Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

আন্তর্জাতিক

সেভেন সিস্টার্সে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য বাংলাদেশের সাহায্য চাইল ভারত

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৪৬ পিএম

সেভেন সিস্টার্সে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য বাংলাদেশের সাহায্য চাইল ভারত

বিজ্ঞাপন

উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে (সেভেন সিস্টার্স) বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়াতে বাংলাদেশের পার্বতীপুর দিয়ে ৭৬৫ কেভির হাইভোল্টেজ সঞ্চালন লাইনের (করিডর) অনুমোদন চেয়েছে ভারত। তবে সমান সুযোগ ও আঞ্চলিক গ্রিড ব্যবস্থার নিশ্চয়তা ছাড়া ভারতকে নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে একক কোনো লাইন না দেওয়ার বিষয়ে শক্ত অবস্থান তুলে ধরেছে ঢাকা। বিদ্যুৎ বিভাগের উচ্চপর্যায়ের সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

৯-১০ অক্টোবর ভারতের মুম্বাইয়ে বিদ্যুৎ সচিবদের ওই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্বব্যাংকের আয়োজনে এতে মালদ্বীপ, ভারত, শ্রীলংকা ও বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা অংশ নেন। বৈঠকে ভারত তাদের সেভেন সিস্টার্সে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পার্বতীপুর দিয়ে ৭৫ থেকে ৮০ কিলোমিটার করিডর ব্যবহারের অনুমতি চায়। ভারত জানায়, এই লাইন দিয়ে বাংলাদেশও চাইলে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ আমদানি করতে পারবে।

তবে বৈঠকে অংশগ্রহণকারী এক নীতিনির্ধারক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বলা হয়েছে, সমান সুযোগ ছাড়া বাংলাদেশ এই করিডরের অনুমতি দেবে না। বাংলাদেশ মনে করে নেপাল, ভুটানের সঙ্গে বাংলাদেশের আলাদা গ্রিড লাইন থাকা দরকার। এই লাইন আঞ্চলিক গ্রিড লাইনও হতে পারে। তিনি বলেন, এই গ্রিড লাইন ভারত-ভুটান-বাংলাদেশ বা নেপাল-ভারত-বাংলাদেশও হতে পারে। এ ক্ষেত্রে কোনো দ্বিপাক্ষিক নয়, বাংলাদেশ চাইছে আঞ্চলিক গ্রিড লাইন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন সূত্র জানায়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের ঠিক আগে ১৯-২০ জুলাই দুই দেশের বিদ্যুৎ সচিব পর্যায়ের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের (জেডব্লিউজি) বৈঠকে ভারতের করিডর প্রস্তাব নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছিল। ওই নথিপত্রে ২০২৫ সালে লাইনের নির্মাণকাজ শুরু করে ২০২৮ সালে শেষ করার তাগিদ ছিল। তবে পরবর্তীতে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারই এর চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি।

৬ আগস্ট ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ওই সময় তিনি ৭৬৫ কেভি গ্রিড লাইন নির্মাণের বিষয়টি উত্থাপন করেন। পরে মন্ত্রী বলেন, ভারত যেভাবে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে গ্রিড লাইন নিয়ে যেতে চাচ্ছে, সেভাবে আমরা চিন্তা করছি না।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার