বিজ্ঞাপন
নাসির-তামিমার বিরুদ্ধে মামলার রায় বুধবার, ব্যভিচারসহ যত অভিযোগ
জাগো বাংলা ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৬:৪৮ পিএম
বিজ্ঞাপন
ডিভোর্স (বিবাহবিচ্ছেদ) না দিয়ে অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার জন্য বুধবার (১০ জুন) দিন ধার্য রয়েছে।
ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এই রায় ঘোষণা করবেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আশুতোষ ভৌমিক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, বুধবার সকাল ১১টার দিকে এই রায় ঘোষণা করার কথা রয়েছে।
এর আগে গত ৬ মে বাদী ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুনানি শেষে আদালত রায় ঘোষণার জন্য এই তারিখ নির্ধারণ করেন।
ওই দিন আদালতে বাদী রাকিব হাসানের পক্ষে আইনজীবী ইসরাত হাসান এবং ক্রিকেটার নাসিরের পক্ষে আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু ও তামিমার পক্ষে আইনজীবী মোসলেহ উদ্দিন জসীম যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। শুনানিতে বাদীপক্ষ আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে।
অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের নির্দোষ দাবি করে খালাসের প্রার্থনা করেন।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তামিমা সুলতানা ও রাকিব হাসানের বিয়ে হয়। তাদের একটি আট বছর বয়সী কন্যাসন্তানও রয়েছে। তামিমা পেশায় একজন কেবিন ক্রু।
২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও ক্রিকেটার নাসির হোসেনের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রাকিবের নজরে আসে। পরে পত্রপত্রিকার মাধ্যমে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত হন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, রাকিবের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক চলমান থাকা অবস্থাতেই তামিমা নাসিরকে বিয়ে করেছেন, যা ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ। নাসির তামিমাকে প্রলুব্ধ করে নিজের কাছে নিয়ে গেছেন। তামিমা ও নাসিরের এমন অনৈতিক সম্পর্কের কারণে রাকিব ও তার আট বছরের মেয়ে মারাত্মকভাবে মানসিক বিপর্যস্ত হয়েছেন এবং রাকিবের চরম মানহানি হয়েছে।
দণ্ডবিধির ৪৯৭ (ব্যভিচার), ৫০০ (মানহানি) এবং ৩৪ ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল। মামলায় আগের বিয়ে গোপন রেখে অন্যত্র বিয়ে করা, অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়া, ব্যভিচার ও মানহানির অভিযোগ আনা হয়।
২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আদালতে পিবিআইয়ের (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) পরিদর্শক শেখ মো. মিজানুর রহমান নাসির, তামিমাসহ তিনজনকে দোষী সাব্যস্ত করে প্রতিবেদন জমা দেন। ২০২২ সালের ২৪ জানুয়ারি আদালত নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরুর আদেশ দেন। তবে মামলার অপর আসামি তামিমার মা সুমি আক্তারকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এই মামলায় আদালত মোট ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন।