বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) শিক্ষকদের নিয়োগ পদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে। নতুন ব্যবস্থায় শিক্ষক নিবন্ধন সনদের জন্য আলাদা করে কোনো পরীক্ষা দিতে হবে না প্রার্থীদের।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, সরাসরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে এবং আগ্রহীরা সেখানে আবেদন করবেন। এরপর বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) পরীক্ষা ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য উপযুক্ত হিসেবে গণ্য করা হবে।
এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন
তিনি বলেন, প্রথমবারের মতো এবার সরাসরি শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। শূন্যপদের চাহিদা সংগ্রহ করা হয়েছে। এখন তা যাচাই-বাছাই শেষে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে।
কবে নাগাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট করে দিনক্ষণ বলা সম্ভব নয়। তবে আশা করা হচ্ছে, এক সপ্তাহের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা সম্ভব হবে।
এনটিআরসিএ সূত্র জানায়, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মিলিয়ে মোট ৭৭ হাজার ৭৯৯টি শূন্যপদ রয়েছে। এসব শূন্যপদ যাচাই-বাছাই শেষে বিজ্ঞপ্তি চূড়ান্ত করা হবে। এরপর তা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা হবে। অনুমোদন পেলে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর ২০০ নম্বরের বহুনির্বাচনি পরীক্ষা নেওয়া হবে। এই ধাপে সফল প্রার্থীরা ২০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। উভয় পরীক্ষা শেষে প্রকাশ করা হবে চূড়ান্ত ফলাফল। লিখিত ও মৌখিক—দুটি পর্যায়েই আলাদাভাবে ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর অর্জন বাধ্যতামূলক থাকবে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কেবল চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদেরই এনটিআরসিএ থেকে শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য সনদ দেওয়া হবে।
বর্তমানে দেশে বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট সংখ্যা ৩৪ হাজার ১২৯টি। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৫ লাখ ৯৮ হাজার ৯৯৪ জন শিক্ষক এবং ২ লাখ ৬ হাজার ৬৯৯ জন কর্মচারী কর্মরত আছেন।