Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

ইসলাম

ফজরের নামাজের সিজদায় গিয়ে আর উঠলেন না ইমাম

Icon

ইসলাম ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ০৫:১৮ এএম

ফজরের নামাজের সিজদায় গিয়ে আর উঠলেন না ইমাম

বিজ্ঞাপন

ফজরের সুন্নত নামাজ আদায় করতে গিয়ে সিজদায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন হাফেজ মুহাম্মদ আতাউল্লাহ।

সোমবার (১৭ আগস্ট) ভোরে পটুয়াখালীর সদর উপজেলার মৌকরন ইউনিয়নের শ্রীরামপুর বাজার মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

মসজিদের ইমাম আতাউল্লাহ প্রতিদিনের মতো ভোরে ফজরের নামাজের প্রস্তুতি নেন। সুন্নত নামাজের দ্বিতীয় রাকাতে সিজদায় যাওয়ার পর আর ওঠেননি তিনি। পরে মুসল্লিরা বিষয়টি বুঝতে পেরে কাছে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।

হাফেজ মুহাম্মদ আতাউল্লাহ দুমকী উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তালুকদার বাজারসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা। তার বাবা মাওলানা আব্দুস সালাম। বাবার একমাত্র সন্তান আতাউল্লাহ পটুয়াখালীর জামিয়া আশরাফিয়া মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেছেন। সংসারে তার দুই সন্তান রয়েছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় দেড় বছর ধরে মৌকরন ইউনিয়নের ওই বাজার মসজিদে ইমামতির দায়িত্ব পালন করছিলেন আতাউল্লাহ। নামাজ পড়ানো ও ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি স্থানীয়দের সঙ্গেও তার ছিল ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। নম্র স্বভাব ও সুন্দর আচরণের জন্য মুসল্লিদের কাছে তিনি ছিলেন পছন্দের মানুষ।

এক প্রতিবেশী বলেন, আতাউল্লাহ খুবই শান্ত ও ভালো মানুষ ছিলেন। সবার সঙ্গে আন্তরিকভাবে কথা বলতেন। তাকে কখনও কারও সঙ্গে খারাপ আচরণ করতে দেখা যায়নি। নিয়মিত নামাজ পড়তেন এবং ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলতেন। এভাবে হঠাৎ তার মৃত্যু হবে, তা কেউ ভাবেননি।

মামাতো ভাই মহিবুল্লাহ বলেন, আতাউল্লাহ তার বাবার একমাত্র সন্তান ছিলেন। তার দুটি ছোট সন্তান রয়েছে। পরিবারের জন্য তিনি ছিলেন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তার আকস্মিক মৃত্যুতে স্বজনরা শোকাহত। ছোট ছোট সন্তানকে রেখে এভাবে চলে যাওয়াটা আমাদের জন্য খুব কষ্টের।

আতাউল্লাহর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে মসজিদের মুসল্লি, স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। সকালে তাকে শেষবারের মতো দেখতে বাড়ি ও মসজিদে ভিড় করেন অনেকে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার জোহরের নামাজের পর শ্রীরামপুর বাজার মসজিদের সামনে আতাউল্লাহর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পরে আসরের নামাজের পর তার নিজ বাড়িতে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার