Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

২ কোটি টাকার বৃত্তি নিয়ে চা বাগান থেকে হার্ভার্ডে শান্তা যাদব

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫৭ পিএম

২ কোটি টাকার বৃত্তি নিয়ে চা বাগান থেকে হার্ভার্ডে শান্তা যাদব

বিজ্ঞাপন

শান্তা যাদব লংলা চা-বাগানের অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক লক্ষ্মী নারায়ণ যাদব এবং রীনা যাদবের সন্তান। চা-বাগানের পিছুটান, নারীশিক্ষার সীমাবদ্ধতার বাঁধা পেরিয়ে অদম্য স্বপ্নপূরণের পথে এক অনন্য মাইলফলক অর্জন করেছেন তিনি।

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার লংলা চা বাগানের শ্রমিক পরিবারের মেয়ে শান্তা যাদব যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে জনস্বাস্থ্য বিষয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য মনোনীত হয়েছেন। প্রায় ২ কোটি টাকার স্নাতকোত্তর কোর্সের প্রায় পুরোটা পাওয়াার আশা শান্তার। এরই মধ্যে এক কোটি টাকার বৃত্তির সুখবর পেয়েছেন তিনি।

শান্তা যাদব লংলা চা-বাগানের অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক লক্ষ্মী নারায়ণ যাদব এবং রীনা যাদবের সন্তান। চা-বাগানের পিছুটান, নারীশিক্ষার সীমাবদ্ধতার বাঁধা পেরিয়ে অদম্য স্বপ্নপূরণের পথে এক অনন্য মাইলফলক অর্জন করেছেন তিনি।

শান্তা যাদব লংলা চা-বাগান থেকে প্রাথমিক শিক্ষা। এরপর কুলাউড়ার ক্যামেলিয়া ডানকান ফাউন্ডেশন স্কুলে এসএসসি। শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় চা ছাত্র সংসদের শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে কাজ করছেন, যার মাধ্যমে তিনি চা-বাগানের শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় উৎসাহিত করে আসছেন। তার এই অসাধারণ সাফল্য চা-বাগানের শিক্ষার্থীসহ পুরো জনগোষ্ঠীর জন্য এক অনুপ্রেরণার গল্প।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছানোর বিষয়ে শান্তা যাদব বলেন, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন থেকে স্নাতক সম্পন্ন করার পর আমি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে থাকি। হার্ভার্ডসহ আমি ১৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেয়েছিলাম। আমার ইচ্ছা ছিল হার্ভার্ডে পড়ার।

চা বাগান উঠে আসার বিষয়ে শান্ত বলেন, আপনি কোন জায়গা থেকে এসেছেন এটা বিষয় না, বিষয় হচ্ছে আপনার ইচ্ছা শক্তি, আপনার স্বপ্ন। ভবিষ্যতে তিনি এই অঞ্চলের চা বাগানের শ্রমিকদের নিয়ে কাজ করবেন বলে জানান।

শান্তা যাদবের বিষয়ে আবু সোবহান ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ম্যানেজিং ট্রাস্টি নাসরিন সোবহান বলেন, শান্তা কোটায় হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেলেও তার ইংরেজি বলার ধরন, লেখা অন্যদের চেয়ে ভালো।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার