Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

ইসলাম

জার্মানিতে আহমদীয়া মুসলিম জামাতের বার্ষিক সম্মেলন

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২২ পিএম

জার্মানিতে আহমদীয়া মুসলিম জামাতের বার্ষিক সম্মেলন

বিজ্ঞাপন

জার্মানির মেনডিং এ অনুষ্ঠিত বার্ষিক সম্মেলনে বিশ্বনবী ও শ্রেষ্ঠনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অনুপম শিক্ষার আলোকে বিশ্বে ন্যায়নীতি ও শান্তি স্থাপনের আহ্বান জানানো হয়েছে।  

৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বাংলাদেশ সময় বিকাল ৫.৪৫মি. বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জাতীয় পতাকার সাথে আহমদীয়া জামা’তের পতাকা উত্তোলন ও দোয়ার মাধ্যমে আহমদীয়া মুসলিম জামা'ত জার্মানির ৫০তম বার্ষিক জলসার উদ্বোধন করেন আহমদীয়া মুসলিম জামা'ত, জার্মানির ন্যাশন্যাল আমীর আব্দুল্লাহ ওয়াগিস হাউজার। ৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সময় রাত ৮.৩০মিনিটে যুক্তরাজ্য থেকে বিশ্ব আহমদীয়া খলীফা হযরত মির্যা মাসরূর আহমদ (আই.) সমাপ্তি ভাষণ প্রদান করেন। 

জার্মানির এই বৃহত্তম মুসলিম সম্মেলনে সমবেত হয়েছিলেন ৪৮ হাজারের অধিক ধর্মপ্রাণ সদস্যগণ। জলসায় বিভিন্ন বক্তাগণ পবিত্র কুরআনের অনুপম সৌন্দর্য, শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় মহানবীর (সা.) অতুলনীয় আদর্শ, সন্তান লালন-পালনে পিতামাতার দায়িত্ব এবং ইসলামী অর্থনৈতিক বিশ্বব্যবস্থা ইত্যাদি বিষয়ে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও প্রখ্যাত আলেমগণ বক্তব্য রাখেন। জলসার দ্বিতীয় দিন যুক্তরাজ্য থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে নারীদের উদ্দেশ্য বক্তব্য রাখেন বিশ্ব আহমদীয়া খলীফা হযরত মির্যা মাসরূর আহমদ (আই.) 

জলসার সমাপ্তি বক্তব্যে বিশ্ব আহমদীয়া খলীফা যথা সময়ে নামায আদায়, শিরক থেকে নিজেদের মুক্ত রাখা, ঋণ পরিশোধের বিষয়ে মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা এবং বিশ্বে শান্তি ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আহমদী মুসলমানদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কেও তিনি দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

শেষে তিনি বিশ্বের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন। জলসা উপলক্ষ্যে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ভিডিও ও লিখিত বার্তা প্রেরণ করেন।

একমাস আগে যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত জলসায় উপস্থিতির সংখ্যা ছিলো ৫০ হাজারের অধিক আর জার্মানি জলসার উপস্থিতি সংখ্যা ৪৮হাজারের অধিক। জলসায় উপস্থিতি সংখ্যার দিক থেকে উভয় দেশের আহমদীদের মাঝে সবসময় সুস্থ প্রতিযোগিতা চলে।

উল্লেখ্য, ১৯২২ সালে বাংলার কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ খান সাহেব মৌলবী মোবারক আলী সর্ব প্রথম জার্মানিতে আহমদীয়া মুসলিম জামাতের পক্ষ থেকে ইসলাম প্রচারক ও ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।  ১৯২৩ সালে তাঁরই উদ্যোগে বার্লিনে প্রথম মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর রাখা হয়, যদিও পরবর্তীতে রাজনৈতিক পঠ পরিবর্তনের কারণে মসজিদ নির্মান বিলম্বিত হয়।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার