউড়ার রামধননগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নাহিয়ান ওসমান রাহিন আপ্লুত হয়ে বলে, আমার খুব ভালো লেগেছে। প্রধানমন্ত্রীকন্যা এত কাছে এসে আমাদের সঙ্গে গল্প করবেন ভাবতে পারিনি। ওনি আমাদের বলেছেন পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা করতে।
উপস্থিত সহকারী শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌস বাবলী বলেন, প্রধানমন্ত্রীকন্যার সঙ্গে শিশুরা বেশ ভালো সময় কাটিয়েছে। ওনি প্রত্যেক শিশুকে কাছে ডেকে তাদের কথা শুনেছেন। নিজের জীবনের কথা শুনিয়েছেন। অনেক স্বপ্নের কথা বলেছেন।
আখাউড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ড. দৌলত হোসেন ভূঁইয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রীকন্যার সঙ্গে আলোচনায় বসতে পেরে শিশুরা বেশ অনুপ্রাণিত হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবেও এটা নিয়ে বেশ আনন্দিত। প্রধানমন্ত্রীকন্যা শিশু শিক্ষার্থীদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং নিজের বিষয়েও শিশুদের সঙ্গে কথা বলেছেন।
এ বিষয়ে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া বলেন, আসলে আমরা আশা করিনি প্রধানমন্ত্রীকন্যা এত বেশি সময় দেবেন, সব শিশুর কাছ থেকে সময় নিয়ে কথা শুনবেন। বিষয়টি শিশুদের খুব অনুপ্রাণিত করেছে।