Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

১৭৮ আসনে এগিয়ে বিএনপি : জরিপ

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৫৫ এএম

১৭৮ আসনে এগিয়ে বিএনপি : জরিপ

বিজ্ঞাপন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন সংসদীয় আসনে পরিচালিত মাঠপর্যায়ের জরিপে ভোটের সমীকরণ ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এ নিয়ে প্রতিদিনের বাংলাদেশ একটি প্রাথমিক জরিপ পরিচালনা করে। যেখানে উঠে এসেছে সারাদেশের চিত্র:

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি (জাপা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ মোট ৫১টি দল মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে। প্রার্থীরাও তাদের পছন্দের প্রতীক নিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন নির্বাচনী মাঠ। এরই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় আসনগুলোতে ভোটারদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে তাদের নিজ নিজ পছন্দের প্রার্থীরা। দলীয় কমীদের সঙ্গে সাধারণ ভোটাররাও তাদের পছন্দের প্রার্থীর জন্য প্রচারণা করছেন।

প্রতিদিনের বাংলাদেশের স্থানীয় অফিস ও প্রতিবেদকদের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, অধিকাংশ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এগিয়ে থাকলেও বহু এলাকায় দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থী, জামায়াতে ইসলামী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কারণে লড়াই হাড্ডাহাড্ডি রূপ নিয়েছে।

বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল, খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের কয়েকটি আসনে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে, অন্যদিকে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক আসনে বিদ্রোহী প্রার্থীরা ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বিভাগওয়ারী বিস্তারিত খবর-

ঢাকা বিভাগ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সরগরম হয়ে উঠেছে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন। বিভাগের বিভিন্ন আসনের প্রার্থীরা শুরু করেছেন নির্বাচনী প্রচারণা। ছুটে চলছেন হাট-বাজার, অলিগলি, পথঘাট-মাঠসহ বাড়ি।

নারায়ণগঞ্জ ৫টি আসনের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) বিএনপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভুইয়া দিপু বিজয়ী হতে পারে। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আনোয়ার হোসেন মোল্লা। নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) বিএনপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ বিজয়ী হতে পারে। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ইলিয়াছ মোল্লা ও এ আসনের সাবেক এমপি আতাউর রহমান খান আঙ্গুর। নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নান বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাবেক মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও এ আসনের সাবেক এমপি অধ্যাপক রেজাউল করিম। নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সদর আংশিক) আসনে বিএনপির জোট প্রার্থী জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের মনির হোসেন কাসেমী হেরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ তাকে মনোনয়ন দেওয়ায় স্থানীয় বিএনপি নেতারা ক্ষুব্ধ। পাশাপাশি তার বিপরীতে বিএনপির সাবেক এমপি জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থিী মোহাম্মদ আলী ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত শিল্পপতি শাহ আলম নির্বাচন করছেন। এ আসনে মোহাম্মদ আলী বিজয়ী হয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম বিজয়ী হবে। তবে হেভিওয়েট জাতীয় পার্টির বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেনের সঙ্গে লড়াই হবে।

মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে (শ্রীনগর ও সিরাজদিখান উপজেলা) ধানের শীষ প্রতীকের বিএনপির প্রার্থী সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এগিয়ে আছেন। তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সদ্য শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদ থেকে বহিষ্কৃত আলহাজ মো. মমিন আলীর সঙ্গে। মুন্সীগঞ্জ-২ (লৌহজং ও টঙ্গীবাড়ি উপজেলা) এখানে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী (ধানের শীষ) হয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ। এখানে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকায় তার বিরুদ্ধে শক্তিশালী তেমন প্রার্থী নেই। এখানে অনেকটাই এগিয়ে আছেন সালাম আজাদ। মুন্সীগঞ্জ-৩ (সদর ও গজারিয়া উপজেলা) এখানে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী (ধানের শীষ) কেন্দ্রীয় বিএনপির সমাজকল্যাণ সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন। এখানে তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সদ্য জেলা বিএনপির সদস্য সচিব পদ থেকে বহিষ্কৃত মো. মহিউদ্দিন আহমেদ।

টাঙ্গাইল

টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) বিএনপির প্রার্থী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন (ধানের শীষ)। টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) বিএনপির প্রার্থী আব্দুস সালাম পিন্টু (ধানের শীষ)। টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) বিএনপির প্রার্থী এসএম ওবায়দুল হক (ধানের শীষ) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী লুৎফর রহমান খান আজাদ (মোটরসাইকেল)। টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী (হাঁস)। টাঙ্গাইল-৫ (সদর) বিএনপির প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু (ধানের শীষ) ও স্বতন্ত্র ফরহাদ ইকবাল (হরিণ)। টাঙ্গাইল-৬ (দেলদুয়ার-নাগরপুর) বিএনপির প্রার্থী রবিউল আওয়াল (ধানের শীষ) ও জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী ডা. একেএম আব্দুল হামিদ (দাঁড়িপাল্লা)। এদের দুইজনের মধ্যে বিএনপির পাল্লা ভারী। টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) বিএনপির প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী (ধানের শীষ)। টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর (হরিণ) নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

নরসিংদী

নরসিংদীর ৫টি আসনে প্রচারণা ও জনগণের আস্থা অর্জনে নরসিংদী-১ (সদর) বিএনপির মনোনীত প্রার্থী খায়রুল কবির খোকন। নরসিংদী-২ (পলাশ) বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ড. আবদুল মঈন খান। নরসিংদী-৩ (শিবপুর) বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মনজুর এলাহী। নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাব) বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী জামাল আহমেদ চৌধুরী এগিয়ে আছেন।

গাজীপুর :

গাজীপুর-১ সংসদীয় আসনে প্রচারণায় এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি প্রার্থী মজিবুর রহমান। গাজীপুর-২ আসনেও প্রচারণায় এগিয়ে বিএনপি প্রার্থী এম মঞ্জুরুল করিম রনি, গাজীপুর-৩ আসনে প্রচারণায় এগিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইজাদুর রহৃান মিলন, গাজীপুর-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী শাহ রিয়াজুল হান্নান ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সালাহউদ্দিন আইউবী দুজনেই সমান প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। গাজীপুর-৫ আসনে এগিয়ে জামায়াত প্রার্থী খায়রুল হাসান।

রাজবাড়ী :

রাজবাড়ী-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম (ধানের শীষ) প্রতীকে এগিয়ে রয়েছেন। রাজবাড়ী-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-রশীদ (ধানের শীষ) এগিয়ে রয়েছেন।

কিশোরগঞ্জ :

কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রার্থী মো. মাজহারুল ইসলাম কিছুটা এগিয়ে থাকলেও এ আসনে স্বতন্ত্র (বিএনপি বিদ্রোহী) প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম খান চুন্নুর ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হেদায়েতুল্লাহ হাদীর সঙ্গে লড়াই হতে পারে।

কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন এগিয়ে রয়েছেন। কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রার্থী ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তবে তার বিপক্ষে রয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক কর্নেল (অব.) ডা. জেহাদ খান। কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ফজলুর রহমান এগিয়ে রয়েছেন। এ ছাড়া মাঠে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী রেহা কবির সিগমা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. রোকন রেজা শেখ। কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী-বাজিতপুর) আসনের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদার সম্ভাবনা বেশি। স্বতন্ত্র বিএনপি বিদ্রোহী প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল, স্বতন্ত্র প্রার্থী এএইচএম কাইয়ুম হাসনাত কাইয়ুম। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক মো. রমজান আলী। কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রার্থী মো. শরীফুল আলম এগিয়ে।

ফরিদপুর :

ফরিদপুর-১ (আলফাডাঙ্গা, বোয়ালমারী ও মধুখালী) আসনে এগিয়ে রয়েছেন জামায়াত মনোনীত জোটের প্রার্থী প্রফেসর ড. ইলিয়াস মোল্লা। ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা ও সালথা উপজেলা) আসনে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও দলটির মনোনীত প্রার্থী শামা ওবায়েদ। ফরিদপুর-৩ (সদর আসন) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী চৌধুরী নায়াব ইউসুফ এগিয়ে রয়েছেন। ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনে এগিয়ে রয়েছেন জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বাবুল।

গোপালগঞ্জ :

গোপালগঞ্জ-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশ্রাফুল আলমের (ফুটবল) সঙ্গে বিএনপির প্রার্থী সেলিমুজ্জামান সেলিম প্রচার-প্রচারণায় সমানতালে এগিয়ে রয়েছে। গোপালগঞ্জ-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা এমএইচ খান মঞ্জুর (হরিণ) সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুজ্জামান ভূঁইয়া (টেলিফোন) সমানতালে এগিয়ে রয়েছে। গোপালগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির এসএম জিলানীর সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান সমানতালে এগিয়ে রয়েছেন।

রংপুর বিভাগ

রংপুর

রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া ও আংশিক সিটি করপোরেশন) আসনে জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার মঞ্জুম আলী, রংপুর-২ (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ) আসনে জাতীয় পার্টির আনিছুল ইসলাম মন্ডল (লাঙ্গল), রংপুর-৩ (সদর ও সিটি করপোরেশন) আসনে জাতীয় পার্টির জিএম কাদের (লাঙ্গল), রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনে বিএনপির এমদাদুল হক ভরসা (ধানের শীষ), রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে জামায়াতের অধ্যাপক গোলাম রব্বানী (দাঁড়িপাল্লা), রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনে বিএনপির সাইফুল ইসলাম (ধানের শীষ) প্রার্থী এগিয়ে রয়েছেন। লালমনিরহাট : লালমনিরহাট-১ (পাটগ্রাম-হাতীবান্ধা) আসনে জামায়াতের আনোয়ারুল ইসলাম রাজু (দাঁড়িপাল্লা)। লালমনিরহাট-২ (আদিতমারী-কালীগঞ্জ) আসনে বিএনপির রোকন উদ্দিন বাবুল (ধানের শীষ) এবং লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনে বিএনপির আসাদুল হাবীব দুলু (ধানের শীষ) এগিয়ে।

ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (ধানের শীষ), ঠাকুরগাঁও ২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল হাকিম (দাঁড়িপাল্লা), ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী জাহিদুর রহমান (ধানের শীষ)।

কুড়িগ্রাম

কুড়িগ্রাম-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী সাইফুল রহমান রানা (ধানের শীষ), কুড়িগ্রাম-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ সোহেল (ধানের শীষ), কুড়িগ্রাম-৩ আসনে জামায়াতের ব্যারিস্টার মাহবুব আলম সালেহ (দাঁড়িপাল্লা), কুড়িগ্রাম-৪ আসনে জামায়াতের মোস্তাফিজুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা)।

গাইবান্ধা

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক মাজেদুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা), গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল করিম (দাঁড়িপাল্লা), গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাহপুর-পলাশবাড়ি) আসনে বিএনপির ডা. মইনুল হাসান সাদিক (ধানের শীষ), গাইবান্ধা-৪ ( গোবিন্দগঞ্জ) আসনে জামায়াতের ডা. আব্দুর রহিম সরকার (দাঁড়িপাল্লা), গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনে বিএনপির ফারুক আলম সরকার (ধানের শীষ)।

দিনাজপুর

দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ-কাহারোল) আসনে জামায়াতের মতিউর রহমান (দাঁড়িপাল্লা), দিনাজপুর-২ (বিরল-বোচাগঞ্জ) আসনে বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী বজলুর রশীদ, দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনে জামায়াতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাইনুল আলম (দাঁড়িপাল্লা), দিনাজপুর-৪ (চিরিরবন্দর ও খানসামা) আসনে বিএনপির আখতারুজ্জামান (ধানের শীষ), দিনাজপুর-৫ (ফুলবাড়ী-পার্বতীপুর) আসনে স্বতন্ত্র রেজওয়ানুল হক, দিনাজপুর-৬ (বিরামপুর-নবাবগঞ্জ- ঘোড়াঘাট-হাকিমপুর) আসনে বিএনপির ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন (ধানের শীষ)।

পঞ্চগড়

পঞ্চগড়-১ (সদর, তেঁতুলিয়া ও আটোয়ারী) আসনে বিএনপির প্রার্থী নওশাদ জমির (ধানের শীষ)। পঞ্চগড়-২ (বোদা ও দেবীগঞ্জ) আসনে জামায়াতের সফিউল আলম (দাঁড়িপাল্লা)।

নীলফামারী

নীলফামারীর ৪টি আসনে বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পাশাপাশি একাধিক প্রার্থী মাঠে থাকায় ভোটের হিসাব জটিল। এ আসনের মূল ফ্যাক্ট অবাঙালি, নতুন ভোটার ও সনাতনীদের ভোট।

নীলফামারী-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মাওলানা আব্দুস সাত্তার, বিএনপি জোটের শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মাওলানা মো. মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুল জলিল, জাতীয় পার্টির মেজর অবসরপ্রাপ্ত তসলিম উদ্দিন রয়েছেন। তবে জামায়াতের সম্ভাবনা বেশি। নীলফামারী-২ আসনে বিএনপির শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন, জামায়াতে ইসলামীর আল ফারুক আব্দুল লতিফ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাসিবুল ইসলাম থাকলেও বিএনপির সম্ভাবনা বেশি।

নীলফামারী-৩ আসনে বিএনপির সৈয়দ আলী, জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমজাদ হোসেন। এ আসনে বিএনপি এগিয়ে। নীলফামারী-৪ আসনে বিএনপির মো. আব্দুল গফুর সরকার, জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল মুনতাকিম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শহিদুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির মো. সিদ্দিকুল আলম রয়েছেন। আসনটিতে এখনও বিএনপি এগিয়ে রয়েছেন।

