বিজ্ঞাপন
বেতন বাড়ছে দ্বিগুণেরও বেশি, সবচেয়ে বড় সুখবর শিক্ষকদের
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৫৪ পিএম
বিজ্ঞাপন
নতুন পে স্কেলে সরকারি কর্মচারীদের জন্য মোট ২০টি গ্রেডে বেতন কাঠামো নির্ধারণের সুপারিশ করেছে বেতন কমিশন। এতে সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। নতুন কাঠামোয় সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাত কমিয়ে ১:৮ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ১:৯.৪।
কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, বর্তমানে সর্বনিম্ন বেতন স্কেল ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন স্কেল ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করা হবে।
এই নতুন স্কেলে প্রাথমিক শিক্ষকদের বড় অঙ্কের বেতন বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে ১৩তম গ্রেডে থাকা প্রাথমিক শিক্ষকদের মূল বেতন ১১ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ২৪ হাজার টাকা হতে পারে। অন্যান্য সংশ্লিষ্ট গ্রেডেও তুলনামূলকভাবে বেশি হারে বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি টিফিন ভাতা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
বেতন কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান জানান, এই প্রস্তাব বাস্তবায়নে বছরে অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। বর্তমানে ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য সরকারের মোট ব্যয় হচ্ছে প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা।
তিনি বলেন, গত এক দশকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাওয়ায় সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহ কঠিন হয়ে পড়েছে। এ বাস্তবতায় অনলাইন ও অফলাইনে মোট ১৮৪টি সভা এবং ২ হাজার ৫৫২ জন অংশীজনের মতামত নিয়ে এই সুপারিশ প্রস্তুত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে মন্ত্রিপরিষদসচিব ও জ্যেষ্ঠ সচিবদের জন্য ২০টি গ্রেডের বাইরে একটি বিশেষ ধাপ তৈরিরও প্রস্তাব করা হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, সরকার গত ২৭ জুলাই ২০২৫ তারিখে ২৩ সদস্যের এই বেতন কমিশন গঠন করে এবং ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করে। দীর্ঘ ১২ বছর পর, ২০১৩ সালের অষ্টম বেতন কমিশনের পর এই নতুন কমিশন গঠিত হয়। কমিশনের প্রতিবেদন দাখিলের নির্ধারিত সময় ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, তবে নির্ধারিত বাজেটের মাত্র ১৮ শতাংশ ব্যয় করে সময়ের আগেই কাজ শেষ করেছে কমিশন।
বিজ্ঞাপন