বিজ্ঞাপন
একীভূত ৫ ব্যাংকের গ্রাহকের টাকা ফেরতের বিষয়ে যা বললেন অর্থমন্ত্রী
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫৫ পিএম
বিজ্ঞাপন
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, একীভূত হওয়া পাঁচ ব্যাংকের যেসকল গ্রাহক গুরুতর রোগে আক্রান্ত তাদের জমানো টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে বাগেরহাট-৪ আসনের সাংসদ মো. আব্দুল আলীমের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য জানান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৮তম দিনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলীম তার প্রশ্নে বলেন, “বর্তমানে দেশে বেসরকারি পর্যায়ে পরিচালিত অনুমোদিত ব্যাংকের সংখ্যা কত, বিগত সরকারের ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনৈতিক অবস্থার কারণে কিছু কিছু ব্যাংক আমানতকারীদের টাকা চাহিদা মোতাবেক দিতে পারছে না, এই বিষয়ে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে কিনা?”
জবাবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “বর্তমানে দেশে বেসরকারি পর্যায়ে পরিচালিত (বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক) অনুমোদিত ব্যাংকের সংখ্যা ৪৪টি। দুর্দশাগ্রস্ত ৫টি ব্যাংকের আমানতকারীদের টাকা ফেরত প্রদানের লক্ষ্যে ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ ২০২৫-এর আওতায় ব্যাংক রেজল্যুশন স্কীম ২০২৫ প্রণয়নপূর্বক প্রাথমিকভাবে সুরক্ষিত আমানত হিসেবে প্রত্যেক অপ্রাতিষ্ঠানিক আমানতকারীকে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত পরিশোধ করা হচ্ছে। অবশিষ্ট টাকা স্কিম অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে পরিশোধ করা হবে। এছাড়া কিডনি ডায়ালাইসিস ও ক্যান্সারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী টাকা ছাড় করা হচ্ছে। অন্যান্য গুরুতর রোগের (যেমন ব্রেইনটিউমার, হার্ট ও ফুসফুস-সংক্রান্ত অপারেশন) ক্ষেত্রেও অর্থ ছাড়করণের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে আর্থিক খাত স্থিতিশীল করতে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি দুর্বল ব্যাংক একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংক গঠন করেছে সরকার। যে পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করা হয়েছে সেগুলো হচ্ছে— ১) এক্সিম ব্যাংক ২) ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক (এফএসআইবিএল), ৩) সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিএল), ৪) ইউনিয়ন ব্যাংক এবং ৫) গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক। এই ব্যাংকগুলোর গ্রাহকেরা তাদের জমানো টাকা ফেরত পাচ্ছে না।