রাজশাহী বিভাগ

রাজশাহী

রাজশাহী-১ আসনে ভোটযুদ্ধ হবে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের সঙ্গে বিএনপি প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) শফিক উদ্দীনের। আসনটিতে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে ভোটযুদ্ধ হবে। জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির দুই প্রার্থীর সমর্থন তুঙ্গে। রাজশাহী-২ আসনে ভোটযুদ্ধ হবে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা, জাহাঙ্গীরের সঙ্গে আসনটির সাবেক এমপি ও রাসিক মেয়র বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিনুর সঙ্গে। বিদ্যামন পরিস্থিতিতে বিএনপির প্রার্থী এগিয়ে রয়েছেন। রাজশাহী-৩ আসনে ভোটযুদ্ধ হবে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে আসনটির বিএনপির প্রার্থী মো. শফিকুল হক মিলনের সঙ্গে। বিএনপির প্রার্থী এগিয়ে রয়েছেন।

রাজশাহী-৪ আসনে ভোটযুদ্ধ হবে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল বারী সরদারের সঙ্গে বিএনপির প্রার্থী ডিএমডি জিয়াউর রহমানের। এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি প্রার্থী। রাজশাহী-৫ আসনের ভোটযুদ্ধ হবে বিএনপির প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলামের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী জনজুর রহমানের। বিএনপির বিদ্রোহীরা হলেন মো. রায়হান কাওসার ও রেজাউল করিম। রাজশাহী-৬ আসনে ভোটযুদ্ধ হবে জামায়াতের প্রার্থী মো. নাজমুল হকের সঙ্গে বিএনপির প্রার্থী মো. আবু সাঈদ চাঁদের। এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি প্রার্থী চাঁদ।

নওগাঁ

নওগাঁ-১ (নিয়ামতপুর, পোরশা ও সাপাহার) আসনে যুদ্ধ হবে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ও সাবেক এমপি ডা. সালেক চৌধুরী, বিএনিপ মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মাহাবুল আলমের মধ্যে। এগিয়ে রয়েছে বিএনপি প্রার্থী। নওগাঁ-২ (পত্নীতলা-ধামুইরহাট) আসনে ভোটযুদ্ধ হবে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক এমপি মো. শামসুজ্জামান খান এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. এনামুল হকের মধ্যে। এগিয়ে রয়েছে বিএনপি প্রার্থী। নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) আসনে ভোটযুদ্ধ হবে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ও সাবেক ডেপুটি স্পিকারের সন্তান পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনি, বিএনপির মো. ফজলে বাবুল এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মাহফুজুর রহমানের মধ্যে। পরিস্থিতি বিবেচনায় এগিয়ে রয়েছে বিএনপি প্রার্থী। নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনে ভোটযুদ্ধ হবে বিএনপির প্রার্থী ডা. ইকরামুল বারী টিপু এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুর রাকিবের মধ্যে। পরিস্থিতি বিবেচনায় এগিয়ে রয়েছে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী। নওগাঁ-৫ (সদর) আসনে ভোটযুদ্ধ হবে বিএনির প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম ধলু এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অ্যাড. আবু সাদাত মো. সায়েম মধ্যে। এগিয়ে রয়েছে বিএনপি প্রার্থী। নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রানীনগর) আসনে ভোটযুদ্ধ হবে বিএনপির প্রার্থী শেখ মো. রেজাউল ইসলাম, বিএনপির বিদ্রোহী সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবির এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী খবিরুল ইসলামের মধ্যে। পরিস্থিতি বিবেচনায় এগিয়ে রয়েছে বিএনপি।

বগুড়া

বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে ভোটযুদ্ধ হবে বিএনির প্রার্থী ও সাবেক এমপি কাজী রফিকুল ইসলাম এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. শাহাবুদ্দিনের মধ্যে। এগিয়ে রয়েছে বিএনপির প্রার্থী। বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে ভোটযুদ্ধ হবে বিএনির প্রার্থী মীর শাহে আলম ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবুল আজাদ মো. শাহাদুজ্জামানে মধ্যে। এই আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্ন। পরিস্থিতি বিবেচনায় এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি প্রার্থী।

বগুড়া-৩ (আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া) আসনে ভোটযুদ্ধ হবে বিএনির প্রার্থী আব্দুল মোহিত তালুকদার ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নূর মোহাম্মদের মধ্যে। পরিস্থিতি বিবেচনায় এগিয়ে রয়েছে বিএনপির প্রার্থী। বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দিগ্রাম) আসনে ভোটযুদ্ধ হবে বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক এমপি মোশাররফ হোসেন এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোস্তফা ফয়সালের মধ্যে। পরিস্থিতি বিবেচনায় দুইজন প্রার্থীই এগিয়ে রয়েছেন। বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে ভোটযুদ্ধ হবে বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক এমপি গোলাম মো. শিরাজ এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দবিবুর রহমানের মধ্যে। পরিস্থিতি বিবেচনায় এগিয়ে রয়েছে বিএনপির প্রার্থী। বগুড়া-৬ (সদর) আসনে ভোটযুদ্ধ হবে বিএনপির প্রার্থী ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেলের মধ্যে। পরিস্থিতি বিবেচনায় এগিয়ে রয়েছে বিএনপির প্রার্থী তারেক রহমান। বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে ভোটযুদ্ধ হবে বিএনপির প্রার্থী মোরশেদ মিলটন এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী গোলাম রব্বানির মধ্যে। পরিস্থিতি বিবেচনায় এগিয়ে রয়েছে বিএনপি প্রার্থী।

পাবনা

পাবনা-১ (সাথিয়া) আসনে ভোটযুদ্ধ হবে বিএনপির প্রার্থী ভিপি শামসুর রমান, বিএনপির বিদ্রোহী যুবদল নেতা মাসুদুল হক মাসুদ এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নিজামি পুত্র ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন মধ্যে। পরিস্থিতি বিবেচনায় এগিয়ে রয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নিজামি পুত্র প্রার্থী।

