বিজ্ঞাপন
নির্বাচনি আচরণবিধির খসড়া চূড়ান্ত, থাকছে আ.লীগ নেতাকর্মীদের সুযোগ
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:০১ এএম
বিজ্ঞাপন
নির্বাচন কমিশন (ইসি) স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ ঠেকাতে প্রস্তাবিত অঙ্গীকারনামা বিধি থেকে সরে এসেছে। ইউনিয়ন পরিষদসহ বিভিন্ন স্থানীয় নির্বাচনের আচরণবিধিমালার খসড়া থেকে ওই বিধান বাদ দিয়ে তা অনুমোদন করেছে কমিশন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বুধবার কমিশন সভায় ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, সিটি কর্পোরেশন ও জেলা পরিষদ নির্বাচনের আচরণবিধিমালার খসড়া অনুমোদন করা হয়। মতামতের জন্য এসব খসড়া রাজনৈতিক দলগুলোর পাঠানো হয়েছে। ৩০ জুনের মধ্যে এন বিষয়ে মতামত দিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ইসির সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ ঠেকাতে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) এবং আচরণবিধিতে অঙ্গীকারনামা সইয়ের বিধান যুক্ত করা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় সরকারের জন্যও একই ধরনের প্রস্তাব আনা হয়েছিল।
তবে গণমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশের পর ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণবিধি থেকে সেই অঙ্গীকারনামা যুক্তের উদ্যোগ থেকে সরে আসে কমিশন। ফলে স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে এ ধরনের বাধ্যতামূলক অঙ্গীকার থাকছে না।
ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হওয়ায় আচরণবিধিতে রাজনৈতিক অঙ্গীকার যুক্ত করা হয়নি।
নতুন খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রচারে পোস্টার ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে বিলবোর্ড, ব্যানার, ফেস্টুন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের সুযোগ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ক্যারাভ্যান ও ভ্রাম্যমাণ যানবাহনের মাধ্যমে প্রচার চালানো যাবে।
এছাড়া দুপুর ১২টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত মাইক ব্যবহার করে প্রচারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রার্থিতা বাতিলের বিধানও যুক্ত করা হয়েছে, যা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আদলে কার্যকর করা হবে।