বিজ্ঞাপন
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে রাজউকের পলাশের লিগ্যাল নোটিশ
জাগো বাংলা ডেস্ক
প্রকাশ: ২৪ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৩ এএম
বিজ্ঞাপন
গত ১৫ জুলাই ২০২৬ তারিখে অনলাইন পোর্টাল জাগোনিউজে রাজউকের কর্মকর্তা পলাশ সিকদারকে জড়িয়ে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের তীব্র প্রতিবাদ ও অসন্তোষ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মুরাদউজ্জামান-এর মাধ্যমে একটি আইনি নোটিশ (লিগ্যাল নোটিশ) পাঠানো হয়েছে।
নোটিশে দাবি করা হয়েছে, প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ অসত্য, বানোয়াট, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং মানহানিকর। নোটিশদাতার পক্ষ থেকে সংবাদে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিপরীতে বেশ কিছু ব্যাখ্যা ও তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
লিগ্যাল নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে জনাব পলাশ সিকদারের বাবার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আরিফুল ইসলাম কর্তৃক গত ০৮/১০/২০২৪ ইং তারিখে একটি মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করা হয়েছিল। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজউকের জোন-৪ এর পরিচালক মো: কামরুল ইসলাম-কে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা দীর্ঘ সময় ধরে উভয় পক্ষের বক্তব্য ও তথ্য-উপাত্ত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই শেষে গত ১৯/১১/২০২৫ ইং তারিখে জনাব পলাশকে সমস্ত অভিযোগ থেকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি (ক্লিন চিট) প্রদান করেন।
প্রতিবাদে পলাশের শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতার বিবরণ দিয়ে বলা হয়েছে, তিনি ২০০২ সালে বরিশাল পলিটেকনিক থেকে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করেন এবং পরবর্তীতে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে ডুয়েট, গাজীপুরে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং (সিভিল)-এ ভর্তি হন। শিক্ষাজীবনে অত্যন্ত মেধাবী জনাব পলাশ পড়াশোনার পাশাপাশি অটোক্যাডে ডিজাইন, প্ল্যানিং এবং বিভিন্ন বেসরকারি কোম্পানিতে পার্ট-টাইম কনসালটেন্ট হিসেবে কাজ করেন। ২০০৮ সালে বিএসসি সম্পন্ন করার পর তিনি দেশের স্বনামধন্য রিয়েল এস্টেট ও ডেভেলপার কোম্পানিতে সফলতার সাথে চাকরি ও কনসালটেন্সি করেন এবং পরবর্তীতে ২০১৬ সালে রাজউকে যোগদান করেন। ফলে সংবাদে অর্জিত সম্পদ নিয়ে যে দাবি করা হয়েছে, তা তার দীর্ঘদিনের বৈধ আয়ের ফসল বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
নোটিশে আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, সংবাদ প্রকাশের আগে এবং পরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার অনুমতি ব্যতিরেকে কল রেকর্ড করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ বেআইনি। পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপে বিভিন্ন প্রশ্ন পাঠিয়ে তাকে হেনস্তা ও ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও নোটিশে দাবি করা হয়।
কাউন্টার দাবিতে নোটিশে বলা হয়েছে, যিনি এই অভিযোগগুলো দায়ের করেছেন (যার প্রেক্ষিতে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছিল), তার বাবা মূলত জনাব পলাশের বাবার সাথে ইউপি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েছিলেন। এছাড়া তাদের মধ্যে জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধ ও শত্রুতা রয়েছে। সেই শত্রুতার জের ধরেই সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে ১৯টি প্যারাবিশিষ্ট একটি মিথ্যা অভিযোগপত্র তৈরি করা হয়েছিল, যার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই।
আমাদের প্রতিষ্ঠান সর্বদা বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতায় বিশ্বাসী। আমরা কোনো পক্ষ অবলম্বন করে সংবাদ প্রকাশ করি না। যেহেতু সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার পক্ষ থেকে আইনি নোটিশের মাধ্যমে তাদের বক্তব্য ও ব্যাখ্যার দালিলিক দাবি উত্থাপন করা হয়েছে, তাই আমরা তা জনসমক্ষে প্রকাশের মাধ্যমে আমাদের নিরপেক্ষতা বজায় রাখছি।