Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

পে স্কেলের চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি করে সচিব কমিটির বৈঠক শেষ

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬, ০৪:৪২ পিএম

পে স্কেলের চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি করে সচিব কমিটির বৈঠক শেষ

বিজ্ঞাপন

সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত রূপ নিতে যাচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সকাল ১১টায় শুরু হওয়া পর্যালোচনা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি দুপুরে শেষ হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে বৈঠকের সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত জানা না গেলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, এখান থেকেই বেতনকাঠামোর চূড়ান্ত রূপরেখা গোছানো হয়েছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১ জুলাই থেকেই এই নতুন পে স্কেল কার্যকর হতে যাচ্ছে।

কমিটির দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছে, মূল্যস্ফীতির চাপ বিবেচনা করে এবার নিম্ন ও মধ্যম স্তরের কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির হার তুলনামূলক বেশি রাখা হচ্ছে। বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখেই সর্বনিম্ন গ্রেডের মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন গ্রেডের বৈষম্য কমানোর সুপারিশও থাকছে।

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, বর্তমান অর্থনৈতিক কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও নতুন বেতনকাঠামো জুলাই থেকেই বাস্তবায়ন করা হবে। ১০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা নতুন বেতনের সঙ্গে সমন্বয় করায় সরকারের অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ কমে ৩৭ হাজার কোটি টাকায় নেমে এসেছে। তবে বাজেটের সীমাবদ্ধতার কারণে কমিশনের সম্পূর্ণ সুপারিশ একবারে নয়, বরং তিন ধাপে বাস্তবায়ন হতে পারে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বাজেট সংক্রান্ত সাম্প্রতিক বৈঠকে এই রূপরেখাই চূড়ান্ত করা হয়েছে।

নতুন পে স্কেলে পেনশনভোগীদের সুবিধাও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। বিশেষ করে মাসে ২০ হাজার টাকার কম পেনশন পান এমন ব্যক্তিদের পেনশন প্রায় ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী, শিক্ষক, পুলিশ, স্বাস্থ্যকর্মী ও বিচার বিভাগীয় কর্মচারীসহ সরকারি সব খাতের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এর অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। আজ শেষ হওয়া কমিটির বৈঠকের এই সুপারিশগুলো চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য দ্রুতই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হবে এবং সবুজ সংকেত মিললেই অর্থ মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করবে।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার