বিজ্ঞাপন
ভোটকেন্দ্রে ঢুকে নেকাব-বোরকা খুলতে হবে নারীদের
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:২১ এএম
বিজ্ঞাপন
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিতে হলে নারী ভোটার মুখ দেখাতে হবে। পরিচয় যাচাইয়ের স্বার্থে এবং ভুয়া ভোটার ঠেকাতে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তবে ইসি সূত্র জানিয়েছে, পর্দানশিন নারীদের ক্ষেত্রে পুরুষ কর্মকর্তার সামনে নেকাব বা বোরকা খুলতে বাধ্য করা যাবে না। এজন্য ভোটকেন্দ্রগুলোতে মহিলা পোলিং অফিসার ও নারী আনসার সদস্য নিয়োগ করা হবে।
ইসি সূত্র জানিয়েছে, প্রত্যেক ভোটকেন্দ্রে ছবিসহ ভোটার তালিকা থাকবে জানিয়ে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার এ বিষয়ে বলেছেন, “আইন অনুযায়ী ভোট দেওয়ার আগে ভোটারের চেহারার সঙ্গে তালিকাভুক্ত ছবির মিল করতেই হবে। এটি ভোট পরিচালনা বিধির বাধ্যতামূলক অংশ “
তিনি আরো বলেন, কেউ যদি মুখ না দেখান, তাহলে পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে ব্যালট পেপার দেওয়া যাবে না। তবে পর্দানশিন নারীদের বিষয়টি আলাদাভাবে বিবেচনা করছে কমিশন। তিনি বলেন, ইসি সূত্র জানিয়েছে, ভোটের স্বচ্ছতা ও ভুয়া ভোট রোধে প্রতিটি কেন্দ্রে ছবিসহ ভোটার তালিকার সঙ্গে ভোটারের চেহারা মিলিয়ে ব্যালট পেপার দিতে হবে। তবে কোনো নারী যদি মহিলা কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে মুখ দেখাতে অনিচ্ছুক হন, সেক্ষেত্রে তাকে জোর করে ভোট দিতে বাধ্য করা যাবে না এবং ভোট না দিলে তার বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ নেই।
এবারের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ করা হবে ব্যালট পেপারে। ফলে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মতো আঙুলের ছাপ মিলিয়ে পরিচয় যাচাইয়ের সুযোগ না থাকায় ভোটারের চেহারা ও ছবি মিলিয়ে দেখা হবে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ (আরপিও) অনুযায়ী, ভোটাধিকার প্রয়োগের সময় ভোটারের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া নির্বাচন কর্মকর্তার আইনগত দায়িত্ব। তবে একই সঙ্গে আরপিও ও ভোট পরিচালনা বিধিমালায় ভোটারের মর্যাদা, সম্মান ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা রক্ষার বিষয়টি আমলে নিচ্ছে ইসি।
বিজ্ঞাপন