পাবনা-২ (সুজানগর-বেড়া) আসনে ভোটযুদ্ধ হবে বিএনপির প্রার্থী সেলিম রেজা হাবিব, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মওলানা একেএম হেসাব উদ্দিনের মধ্যে। পরিস্থিতি বিবেচনায় এগিয়ে রয়েছে বিএনপি প্রার্থী। পাবনা-৩ (চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুর) আসনে ভোটযুদ্ধ হবে বিএনপির প্রার্থী হাসান জাফির তুহিন এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মধ্যে। পরিস্থিতি বিবেচনায় এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির প্রার্থী। পাবনা-৪ (আটঘড়িয়া ঈশ্বরদী) আসনে ভোটযুদ্ধ হবে বিএনপির প্রার্থী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, বিদ্রোহী জাকরিয়া পিন্টু ঈশ্বরদীতে রেলবহরে হামলার মামলা এবং জামায়াতে ইসলামীর পাবনা জেলা জামাতের আমির আবু তালেক মণ্ডলের মধ্যে। পাবনা-৫ (সদর) আসনে ভোটযুদ্ধ হবে বিএনপির প্রার্থী শিমুল বিশ্বাস এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী জেলা নায়েবে আমির মওলানা ইকবাল হোসেনের মধ্যে। পরিস্থিতি বিবেচনায় কে জিতবে, তা নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন।

নাটোর

নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনে ভোটযুদ্ধ হবে বিএনপির প্রার্থী ফারজানান শারমিন পুতুল, বিএনপির বিদ্রোহী ও পুতুলের ভাই মো. ইয়াসির আরশাদ, অপর বিদ্রোহী তাইফুল ইসলাম টিপু এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবুল কালাম আজাদের মধ্যে। পরিস্থিতি বিবেচনায় এগিয়ে রয়েছে টিপু ও পুতুল প্রার্থী। নাটোর-২ (সদর- নলডাঙ্গা) আসনে মধ্যে ভোটযুদ্ধ হবে বিএনপির প্রার্থী এম রুহুল কুদ্দস তালুকদার এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. ইউনুস আলীর মধ্যে। পরিস্থিতি বিবেচনায় এগিয়ে রয়েছে বিএনপির প্রার্থী দুলু। নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে ভোটযুদ্ধ হবে বিএনপির প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম, বিদ্রোহী প্রার্থী দাউদার মাহমুদ, বিএনপির বিদ্রোহী দেলোয়ার হোসেন এবং জামায়াত জোটের এনসিপির প্রার্থী জারজিস কাদিরের মধ্যে। পরিস্থিতি বিবেচনায় এগিয়ে রয়েছে আনোয়ারুলের সঙ্গে দাউদারের মধ্যে। এগিয়ে রয়েছে বিএনপির বিদ্রোহী দাউদার মাহমুদ জনপ্রিয়তা বেশি। নাটোর-৪ (বড়াউগ্রাম-গুরুদাসপুর) আসনে ভোটযুদ্ধ হবে বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আজিজ এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল হাকিমের মধ্যে। পরিস্থিতি বিবেচনায় এগিয়ে রয়েছে বিএনপি প্রার্থী।

জয়পুরহাট

জয়পুরহাট-১ (সদর ও পাঁচবিবি) আসনে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির মাসুদ রানা প্রধান, জামায়াতের ফজলুর রহমান সাঈদ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার। পাঁচবিবিতে জামায়াতে ইসলামীর ভোট বেশি। জয়পুরহাট-২ (আক্কেলপুর, ক্ষেতলাল ও কালাই) আসনে লড়াইয়ের কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী আব্দুল বারী এবং জামায়াতের প্রার্থী এসএম রাশেদুল আলম রয়েছেন। বিএনপির প্রার্থীর বিজয়ের সম্ভবনা বেশি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে মূল লড়াই বিএনপির শাহজাহান মিঞা ও জামায়াতের ড. কেরামত আলীর। এগিয়ে আছেন বিএনপির প্রার্থী শাহজাহান মিঞা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে ৫ প্রার্থীর লড়াইয়ে জামায়াতের ড. মিজানুরের চেয়ে এগিয়ে বিএনপির আমিনুল ইসলাম। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে ৫ প্রার্থীর লড়াই। বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী হারুনুর রশিদের পাল্লাই ভারী জামায়াতের নূরুল ইসলাম বুলবুলের চেয়ে। এগিয়ে বিএনপির প্রার্থী।

সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর ও সদর আংশিক) আসনে ভোটযুদ্ধ হবে জামায়াতের শাহিনূর আলমের সঙ্গে বিএনপির সেলিম রেজার। তবে বিএনপির প্রার্থী এগিয়ে রয়েছেন। সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামারখন্দ) আসনে ভোটযুদ্ধ হবে বিএনপির ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলামের। এগিয়ে বিএনপির প্রার্থী। সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনে ভোটযুদ্ধ হবে বিএনপির মো. আয়নুল হকের সঙ্গে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুহা. আব্দুর রউফ সরকারের। এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির প্রার্থী। সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে ভোটযুদ্ধ হবে বিএনপির এম আকবর আলীর সঙ্গে জামায়াতের রফিকুল ইসলাম খানের। এগিয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী। সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনে ভোটযুদ্ধ হবে বিএনপির আমিরুল ইসলাম খানের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর আলী আলম। এগিয়ে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী। সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনে ভোটযুদ্ধ হবে এনসিপির প্রার্থী এসএম সাইফ মোস্তাফিজের সঙ্গে বিএনপির এমএ মুহিতের। এগিয়ে বিএনপির প্রার্থী।

খুলনা বিভাগ

খুলনা

খুলনা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী আমীর এজাজ খান এগিয়ে থাকলেও জামায়াতের কৃষ্ণ নন্দী শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। খুলনা-২ আসনে বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু এগিয়ে থাকলেও জামায়াতের অ্যাডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন হেলাল ভোটের লড়াই জমিয়ে তুলেছেন। খুলনা-৩ আসনে বিএনপির রকিবুল ইসলাম বকুল ও জামায়াতের অধ্যাপক মাহফুজুর রহমানের মধ্যে চরম লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। খুলনা-৪ আসনে বিএনপির আজিজুল বারী হেলাল এগিয়ে থাকলেও ১০-দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছেন। খুলনা-৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এগিয়ে থাকলেও বিএনপির আলী আসগর লবি প্রতিদ্বন্দ্বিতা জোরদার করেছেন। খুলনা-৬ আসনে জামায়াতের মাওলানা আবুল কালাম আজাদ এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির মনিরুল হাসান বাপ্পি থেকে।

মেহেরপুর

মেহেরপুর-১ আসনে বিএনপির মাসুদ অরুন এগিয়ে থাকলেও জামায়াতের মো. তাজউদ্দীন খান শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। মেহেরপুর-২ আসনে জামায়াতের মো. নাজমুল হুদা সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলেও বিএনপির মো. আমজাদ হোসেন পিছিয়ে নেই।

কুষ্টিয়া

কুষ্টিয়া-১ আসনে বিএনপির রেজা আহাম্মেদ ও জামায়াতের মো. বেলাল উদ্দীনের মধ্যে সরাসরি লড়াই হবে। কুষ্টিয়া-২ আসনে জামায়াতের মো. আব্দুল গফুর এগিয়ে থাকলেও বিএনপির রাগীব রউফ চৌধুরী শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছেন। কুষ্টিয়া-৩ আসনে বিএনপির মো. জাকির হোসেন সরকার ও জামায়াতের মো. আমির হামজার মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। কুষ্টিয়া-৪ আসনেও বিএনপির সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী ও জামায়াতের মো. আফজাল হোসেনের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।

চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জামায়াতের মো. মাসুদ পারভেজ এগিয়ে, বিএনপির মো. শরীফুজ্জামান দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন। চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে জামায়াতের মো. রুহুল আমিন এগিয়ে এবং বিএনপির মাহমুদ হাসান খান তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী।

ঝিনাইদহ:

ঝিনাইদহ-১ আসনে বিএনপির মো. আসাদুজ্জামান ও জামায়াতের আবু ছালেহ মো. মতিউর রহমানের মধ্যে মূল লড়াই হবে। ঝিনাইদহ-২ আসনেও বিএনপির প্রার্থী ও জামায়াতের আলী আজম মো. আবু বকরের মধ্যে দ্বিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে। ঝিনাইদহ-৩ আসনে জামায়াতের মো. মতিয়ার রহমান এগিয়ে থাকলেও বিএনপির মোহাম্মদ মেহেদী হাসান প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। ঝিনাইদহ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সাইফুল ইসলাম ফিরোজ এগিয়ে আছেন। বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে জামায়াতের মো. আবু তালিবও সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন।

যশোর

যশোর-১ আসনে জামায়াতের মুহাম্মাদ আজীজুর রহমান এগিয়ে এবং বিএনপির মো. নুরুজ্জামান লিটন দ্বিতীয় অবস্থানে। যশোর-২ আসনে জামায়াতের মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দিন ফরিদ এগিয়ে থাকলেও বিএনপির মোছা. সাবিরা সুলতানা লড়াইয়ে রয়েছেন। যশোর-৩ আসনে একমাত্র ব্যতিক্রম হিসেবে বিএনপির অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এগিয়ে আছেন, তার পরেই জামায়াতের মো. আব্দুল কাদের। যশোর-৫ আসনে জামায়াতের গাজী এনামুল হক ভালো অবস্থানে, বিএনপির রশীদ আহমাদ প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন। যশোর-৬ আসনে জামায়াতের মো. মোক্তার আলী এগিয়ে, বিএনপির মো. আবুল হোসেন আজাদ রয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতায়।

মাগুরা

মাগুরা-১ আসনে বিএনপির মো. মনোয়ার হোসেন ও জামায়াতের আব্দুল মতিনের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠেছে। মাগুরা-২ আসনে জামায়াতের মো. মুশতারশেদ বিল্লাহ এগিয়ে থাকলেও বিএনপির নিতাই রায় চৌধুরী লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।

নড়াইল

নড়াইল-১ আসনে বিএনপির বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম ও জামায়াতের মো. ওবায়দুল্লাহ সমান প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। নড়াইল-২ আসনে জামায়াতের মো. আতাউর রহমান এগিয়ে থাকলেও বিএনপির এ, জেড, এম, ফরিদুজ্জামান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন।

বাগেরহাট

বাগেরহাট-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিম, বিএনপির কপিল কৃষ্ণ মন্ডল ও জামায়াতের মো. মশিউর রহমান খানের মধ্যে ত্রিমুখী লড়াই হবে। বাগেরহাট-২ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র হিসেবে দাঁড়ানো এম এ এইচ সেলিম এগিয়ে আছেন, এরপরেই জামায়াতের শেখ মনজুরুল হক (রাহাদ)। বাগেরহাট-৩ আসনে জামায়াতের মোহাম্মাদ আব্দুল ওয়াদুদ শেখ এগিয়ে এবং বিএনপির শেখ ফরিদুল ইসলাম দ্বিতীয় অবস্থানে। বাগেরহাট-৪ আসনে বিএনপির সোম নাথ দে এগিয়ে থাকলেও জামায়াতের আব্দুল আলীম প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।

সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরা-১ আসনে বিএনপির মো. হাবিবুল ইসলাম হাবিব এগিয়ে এবং জামায়াতের মো. ইজ্জত উল্লাহ দ্বিতীয় অবস্থানে। সাতক্ষীরা-২ আসনে জামায়াতের মুহাম্মাদ আব্দুল খালেক এগিয়ে থাকলেও বিএনপির মো. আব্দুর রউফ প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। সাতক্ষীরা-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শহিদুল আলম এগিয়ে এবং জামায়াতের মুহা. রবিউল বাশার পরের অবস্থানে। সাতক্ষীরা-৪ আসনে জামায়াতের জি, এম, নজরুল ইসলাম এগিয়ে এবং বিএনপির মো. মনিরুজ্জামান প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।

সিলেট বিভাগ

সিলেট

সিলেট-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এগিয়ে রয়েছেন। সিলেট-২ আসনে বিএনপি মনোনীত তাহসিনা রোশদি লুনা। সিলেট-৩ আসেন বিএনপি মনোনীত এমএ মালিক, সিলেট-৪ আসনে জামায়াত মনোনীত মো. জয়নাল আবেদীন, সিলেট-৫ আসনে জমিয়ত মনোনীত (খেজুর গাছ) মাওলানা ওবায়দুল্লাহ ফারুক এবং সিলেট-৬ আসনে জামায়াতে ইসলাম মনোনীত মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এগিয়ে রয়েছেন।

সুনামগঞ্জ : সুনামগঞ্জ-১ আসনে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুল, সুনামগঞ্জ-২ আসনে জামায়াত মনোনীত শিশির মনির, সুনামগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত কয়ছর এম আহমেদ, সুনামগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী (বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা) জয়নুল জাকেরীন এবং সুনামগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কলিমউদ্দিন আহমেদ মিলন ভোটযুদ্ধে এগিয়ে রয়েছেন।

হবিগঞ্জ : হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে বিএনপি নেতা সাবেক এমপি শেখ সুজাত মিয়া বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় নির্বাচনী পরিবেশ উত্তপ্ত থাকলেও বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. রেজা কিবরিয়া এগিয়ে রয়েছেন। হবিগঞ্জ-২ (বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত এবং দলটির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন এগিয়ে রয়েছেন। হবিগঞ্জ-৩ (সদর, লাখাই, শায়েস্তাগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত এবং দলটির সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ জি কে গউছ এবং হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনে বিএনপি মনোনীত সায়হাম গ্রুপের চেয়ারম্যান এসএম ফয়সল এগিয়ে রয়েছেন।

