বিজ্ঞাপন
বিশ্বের কোন দেশে রোজার সময় সবচেয়ে বেশি, আর কোথায় কম?
ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:২৬ এএম
বিজ্ঞাপন
মাত্র কয়েকদিনের মধ্যেই শুরু হতে যাচ্ছে পবিত্র রমজান মাস। চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে কোনো দেশে রমজান শুরু হবে ১৮ ফেব্রুয়ারি আবার কোথাও ১৯ ফেব্রুয়ারি। তবে ভৌগোলিক অবস্থান আর ঋতুর কারণে সব দেশের মুসলমানদের রোজা রাখার সময় একই হবে না।
চন্দ্রবর্ষের হিসাব অনুযায়ী আগের বছরের তুলনায় দিন দশেক এগিয়ে এবার সারাবিশ্বে পবিত্র রমজান শুরু হবে আর কয়েক দিনের মধ্যেই। ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের সময়ে পার্থক্য থাকায় বিশ্বের নানা প্রান্তে রোজা রাখার সময়ও কমবেশি হয়।
জ্যোতির্বিজ্ঞান বলছে, আগের বছরগুলোর তুলনায় এবারে বিভিন্ন দেশে রোজা রাখার সময় তুলনামূলক কম। যা হতে পারে সর্বনিম্ন সাড়ে ১১ ঘণ্টা থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ১৫ ঘণ্টা। সেই হিসেবে পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধ্বের বাসিন্দারা চলতি বছর সবচেয়ে কম সময় ১২ থেকে ১৩ ঘণ্টার মতো রোজা রাখবেন। যা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকবে। বিপরীতে দক্ষিণ গোলার্ধ্বের দেশগুলোতে রোজার সময় হবে ১৪ থেকে ১৫ ঘণ্টার মতো। যা ধীরে ধীরে কমে আসবে।
আরব দেশগুলোতে রোজার সময়ক্ষণ সাড়ে ১২ ঘণ্টা থেকে ১৩ ঘণ্টার মতো। আর বাংলাদেশে এই সময় পৌনে ১৩ ঘণ্টা থেকে সাড়ে ১৩ ঘণ্টার মধ্যে।
ধীরে ধীরে শীতের সময়ে রমজান আসায় এবার বিশ্বব্যাপী আবহাওয়া কিছুটা শীতল থাকবে। যা রোজা পালনে স্বস্তিদায়ক। মুসলিম দেশগুলোতেও এবারের রমজান তুলনামূলক আরামদায়ক ও সুখকর হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, নিরক্ষরেখা থেকে কোনো দেশ যত দূরে সেখানে দিনের দৈর্ঘ্যের তারতম্য তত বেশি হয়। তাই উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি দেশগুলোতে রোজার সময়েও বড় পার্থক্য দেখা যায়।
বিজ্ঞাপন