বিজ্ঞাপন
সিনিয়র সহ-সভাপতির স্ত্রীর সঙ্গে আবাসিক হোটেলে যুবদল সভাপতি
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬, ০৮:৩৬ পিএম
বিজ্ঞাপন
বরিশালের একটি আবাসিক হোটেল থেকে নিজের স্ত্রীকে টেনে নিয়ে আসছেন এক যুবক। এসময় তিনি অভিযোগ করেন তার স্ত্রী শেওলা বেগম যুবদলের এক নেতার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপনের উদ্দেশে গোপনে ওই হোটেলে অবস্থান করেন।
বুধবার (২০ মে) দুপুরে বরিশাল শহরের একটি আবাসিক হোটেলের সামনের রাস্তায় নিজ স্ত্রীকে হাত ধরে টেনে নিয়ে যেতে দেখা যায়। এমনই এক ভিডিও সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
অভিযোগকারী মো. সবুজ ভোলার বোরহানউদ্দিন পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি। আটক নারী তারই স্ত্রী শেওলা বেগম। এদিকে অভিযুক্ত ওই নেতা একই ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মো. আওলাদ ফরাজি বলে দাবি করেন সবুজ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শেওলা বেগমের স্বামী মো. সবুজ বরিশাল নগরীর হক আবাসিক হোটেলে গিয়ে তাদের আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে আটক করেন। পরে বিষয়টি স্থানীয় নেতাকর্মী ও স্বজনদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
স্বামী মো. সবুজের দাবি, গত ছয় মাস ধরে তার স্ত্রীর সঙ্গে কয়েকজন পুরুষের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। তিনি অভিযোগ করেন, তার স্ত্রীর মোবাইল ফোনে চারজন পুরুষের সঙ্গে মোট প্রায় ৮ লাখ সেকেন্ড কথা বলার তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি আরও দাবি করেন, অভিযুক্ত সভাপতি আওলাদ ফরাজি বিভিন্ন সময় ওই হোটেলে অবস্থান করতেন এবং বিষয়টি তিনি আগে থেকেই সন্দেহ করতেন।
ঘটনার দিন সকাল সাড়ে ৮টার দিকে অভিযুক্তরা ভোলা থেকে স্পিডবোটযোগে বরিশালের উদ্দেশ্যে রওনা হন বলে জানা গেছে।
বোরহানউদ্দিন পৌর যুবদলের সভাপতি মো. হেলাল মুন্সি ও সাধারণ সম্পাদক জাফর মৃধা বলেন, ঘটনাটি আমরা শুনেছি। বিষয়টি সাংগঠনিকভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে কেউ যেন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, সে বিষয়ে দলগুলোর আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।