Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

পে-স্কেল চূড়ান্তের দোরগোড়ায়, ১:৮ অনুপাতে বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:০৫ এএম

পে-স্কেল চূড়ান্তের দোরগোড়ায়, ১:৮ অনুপাতে বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত

বিজ্ঞাপন

নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের দিকে এগোচ্ছে পে-কমিশন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার আবারও পূর্ণাঙ্গ সভায় বসছে কমিশন। সভায় সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন নির্ধারণের পাশাপাশি গ্রেড কাঠামো, ভাতা ও অবসর সুবিধাসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। সদস্যদের মধ্যে ঐকমত্য হলে কিছু সিদ্ধান্ত আগামীকালই চূড়ান্ত হতে পারে।

পে-কমিশন সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পুরোনো ভবনের সভাকক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

সভায় বেতন কাঠামোর পাশাপাশি গ্রেড সংখ্যা, বাড়িভাড়া ভাতা, চিকিৎসা ভাতা, উৎসব ভাতা, অবসরকালীন সুবিধা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। যেসব বিষয়ে দ্রুত ঐকমত্য তৈরি হবে, সেগুলো কমিশন তাৎক্ষণিকভাবে চূড়ান্ত করবে।

কমিশনের এক সদস্য জানান, এবারের পে-স্কেল শুধু সুপারিশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি, নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্য, পরিবারের সদস্য সংখ্যা, আবাসন ব্যয় ও শিক্ষা ব্যয়কে প্রধান সূচক ধরে একটি পূর্ণাঙ্গ ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে সরকার এই কাঠামোকেই বেতন নির্ধারণের মূল রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে।

সূত্র জানায়, পে-কমিশন ইতোমধ্যে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাত ১:৮ করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অর্থাৎ সর্বনিম্ন ২০তম গ্রেডের একজন কর্মচারীর মূল বেতন ১ টাকা ধরা হলে সর্বোচ্চ গ্রেডের কর্মকর্তার মূল বেতন হবে ৮ টাকা। তবে সর্বনিম্ন মূল বেতন কত হবে, তা নিয়ে কমিশনের কাছে তিনটি প্রস্তাব রয়েছে—১৬ হাজার টাকা, ১৭ হাজার টাকা এবং ২১ হাজার টাকা। আগামীকালের সভায় এই তিনটির মধ্য থেকে একটি চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার দেশের আর্থসামাজিক বাস্তবতা ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রেক্ষাপটে একটি সময়োপযোগী পে-স্কেল প্রণয়নের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। যদিও এই পে-স্কেল জাতীয় নির্বাচনের আগে ঘোষণা হবে কি না, তা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে, তবে পে-কমিশন দ্রুত চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার