Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

হাদির ছেলে ফিরনাসকে যুক্তরাজ্যে নিতে চান শরীফ ওমর, আপত্তি স্ত্রীর

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:২২ পিএম

হাদির ছেলে ফিরনাসকে যুক্তরাজ্যে নিতে চান শরীফ ওমর, আপত্তি স্ত্রীর

বিজ্ঞাপন

যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে দ্বিতীয় সচিব পদে নিয়োগ পেয়েছেন ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম মুখ ও ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির মেজ ভাই শরীফ ওমর বিন হাদি। তবে এখনও তিনি যোগদান করেননি। যাওয়ার আগে শহীদ হাদির একমাত্র সন্তান ফিরনাস ইবনে ওসমান হাদিকেও সেখানে নিতে চান তিনি। তবে শহীদ হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম সম্পা তাতে আপত্তি জানিয়ে বলেছেন, ফিরনাসকে সবাই নিতে চাইবে এটাই স্বাভাবিক। তবে তার বাবা একজনই, তিনি শহীদ ওসমান হাদি।

আজ শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ফেসবুকে আলাদা আলাদাভাবে পোস্টে এসব মন্তব্য করেন তারা। ইতিমধ্যে তাদের এসব পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এসেছে।

জানা যায়, প্রথমে শরীফ ওমর বিন হাদি তার ছোট ভাই শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির একটি ছবি দিয়ে লেখেন, আমি ওসমান হাদির ভাই প্রমান করার মত একটা ছবি পেয়েছি। ভাই তোমরা হাদির যা ছিল সব নিয়ে নাও। এমনকি তার বউকে নিয়ে নাও, শুধু আমার সন্তানটা আমাকে দিয়ে দেও প্লিজ। নিরাপদ বসবাসের জন্য তাকে নিয়ে আমি যুক্তরাজ্যে চলে যাবো।

এরপর শহীদ হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম সম্পা সেই পোস্টটি শেয়ার দিয়ে লেখেন, মেজ ভাইয়া ওসমান হাদির বউ কোনো প্রোডাক্ট না যে কেউ চাইলেই নিয়ে নিবে। আর ফিরনাসরে সবাই নিয়ে নিতেই চাইবে এটাই স্বাভাবিক। বাই দা ওয়ে ফিরনাসের বাবা একজনই শহীদ ওসমান হাদি।

এদিকে, পরিবারের ভেতরের এই মতবিরোধ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা ও নানা প্রতিক্রিয়া। অনেকে বিষয়টিকে পারিবারিক ও আইনি কাঠামোর মধ্যে সমাধানের আহ্বান জানাচ্ছেন, আবার কেউ কেউ সন্তানের সর্বোত্তম স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পক্ষে মত দিচ্ছেন।

জানা গেছে, সম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে দ্বিতীয় সচিব পদে ওমর বিন হাদিকে তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে জনস্বার্থে এ নিয়োগের কথা জানানো হয়। এর আগে গত ১২ ডিসেম্বর দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হয়ে ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে মারা যান শরিফ ওসমান হাদি। ২০ ডিসেম্বর তার জানাজায় লাখো মানুষ অংশ নেন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার