বিজ্ঞাপন
বাসটির গতিবিধি বুঝতে পেরে যাত্রীদের আগেই নামিয়ে দেয় নৌপুলিশ
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৮:০৬ পিএম
বিজ্ঞাপন
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুন থেকে নদীতে পড়ে যাওয়া বাসের গতিবিধি বুঝতে পেরে যাত্রীদের আগেই নামিয়ে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে নৌপুলিশ।
নৌপুলিশের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. রেজাউল করিম এ তথ্য জানান। এর আগে শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ৯টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটের ৭ নম্বর পন্টুনে এ ঘটনা ঘটে।
নৌপুলিশ প্রধান জানান, সকালে অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে একটি দূরপাল্লার বাস ফেরিতে ওঠার উদ্দেশ্যে দৌলতদিয়া ঘাটের পন্টুনের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় পন্টুনে দায়িত্বরত দৌলতদিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা বাসটির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে সেটি থামিয়ে যাত্রীদের দ্রুত নেমে যেতে নির্দেশ দেন।
নৌপুলিশের নির্দেশে যাত্রীরা নিরাপদ দূরত্বে সরে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর বাসটির চালক ও হেলপার সেটি ফেরিতে ওঠানোর চেষ্টা করেন। ঠিক সেই মুহূর্তে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পন্টুন থেকে সরাসরি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।
নৌপুলিশ প্রধান আরও বলেন, ঘটনার পরপরই কর্তব্যরত নৌপুলিশের সদস্যরা তাৎক্ষণিক উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। তাদের দ্রুত তৎপরতায় বাসের চালক ও হেলপারকে জীবিত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
নৌপুলিশের এই দায়িত্বশীল ও মানবিক ভূমিকার কারণে অর্ধশতাধিক যাত্রী সম্ভাব্য বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাধারণ মানুষ ও যাত্রীরা নৌপুলিশের দ্রুত সিদ্ধান্ত ও সাহসী ভূমিকার প্রশংসা করেন।
নৌপুলিশ জানিয়েছে, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যে কোনো দুর্ঘটনা বা দুর্যোগে দ্রুত সাড়া দিতে তারা সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।
নৌপুলিশের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. রেজাউল করিম এ তথ্য জানান। এর আগে শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ৯টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটের ৭ নম্বর পন্টুনে এ ঘটনা ঘটে।
নৌপুলিশ প্রধান জানান, সকালে অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে একটি দূরপাল্লার বাস ফেরিতে ওঠার উদ্দেশ্যে দৌলতদিয়া ঘাটের পন্টুনের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় পন্টুনে দায়িত্বরত দৌলতদিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা বাসটির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে সেটি থামিয়ে যাত্রীদের দ্রুত নেমে যেতে নির্দেশ দেন।
নৌপুলিশের নির্দেশে যাত্রীরা নিরাপদ দূরত্বে সরে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর বাসটির চালক ও হেলপার সেটি ফেরিতে ওঠানোর চেষ্টা করেন। ঠিক সেই মুহূর্তে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পন্টুন থেকে সরাসরি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।
নৌপুলিশ প্রধান আরও বলেন, ঘটনার পরপরই কর্তব্যরত নৌপুলিশের সদস্যরা তাৎক্ষণিক উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। তাদের দ্রুত তৎপরতায় বাসের চালক ও হেলপারকে জীবিত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
নৌপুলিশের এই দায়িত্বশীল ও মানবিক ভূমিকার কারণে অর্ধশতাধিক যাত্রী সম্ভাব্য বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাধারণ মানুষ ও যাত্রীরা নৌপুলিশের দ্রুত সিদ্ধান্ত ও সাহসী ভূমিকার প্রশংসা করেন।
নৌপুলিশ জানিয়েছে, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যে কোনো দুর্ঘটনা বা দুর্যোগে দ্রুত সাড়া দিতে তারা সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।