মৌলভীবাজার : মৌলভীবাজার-১ আসনে এই মুহূর্তে ভোটের লড়াইয়ে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির নাসির উদ্দিন আহমেদ (ধানের শীষ)। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা) ও জাতীয় পার্টির আহমেদ রিয়াজ উদ্দিন (লাঙ্গল)। মৌলভীবাজার-২ আসনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপির মো. শওকতুল ইসলাম (ধানের শীষ) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. সায়েদ আলীর (দাঁড়িপাল্লা) মধ্যে। মৌলভীবাজার-৩ আসনে সুস্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির এম নাসের রহমান (ধানের শীষ)। তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন খেলাফত মজলিসের মাওলানা আহমদ বিলাল (দেয়াল ঘড়ি)। মৌলভীবাজার-৪ আসনে বিএনপির মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী (ধানের শীষ), স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির বিদ্রোহী মো. মহসিন মিয়া মধু (ফুটবল), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা শেখ নূরে আলম হামিদী (রিকশা) ও জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রীতম দাশের (শাপলা কলি) মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বরিশাল বিভাগ

বরিশাল

বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জহিরউদ্দিন স্বপন ও স্বতন্ত্র বিএনপি নেতা আব্দুস সোবহানের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে পারে। ভোটের মাঠে প্রভাব আছে জামায়াতে ইসলামীর মো. কামরুল ইসলাম খান এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাসেল সরদার মেহেদীর। বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সরদার সরফুদ্দিন আহমেদের সঙ্গে লড়াই হতে পারে জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল মন্নান ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ নেছার উদ্দিনের। বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জয়নুল আবেদীনের সঙ্গে লড়াই হবে জাতীয় পার্টির গোলাম কিবরিয়া টিপুর। বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী রাজিব আহসানের সঙ্গে লড়াই হবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সৈয়দ এছহাক মো. আবুল খায়েরের। বরিশাল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. মজিবর রহমান সরওয়ারের সঙ্গে লড়াই হবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম ও জামায়াতে ইসলামীর মুয়াযযম হোসাইন হেলালের। পিছিয়ে নেই বাসদের মনীষা চক্রবর্তী। তবে এগিয়ে বিএনপি প্রার্থী। এ ছাড়া বরিশাল-৬ আসনে বিএনপির আবুল হোসেন খানের সঙ্গে লড়াই হবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল করীমের।

ঝালকাঠি :

ঝালকাঠি-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জামালের সঙ্গে জামায়াতের প্রার্থী ড. ফায়জুল হকের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। এগিয়ে বিএনপি। ঝালকাঠি-২ আসনে বিএনপির ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী এস এম নিয়ামুল করিম এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলামের (সিরাজী) সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে।

পটুয়াখালী :

পটুয়াখালী-১ (সদর মির্জাগঞ্জ-দুমকি) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরীর পুরো মাঠ দখলে। পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে ইসলামীর প্রার্থী ও ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের সঙ্গে লড়াই হবে বিএনপির সাবেক এমপি শহিদুল আলম তালুকদারের। পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের সঙ্গে লড়াই হবে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হাসান মামুনের। পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে লড়াই হবে ইসলামী আন্দোলন মনোনীত (বিএনপির সাবেক এমপি) মোস্তাফিজুর রহমানের।

ভোলা :

ভোলা-১ (ভোলা সদর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে পারে বাংলাদেশ জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী মো. নজরুল ইসলামের সঙ্গে। ভোলা-২ (দৌলতখান-বোরহানউদ্দিন) আসনে মো. হাফিজ ইব্রাহিমের (বিএনপি) সঙ্গে লড়াই হবে মোকফার উদ্দিন চৌধুরী (এলডিপি) ও মোহাম্মদ ফজলুল করিমের (জামায়াতে ইসলামী)। তবে আসনগুলোতে বিএনপি কিছুটা এগিয়ে। ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসনে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রমের (বিএনপি) সঙ্গে লড়াই হবে মোহাম্মদ নিজামুল হকের (বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি)। বিএনপির সম্ভাবনা বেশি। ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে মো. নুরুল ইসলাম নয়নের (বিএনপি) সঙ্গে লড়াই হবে মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল (জামায়াতে ইসলামী), মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন (ইসলামী আন্দোলন) ও মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের (জাতীয় পার্টি) সঙ্গে।

বরগুনা:

বরগুনা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মোল্লার সঙ্গে লড়াই হবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা মাহমুদুর রহমান অলিউল্লাহর। বরগুনা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী নুরুল ইসলাম মনির সঙ্গে লড়াই হবে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদের।

পিরোজপুর :

পিরোজপুর-১ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনের লড়াই হবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাসুদ সাঈদীর। পিরোজপুর-২ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আহমেদ মনজুর সোহেল সুমনের সঙ্গে লড়াই হবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী শামীম সাঈদীর সাথে। পিরোজপুর-৩ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী রুহুল আমিন দুলালের সঙ্গে লড়াই হবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সাবেক এমপি রুস্তম ফরাজির সঙ্গে।

চট্টগ্রাম বিভাগ

চট্টগ্রাম:

চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে জামায়াত প্রার্থী সাইফুর রহমানের চেয়ে বিএনপির প্রার্থী নুরুল আমিন চেয়ারম্যান এগিয়ে রয়েছেন। চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএসপির সাইফুদ্দিন আহমেদ মাইজভান্ডারী এগিয়ে থাকলেও আইনি জটিলতা কাটিয়ে উঠতে পারলে বিএনপির সরোয়ার আলমগীর এগিয়ে থাকবেন। চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ উপজেলা) আসনে বিএনপির কামাল পাশা এগিয়ে রয়েছেন। চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে বিএনপির আসলাম চৌধুরী এগিয়ে আছেন। তার সঙ্গে জামায়াতের আনোয়ার ছিদ্দিক চৌধুরীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে বিএনপির ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন এগিয়ে আছেন। তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে খেলাফত মজলিস মনোনীত ১০-দলীয় ঐক্য সমর্থিত একক সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা নাছির উদ্দিন মুনীরের। চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে বিএনপির গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী এগিয়ে আছেন। তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আসার মতো তেমন প্রার্থী নেই বললেই চলে। চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে বিএনপির হুম্মাম কাদের চৌধুরী ও জামায়াতের এটিএম রেজাউল করিমের মধ্যে বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস থাকলেও অতীতের প্রভাব বিবেচনায় বিএনপির হুম্মাম কাদের চৌধুরী এগিয়ে রয়েছেন। চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসনে বিএনপির এরশাদ উল্লাহর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১০-দলীয় জোটের প্রার্থী জোবায়েরুল আরিফ। আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ এগিয়ে রয়েছেন। চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ান এগিয়ে আছেন। তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে জামায়াতের প্রার্থী ডা. একেএম ফজলুল হকের। চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-হালিশহর) আসনটিতে বিএনপির সাঈদ আল নোমান এগিয়ে। তবে জামায়াতের প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীর সঙ্গে বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস রয়েছে। চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) বিএনপির প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এগিয়ে আছেন। তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে জামায়াতের প্রার্থী শফিউল আলমের।

