Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

রাজাকার নিয়ে কথা বলায় সংসদে উত্তেজনা

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০৬ পিএম

রাজাকার নিয়ে কথা বলায় সংসদে উত্তেজনা

বিজ্ঞাপন

রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে ফজলুর রহমানের বক্তব্য নিয়ে হট্টগোল সৃষ্টি হয়েছে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য দেয়ার সময় এই ঘটনা ঘটেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রথম বারের মতো বক্তব্য দিতে গিয়ে অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বলেন, বিরোধী দলে যারা বসে আছেন, অনেকেই আমাকে ফজা পাগলা বলে ডাকে, তারা নাকি সভ্য। বিরোধী দলের নেতা বলেছেন উনি নাকি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের লোক, শহীদ পরিবারের লোক এবং উনি জামায়াতে ইসলামী করেন। এটা ডাবল অপরাধ।

এই সময় বিরোধী দল থেকে তীব্র বিরোধিতা শুরু হয় সংসদে। পরবর্তীতে স্পিকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এরপর বিরোধী দলের নেতা এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে বলেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে আমাকে আঘাত করেছেন। তিনি বলেছেন—যে আমি বলে থাকি, আমি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য। তিনি এটাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। এরপর তিনি বলেছেন কোনো মুক্তিযোদ্ধা বা কোনো শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের কেউ জামায়াতে ইসলামী করতে পারেন না। তাহলে ওনাকে জিজ্ঞেস করে করা (জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি করা) লাগবে? এটি আমার নাগরিক অধিকার।

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, আমি কোন দল করব, আমি কোন আদর্শের রাজনীতি করব; এর উপর হস্তক্ষেপ করার নূন্যতম অধিকার রাষ্ট্র কিংবা সংবিধান কাউকে দেয়নি। আমি এটার তীব্র নিন্দা জানাই। আমার আইডেন্টিটি (পরিচয়) নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে, এটা তিনি গুরুতর অপরাধ করেছেন। আবার তিনি আমার আদর্শ বাছাইয়ের বিষয়ে প্রশ্ন তোলে বাড়তি অপরাধ করেছেন। আমি অনুরোধ করব মাননীয় স্পিকার, তার বক্তব্যের অসংসদীয় অংশ বাদ দেয়া হোক’—বক্তব্যে যোগ করেন ডা. শফিকুর রহমান।

এর আগে ফজলুর রহমান আরও বলেন, এ বাংলায় শুধু বেলি-চামেলি আর জুঁই ফুল ফোটে না, রক্ত গোলাপ ও রক্ত জবাও ফোটে। এ দেশে শুধু কোকিল ডাকে না, এ দেশের জঙ্গলে রয়েল বেঙ্গল টাইগারও থাকে। যতদিন রয়েল বেঙ্গল টাইগার থাকবে, মুক্তিযোদ্ধা জিতবে, রাজাকার কোনোদিন এই দেশে জয়লাভ করতে পারবে না।

নিজের বক্তব্য শুরু করার আগে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এমপি ফজলুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করছি-হাওর অঞ্চলকে দয়া করে এবার বাঁচান। হাওর অঞ্চলকে সঠিকভাবে বাঁচাতে হলে ৩৫টি জেলা নিয়ে একটি হাওর মন্ত্রণালয় করতে হবে।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার