বিজ্ঞাপন
চিকিৎসক বানানোর স্বপ্ন দেখিয়ে শ্যালিকাকে ধর্ষণ, চিকিৎসক গ্রেপ্তার
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৬, ১০:৩৮ পিএম
বিজ্ঞাপন
স্ত্রীর ছোট বোনকে চিকিৎসক বানানোর স্বপ্ন দেখিয়ে ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে যশোরের মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার রাফসান জানিকে (৩৪) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার (২৪ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে যশোর শহরের মুড়ুলি মোড় এলাকার রজনীগন্ধা ফিলিং স্টেশন চত্বর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মণিরামপুর থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ওবায়দুর রহমান জানান, গ্রেপ্তারের পর দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৭ মার্চ ভুক্তভোগী কলেজছাত্রী (১৭) বাদী হয়ে মনিরামপুর থানায় ধর্ষণ মামলা করেন। মামলার পর থেকেই অভিযুক্ত চিকিৎসক আত্মগোপনে ছিলেন।
রাফসান জানি যশোর সদর উপজেলার ঘুরুলিয়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।
৪৮তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তিনি মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগ দেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী তরুণী লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা উপজেলার বাসিন্দা ও রংপুরের একটি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। কয়েক বছর আগে তার দ্বিতীয় বোনের সঙ্গে রাফসান জানির বিয়ে হয়। পরে বোনের দেখভালের কথা বলে তাকে যশোরে নিয়ে আসেন রাফসান।
পড়াশোনার সহায়তার আড়ালে বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দেন এবং একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারে আরো বলা হয়, ২০২৫ সালে মণিরামপুরে একটি বাসায় স্ত্রী পরিচয়ে তিন মাস একসঙ্গে অবস্থান করেন রাফসান। এ সময় তার ছবি ও ভিডিও ধারণ করা হয় বলেও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফাইয়াজ আহমেদ ফয়সাল জানান, পারিবারিক সমস্যার কথা বলে মার্চের মাঝামাঝি থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন রাফসান জানি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।