বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
কেউ যদি ওমরাহ করার জন্য ইহরামের কাপড় পরিধান করে কিন্তু কোনো কারণে ওমরাহ আদায় করতে না পারে তবে তার হুকুম কী হবে?
ওই ব্যক্তির দায়িত্ব হলো— পরবর্তীতে সেই ওমরাহটি করে নেওয়া। আর ‘দমে ইহছার’ হিসেবে একটি ‘দম’ দেওয়া। ‘দম’ মানে হলো কুরবানিযোগ্য একটি বকরি হারামের সীমানার ভেতরে জবাই দেওয়া।
যদি কেউ পরবর্তী ওমরাহ করে ফেলে কিন্তু ‘দমে ইহছার’ তথা হারামের সীমানায় বকরি কুরবানি না করে তরে তার জন্য উচিত হবে কারো কাছে টাকা পাঠিয়ে একটি কুরবানি আদায় করা। কিংবা সুযোগ থাকলে নিজে গিয়ে একটি ওমরাহ আদায় করার পাশাপাশি হারামের সীমানায় ‘দমে ইহছার’ তথা একটি বকরি কুরবানি করা। এই কুরবানি করার দ্বারা ইহরাম বেধে ওমরাহ করতে না পারা ব্যক্তি দায়িত্বমুক্ত হয়ে যাবেন।
‘হজ ও ওমরাহর কোনো কাজে কারো ওপর যদি ‘দম’ (কোরবানি/প্রায়শ্চিত্তমূলক পশু জবাই) ওয়াজিব হয়, তাহলে তা মক্কাতেই জবাই করা আবশ্যক। অথবা হারাম এলাকার (মক্কার পবিত্র সীমানার) ভেতরে যেকোনো স্থানে জবাই করা যাবে।’ (আল-মাসালিক ফি আল-মানাসিক)
أن محل الهدى هو البيت، والمراد به البقعة التى فيها البيت وهو الحرام الخ (البحر العتيق، الباب الخامس عشر فى الإحصار، المكتبة المكية-4/2100)
‘হাদির (কুরবানির পশু) নির্ধারিত স্থান হলো ‘বাইত’ (কাবা ঘর)। আর এখানে ‘বাইত’ বলতে পুরো সেই এলাকা বোঝানো হয়েছে, যেখানে কাবা অবস্থিত—অর্থাৎ সমগ্র হারাম অঞ্চল।’ (আল-বাহরুল আতিক)