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী এনামুল হক এনাম এগিয়ে। তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন জামায়াতের প্রার্থী ডা. ফরিদুল আলম। চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার জামাল নিজাম এগিয়ে আছেন। আসনটিতে ইসলামিক ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম শাহজাহানের প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস রয়েছে। চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া আংশিক) আসনটি এলডিপির অলি আহমেদের আসন হিসেবেই পরিচিত। এবার আসনটিতে তিনি প্রার্থী না হয়ে ১০-দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে তার ছেলে ওমর ফারুক নির্বাচন করছেন। তবে আসনটিতে বিএনপির জসীম উদ্দীন আহমেদের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।

এদিকে চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে বরাবরই জামায়াতের প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী এগিয়ে। তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপির প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমীনের। চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী আর জামায়াতের মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী লেয়াকত আলী। আসনটিতে জামায়াতের প্রার্থী জহিরুল ইসলামের পথ সুগম দেখা যাচ্ছে।

চাঁদপুর :

চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে ছয়জন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির মনোনীত সাবেক শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন ও জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফীর সঙ্গে ভোটযুদ্ধ হবে মনে করেন ভোটাররা। এদের মধ্যে বিএনপি প্রার্থীকেই এগিয়ে রাখছেন ভোটাররা।

লক্ষ্মীপুর

লক্ষ্মীপুর ৪টি আসনের এড়িয়ে থাকা প্রার্থীরা লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী শাহাদাত হোসেন সেলিম, হাতপাখার জাকির হোসেন পাটওয়ারী ও এনসিপির প্রার্থী মাহবুব আলমের মধ্যে লড়াই হবে। এদের মধ্যে বিএনপির প্রার্থী শাহাদাত হোসেন সেলিম ও এনসিপির প্রার্থী মাহবুব আলমের মধ্যে ভোট লড়াই হবে।

লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি আবুল খায়ের ভূঁইয়া, জেলা জামায়াতের আমির এসইউএম রুহুল আমিন ভুঁইয়ার মধ্যে লড়াই হবে। এখানে বিএনপির প্রার্থী আবুল খায়ের ভূঁইয়ার অবস্থান ভালো রয়েছে। লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ও ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের সেক্রেটারি মোহাম্মদ রেজাউল করিম শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছেন। আসনটিতে শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির সম্ভাবনা বেশি। লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক এমপি এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, জেএসডির তানিয়া রব, জামায়াতের আশরাফুর রহমান হাফিজ উল্যা, ইসলামী আন্দোলনের খালেদ সাইফুল্লাহ থাকলে বিএনপির প্রার্থী আশরাফ উদ্দিন নিজান ও জেএসডির তানিয়া রবের মধ্যে ভোট লড়াই হবে।

খাগড়াছড়ি:

খাগড়াছড়িতে ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ প্রার্থীর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। তার মধ্যে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া এগিয়ে রয়েছেন। এরপর স্বতন্ত্র প্রার্থী সমীরণ দেওয়ানও মাঠের নির্বাচনী লড়াইয়ে আছেন। অপর দিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এয়াকুব আলীও নির্বাচনী প্রচারণায় মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।

বান্দরবান ৩০০নং আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রার্থী সাচিং প্রু জেরী অনেক এগিয়ে আছেন, অন্য ৩ জন প্রার্থীর তুলনায়।

আঞ্চলিক দলের প্রার্থী না থাকায় এবং জামায়াতের সরাসরি কোনো প্রার্থী না থাকায় রাঙামাটি আসনে বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ানের জয়ের নিশ্চয়তা শতভাগ।

কুমিল্লা:

কুমিল্লা-১ আসনের ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন (বিএনপি) ও মো. মনিরুজ্জামান বাহালুল (জামায়াত)। এ আসনে বিএনপি প্রার্থীর অবস্থা ভালো।

কুমিল্লা-২

অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া (বিএনপি), নাজিম উদ্দিন (জামায়াত)। বিএনপির বিদ্রোহী ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মতিন। এ আসনে ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মতিনের অবস্থা ভালো।

কুমিল্লা-৩

কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ (বিএনপি)। ইউসুফ হাকিম সোহেল (জামায়াত)। বিএনপির অবস্থা কিছুটা ভালো

কুমিল্লা-৪

ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ( বিএনপি, প্রার্থিতা প্যান্ডিং)। হাসনাত আব্দুল্লাহ (এনসিপি)। এনসিপির অবস্থা ভালো

কুমিল্লা-৫

জসিম উদ্দিন জসিম (বিএনপি)। ড. মোবারক হোসেন (জামায়াত)। অবস্থা সমান সমান

কুমিল্লা-৬

মনিরুল হক চৌধুরী (বিএনপি)। কাজী দ্বীন মোহাম্মদ (জামায়াত)। বিএনপির অবস্থা কিছুটা ভালো।

কুমিল্লা-৭

ড. রেদোয়ান আহমেদ (বিএনপি)। বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী (আতিকুল আলম শাওন)। খেলাফত মজলিস (সোলাইমান খান)। বিএনপির বিদ্রোহীর অবস্থা ভালো

কুমিল্লা-৮

জাকারিয়া তাহের সুমন (বিএনপি)। মো. শফিকুল আলম হেলাল (জামায়াত)। বিএনপির অবস্থা ভালো।

কুমিল্লা-৯

মো. আবুল কালাম (বিএনপি)। সরওয়ার সিদ্দিকী ( জামায়াত)। বিএনপির বিদ্রোহী সামিরা আজিম দোলা। জামায়াতের অবস্থা ভালো

কুমিল্লা-১০

আবদুল গফুর ভূঁইয়া (বিএনপি, প্যান্ডিং)। ইয়াসিন আরাফাত (জামায়াত)। 

কুমিল্লা-১১

কামরুল হুদা (বিএনপি)। ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের (জামায়াত)। এ আসনে জামায়াতের অবস্থা ভালো।

কক্সবাজার

এই মুহূর্তে কক্সবাজারের ৪টি আসনেই বিএনপির প্রার্থী এগিয়ে রয়েছেন।

এরা হলেন কক্সবাজার-১ চকরিয়া-পেকুয়া আসনের বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।

কক্সবাজার-২ মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ।

কক্সবাজার-৩ কক্সবাজার সদর, রামু-ঈদগাঁও আসনের লুৎফুর রহমান কাজল।

কক্সবাজার ৪ উখিয়া-টেকনাফ আসনের শাহজাহান চৌধুরী।

ময়মনসিংহ বিভাগ

ময়মনসিংহ বিভাগ:

ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনে বিএনপি ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনে বিএনপি ও বিএনপির বিদ্রোহী মধ্যে লড়াই হবে। ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে বিএনপি ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হবে। ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনে বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হবে। ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া)। এ আসনে বিএনপি, জামায়াত ও জামায়াতের বিদ্রোহীর ত্রিমুখী লড়াই হবে। ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে বিএনপি ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হবে। ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনে বিএনপি ও বিএনপির সাবেক এমপি ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হবে। ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল)। এ আসনে বিএনপি ও বিএনপির বিদ্রোহীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনে বিএনপি ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হবে। ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা)-তে বিএনপি ও বিএনপির বিদ্রোহীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে।

জামালপুর :

জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ)। এ আসনে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। জামালপুর-২ (ইসলামপুর), সুলতান মাহমুদ বাবু। জামালপুর-৩ (মেলান্দহ -মাদারগঞ্জ), মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল। জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম। জামালপুর-৫ (সদর) আসনে অ্যাডভোকেট শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন। পাঁচটি আসনেই বিএনপি প্রার্থীরা জনমতে এগিয়ে আছেন।

নেত্রকোণা :

নেত্রকোণা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনে বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, তারপরই রয়েছেন ১১-দলীয় প্রার্থী গোলাম রব্বানী। নেত্রকোণা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনে বিএনপির ডা. আনোয়ারুল হক। নেত্রকোণা-৩ (আটপাড়া-কেন্দুয়া) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন ভূইয়া এবং বিএনপি প্রার্থী রফিকুল ইসলাম হিলালী। নেত্রকোণা-৪ (মদন, মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুরী) আসেন বিএনপির লুৎফুজ্জামান বাবর এবং নেত্রকোণা-৫ (পূর্বধলা) আসনে বিএনপির আবু তাহের তালুকদার এগিয়ে রয়েছেন।

শেরপুর :

শেরপুর-১ (সদর) আসনে জামায়াতের হাফেজ রাশেদুল ইসলাম, শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী)-তে জামায়াত মনোনীত গোলাম কিবরিয়া ভিপি, শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে বিএনপির মাহমুদুল হক রুবেল এগিয়ে রয়েছেন।

রংপুর বিভাগ

রংপুর :

রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া ও আংশিক সিটি করপোরেশন) আসনে জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার মঞ্জুম আলী, রংপুর-২ (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ) আসনে জাতীয় পার্টির আনিছুল ইসলাম মন্ডল (লাঙ্গল), রংপুর-৩ (সদর ও সিটি করপোরেশন) আসনে জাতীয় পার্টির জিএম কাদের (লাঙ্গল), রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনে বিএনপির এমদাদুল হক ভরসা (ধানের শীষ), রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে জামায়াতের অধ্যাপক গোলাম রব্বানী (দাঁড়িপাল্লা), রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনে বিএনপির সাইফুল ইসলাম (ধানের শীষ) প্রার্থী এগিয়ে রয়েছেন। লালমনিরহাট :

লালমনিরহাট-১ (পাটগ্রাম-হাতীবান্ধা) আসনে জামায়াতের আনোয়ারুল ইসলাম রাজু (দাঁড়িপাল্লা)। লালমনিরহাট-২ (আদিতমারী-কালীগঞ্জ) আসনে বিএনপির রোকন উদ্দিন বাবুল (ধানের শীষ) এবং লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনে বিএনপির আসাদুল হাবীব দুলু (ধানের শীষ) এগিয়ে।

ঠাকুরগাঁও : ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (ধানের শীষ), ঠাকুরগাঁও ২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল হাকিম (দাঁড়িপাল্লা), ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী জাহিদুর রহমান (ধানের শীষ)।

কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রাম-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী সাইফুল রহমান রানা (ধানের শীষ), কুড়িগ্রাম-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ সোহেল (ধানের শীষ), কুড়িগ্রাম-৩ আসনে জামায়াতের ব্যারিস্টার মাহবুব আলম সালেহ (দাঁড়িপাল্লা), কুড়িগ্রাম-৪ আসনে জামায়াতের মোস্তাফিজুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা)।

গাইবান্ধা : গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক মাজেদুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা), গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল করিম (দাঁড়িপাল্লা), গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাহপুর-পলাশবাড়ি) আসনে বিএনপির ডা. মইনুল হাসান সাদিক (ধানের শীষ), গাইবান্ধা-৪ ( গোবিন্দগঞ্জ) আসনে জামায়াতের ডা. আব্দুর রহিম সরকার (দাঁড়িপাল্লা), গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনে বিএনপির ফারুক আলম সরকার (ধানের শীষ)।

দিনাজপুর : দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ-কাহারোল) আসনে জামায়াতের মতিউর রহমান (দাঁড়িপাল্লা), দিনাজপুর-২ (বিরল-বোচাগঞ্জ) আসনে বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী বজলুর রশীদ, দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনে জামায়াতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাইনুল আলম (দাঁড়িপাল্লা), দিনাজপুর-৪ (চিরিরবন্দর ও খানসামা) আসনে বিএনপির আখতারুজ্জামান (ধানের শীষ), দিনাজপুর-৫ (ফুলবাড়ী-পার্বতীপুর) আসনে স্বতন্ত্র রেজওয়ানুল হক, দিনাজপুর-৬ (বিরামপুর-নবাবগঞ্জ- ঘোড়াঘাট-হাকিমপুর) আসনে বিএনপির ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন (ধানের শীষ)

পঞ্চগড় : পঞ্চগড়-১ (সদর, তেঁতুলিয়া ও আটোয়ারী) আসনে বিএনপির প্রার্থী নওশাদ জমির (ধানের শীষ)। পঞ্চগড়-২ (বোদা ও দেবীগঞ্জ) আসনে জামায়াতের সফিউল আলম (দাঁড়িপাল্লা)।

নীলফামারী : নীলফামারীর ৪টি আসনে বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পাশাপাশি একাধিক প্রার্থী মাঠে থাকায় ভোটের হিসাব জটিল। এ আসনের মূল ফ্যাক্ট অবাঙালি, নতুন ভোটার ও সনাতনীদের ভোট।

নীলফামারী-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মাওলানা আব্দুস সাত্তার, বিএনপি জোটের শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মাওলানা মো. মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুল জলিল, জাতীয় পার্টির মেজর অবসরপ্রাপ্ত তসলিম উদ্দিন রয়েছেন। তবে জামায়াতের সম্ভাবনা বেশি। নীলফামারী-২ আসনে বিএনপির শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন, জামায়াতে ইসলামীর আল ফারুক আব্দুল লতিফ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাসিবুল ইসলাম থাকলেও বিএনপির সম্ভাবনা বেশি।

নীলফামারী-৩ আসনে বিএনপির সৈয়দ আলী, জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমজাদ হোসেন। এ আসনে বিএনপি এগিয়ে। নীলফামারী-৪ আসনে বিএনপির মো. আব্দুল গফুর সরকার, জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল মুনতাকিম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শহিদুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির মো. সিদ্দিকুল আলম রয়েছেন। আসনটিতে এখনও বিএনপি এগিয়ে রয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার