Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

বাধ্যতামূলকহলো শিক্ষকদের ডিজিটাল হাজিরা, ছবি দিতেহবে হোয়াটসঅ্যাপে

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৩:৪৯ পিএম

বাধ্যতামূলকহলো শিক্ষকদের ডিজিটাল হাজিরা, ছবি দিতেহবে হোয়াটসঅ্যাপে

বিজ্ঞাপন

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে আগমন ও দৈনিক উপস্থিতি নিবিড়ভাবে মনিটরিং করার লক্ষ্যে এক বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আজ সোমবার (১৫ জুন) থেকে দেশব্যাপী শিক্ষকদের এই নতুন উপস্থিতি ট্র্যাকিং ব্যবস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষকদের সময়মতো বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করে প্রতিদিন সকাল ৯টা ১০ মিনিটের মধ্যে হাজিরা খাতার ছবি তুলে নির্ধারিত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, সোমবার থেকেই দেশব্যাপী এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। যেহেতু এটি প্রথম দিন, তাই আমাদের কাছে এখনো সব অঞ্চলের পূর্ণাঙ্গ ডেটা এসে পৌঁছায়নি। আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি। প্রথম দিকে হয়ত শতভাগ সাড়া পেতে কিছুটা সময় লাগবে, তবে আমরা একটি সুনির্দিষ্ট শুরু করলাম।

তিনি আরও জানান, সারা দেশের প্রায় ৪ লাখ প্রাথমিক শিক্ষকের তথ্য এই প্রক্রিয়ায় আমাদের মনিটরিংয়ের আওতায় আসবে। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো— শিক্ষকদের সময়মতো বিদ্যালয়ে হাজিরা নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত ক্লাস নেওয়া। সরকারি কর্মচারী হিসেবে শিক্ষকদের অবশ্যই চাকরিবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিদিন সকাল ৯টা ১০ মিনিটের মধ্যে বিদ্যালয়ে কয়জন শিক্ষক উপস্থিত আছেন এবং কয়জন অনুপস্থিত, তার সঠিক তথ্যসহ হাজিরা খাতার ছবি তুলে উপজেলা, থানা সহকারী শিক্ষা অফিসারকে পাঠাতে হবে। সেই তথ্য সংকলন করে তিনি উপজেলা বা থানা শিক্ষা অফিসারকে দেবেন, তিনি পাঠাবেন ডিপিওকে এবং ডিপিও তা ডিডিকে ফরওয়ার্ড করবেন। সেখান থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে এই তথ্য অধিদপ্তরে পৌঁছাবে, যাতে ঠিক পৌনে ১০টায় খোদ মহাপরিচালক (ডিজি) স্যার সারা দেশের উপস্থিতির চিত্র একনজরে দেখতে পারেন। একই সঙ্গে প্রধান শিক্ষকদের একটি সুনির্দিষ্ট গুগল শিটেও এই তথ্য লাইভ আপডেট দিতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মূলত প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং শিক্ষকদের ফাঁকিবাজি রোধ করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, কোনো কর্মকর্তা বা প্রধান শিক্ষক যদি উপস্থিতির বিষয়ে কোনো ভুল বা অসত্য তথ্য দেন, কিংবা তথ্য পাঠাতে ব্যর্থ হন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগতভাবে বিভাগীয় ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার