বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
স্ত্রীর গর্ভবতী অবস্থায় স্বামী যে দোয়াগুলো করতে পারেন, তার মূল উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর কাছে নেক, সুস্থ ও সৎ সন্তান কামনা করা। এই সময়ে নির্দিষ্ট কোনো একটি মাত্র দোয়া নেই, বরং একাধিক দোয়া ও আমল করা যেতে পারে:
১. ইব্রাহিম (আঃ)-এর দোয়া:
এটি সবচেয়ে প্রচলিত এবং কুরআনে বর্ণিত দোয়া। সূরা সাফফাত এর ১০০ নম্বর আয়াতে এটি রয়েছে:
আরও পড়ুন
দুশ্চিন্তা ও হতাশা দূর হবে এই সূরা গুলো পড়লে
رَبِّ هَبْ لِي مِنَ الصَّالِحِينَ -রাব্বি হাবলি মিনাস সলিহিন
অর্থ: "হে আমার প্রতিপালক! আমাকে একজন সৎকর্মশীল (বা নেক) সন্তান দান করুন।"
২. যাকারিয়া (আঃ)-এর দোয়া:
সন্তান কামনায় হযরত যাকারিয়া (আঃ)-এর এই দোয়াটিও অত্যন্ত কার্যকর, যা সূরা আলে ইমরান এর ৩৮ নম্বর আয়াতে আছে:
رَبِّ هَبْ لِي مِنْ لَدُنْكَ ذُرِّيَّةً طَيِّبَةً ۖ إِنَّكَ سَمِيعُ الدُّعَاءِ - "রাব্বি হাব লি মিল্লাদুনকা যুররিয়্যাতান ত্বইয়্যিবাহ, ইন্নাকা সামিউদ দুআ" অর্থ: "হে আমার প্রতিপালক! আমাকে তোমার পক্ষ থেকে একটি পবিত্র ও উত্তম সন্তান দান করো। নিশ্চয়ই তুমি দোয়া শ্রবণকারী।"
৩. সাধারণ দোয়া ও আমল:
নামাজ: পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ যথাযথভাবে আদায় করা এবং নফল নামাজ পড়ে সন্তানের জন্য দোয়া করা।
কুরআন তিলাওয়াত: নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত করা এবং সন্তান যেন কুরআনের অনুসারী হয়, সেই কামনা করা।
দান-সদকা: গরিব-দুঃখীদের দান করা, কারণ দান বিপদ দূর করে এবং দোয়া কবুল হতে সাহায্য করে।
আল্লাহর উপর ভরসা: আল্লাহর সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট থাকা এবং তার কাছেই সবকিছুর জন্য সাহায্য চাওয়া।
এই সময় আল্লাহর কাছে বিনয়ী হয়ে নেক ও সুস্থ সন্তানের জন্য প্রার্থনা করা এবং নিজে সৎ কাজ করা।
বিজ্ঞাপন