বিজ্ঞাপন
কুমিল্লা-৪: বিএনপিহীন ভোটে এনসিপির হাসনাত কতটা সুবিধা পাবেন?
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৫৭ এএম
বিজ্ঞাপন
কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে বিএনপির কোনো প্রার্থী না থাকার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল বিভাগে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর শেষ চেষ্টা ব্যর্থ হলে আসনটিতে প্রার্থীশূন্য হবে বিএনপি। বিশ্লেষকেরা বলছেন, মঞ্জুর না থাকলে ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর লড়াই কিছুটা সহজ হবে। তবে মঞ্জুর বৈধতা না পেলে গণঅধিকার পরিষদের জসিম উদ্দিনকে সমর্থন দিতে পারে বিএনপি।
একটি পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়ন নিয়ে কুমিল্লা-৪ আসন। সেখানে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেলেও নির্বাচন কমিশনে (ইসি) অবৈধ হয়েছেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। তাঁর মনোনয়নের বৈধতা নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) হাসনাত আবদুল্লাহর অভিযোগের কারণে তফসিলের পর থেকেই আলোচনায় আসনটি। ঋণখেলাপির তথ্য গোপন করার অভিযোগে ১৭ জানুয়ারি ইসিতে মঞ্জুরুল আহসানের মনোনয়ন বাতিল হয়। পরে হাইকোর্টও তাঁর রিট আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন।
দেবীদ্বারে এখন অনেকটাই একপাক্ষিক প্রচারণা চলছে। মঞ্জুরুল মুন্সী বৈধতা না পেলে ১১-দলীয় জোটের হাসনাত আবদুল্লাহর বিপরীতে বিএনপি জোটের প্রার্থী নিয়ে দেখা দেবে নতুন সমীকরণ।
স্থানীয় একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, ‘প্রতিযোগিতা না থাকলে আসলে নির্বাচন থাকে না। বলা হবে, আপনি তো এমনিতেই পাস করে ফেলেছেন। এ পরিস্থিতি যদি হয়, তাহলে দল ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’
আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর পর ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন বৈধ প্রার্থীরা। চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধসহ নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে চাইছেন সমর্থন।
এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘কারা ঋণখেলাপি, কারা দুর্নীতিগ্রস্ত—এগুলো আপনারা জানেন ও বোঝেন। এগুলো আমি আপনাদের ওপরই ছেড়ে দিলাম।’
এ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী জসিম উদ্দিন বলেন, ‘জনগণের যে আকাঙ্ক্ষা, তা হলো দেবীদ্বারের উন্নয়নমূলক কাজ। আমি যদি নির্বাচিত হই, তবে অবশ্যই এগুলো বাস্তবায়ন করব।’
ভোটাররা বলছেন, তাঁরা সুশৃঙ্খল পরিবেশে ভোট দিতে চান। প্রার্থীর রাজনৈতিক পরিচয় ছাড়াও গুরুত্ব পাবে ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা। কুমিল্লা-৪ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১০ হাজার ৫৫৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ১৫ হাজার ২৩৭ এবং নারী ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩১৯ জন।
বিজ্ঞাপন