Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

বাংলাদেশে উবারের কার্যক্রম বন্ধ করছে বিআরটিএ?

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৬, ১০:২৪ পিএম

বাংলাদেশে উবারের কার্যক্রম বন্ধ করছে বিআরটিএ?

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) রাইডশেয়ারিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান উবার বাংলাদেশ লিমিটেডের রাইডিং এনলিস্টমেন্ট সার্টিফিকেট নবায়ন করছে না।

যোগাযোগ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠানটি নবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র সরবরাহে ব্যর্থ হওয়ায় এ অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

গত ২১ মে ২০২৬ তারিখে বিআরটিএর রাইডশেয়ারিং শাখা থেকে উবার বাংলাদেশ লিমিটেডের কান্ট্রি হেড বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিআরটিএ জানায়, উবারের পক্ষ থেকে পাঠানো পত্র পর্যালোচনা করা হয়েছে। তবে বিভিন্ন নির্দেশনা যথাযথভাবে প্রতিপালন না করার কারণে প্রতিষ্ঠানটির এনলিস্টমেন্ট সার্টিফিকেট নবায়ন করা যাচ্ছে না।

এনলিস্টমেন্ট সার্টিফিকেট নবায়নের জন্য উবারকে বেশ কিছু তথ্য ও কাগজপত্র দাখিল করতে বলেছিল বিআরটিএ। এর মধ্যে রয়েছে হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স, ইটিআইএন সার্টিফিকেট ও ভ্যাট সার্টিফিকেট; মোটরযান মালিক ও চালকের সঙ্গে সম্পাদিত ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা চুক্তির তালিকা; যাত্রীর ভ্রমণ তথ্য, ভাড়ার পরিমাণ ও যাত্রা দেখার পদ্ধতির ব্যাখ্যা; অ্যাপ্লিকেশনের অনুমোদনপত্র; ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট ট্রিপ সংখ্যা এবং ওই অর্থবছরে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া মোট ভ্যাটের পরিমাণ।

বিআরটিএর সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মোঃ নুরুল হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ইমেইলে উবার যেসব বিষয় উপস্থাপন করেছে, সেগুলোর মধ্য থেকে যৌক্তিক বিষয়াদিও বিআরটিএ বিবেচনা করবে। পাশাপাশি কমিশন আদায়, ভাড়া ও বিডিং সিস্টেম বন্ধসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে পরবর্তী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৩ মে ২০২৬ তারিখে বিআরটিএ চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে রাইডশেয়ারিং সার্ভিস সংক্রান্ত এক বহুপক্ষীয় সভায় উবারসহ অন্যান্য রাইডশেয়ারিং প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আলোচিত হয়। সভায় উবারের বিডিং সিস্টেম বন্ধ, সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ কমিশন নির্ধারণ, নন-এসি যানবাহনের পরিষেবা বন্ধ ও ভাড়া কাঠামো পুনর্নির্ধারণসহ বেশ কিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ওই সিদ্ধান্তগুলো আগামী ১০ মে ২০২৬-এর মধ্যে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার